অবৈধ মাদক ব্যবসা, সন্ত্রাসবাদ, জমি দখল, জালিয়াতির মাধ্যমে ভূয়া নাগরিকত্ব গ্রহণ এবং সাধারণ মানুষকে নির্যাতন-হয়রানির অভিযোগে বিতর্কিত নাগরিক ইসমাইল হামিদ ওরফে ‘মৌসুমী হিজড়া’র বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (১৮ অক্টোবর)
বিকেল ৩টা
থেকে ৬টা
পর্যন্ত চট্টগ্রামের
সাতকানিয়া উপজেলার বাজালিয়া ও কেরানিহাট
বাসস্ট্যান্ড—এই দুই পৃথক স্থানে
একযোগে এ
কর্মসূচি পালিত
হয়।
‘মধুবালা হিজড়া
সংস্থা’ এবং
বাজালিয়া ও
হলুদিয়া এলাকার
ভুক্তভোগী জনগণের যৌথ উদ্যোগে এই
মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
বিক্ষোভকালে আন্দোলনকারীরা—“রোহিঙ্গা
হিজড়াদের ঠিকানা
বাংলাদেশে হবে না”, “মৌসুমী ও
মাদকের আস্তানা
জ্বালিয়ে দাও,
গুঁড়িয়ে দাও”,
“দুই নম্বর
হিজড়ার আস্তানা
ভেঙে দাও”—ইত্যাদি নানা
প্রতিবাদী স্লোগানে রাজপথ মুখরিত করে
তোলেন।
‘মধুবালা হিজড়া সংস্থা’র নেত্রী
সুফিয়া খাতুনের
সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে হিজড়া
গ্রুপের সদস্য
মুন্নি, ফুলি,
জলসা, কাজল,
রুজি, হাসিনা,
মাহি, জলদ, জলসা, রায়বানু,
হাসিনা, তানিশা,
রুমা, সুমনা,
মারিয়া, সেতু,
ফুলি, রুজি,
কাজল, সাদিয়া,
প্রিয়া, রাশি,
টুম্পা, রোকেয়া,
সুমি, তানিয়া,
লাকি, গোলাপি,
হুমাইরা, ফারজানা,
আদুরী, সিমি,
রুবি, একা,
রেখা, ফারিয়া,
আয়েশা, বিন্দিয়া,
মিনু।
ও তানিশাসহ
প্রায় অর্ধশতাধিক
হিজড়া নেত্রী
ও স্থানীয়
ভুক্তভোগী সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে
সুফিয়া খাতুন
বলেন, "গত ১৩ বছর আগে
ইসমাইল হামিদ
প্রকাশ মৌসুমী
হামিদ কেরানিহাটের
একটি চা
দোকানে সাধারণ
কর্মচারী হিসেবে
কাজ করত। পরবর্তীতে সে হিজড়া সমাজের
নাম ভাঙিয়ে
ও নিজের
লিঙ্গ পরিবর্তনের
নাটক করে
এলাকার হলুদিয়া
অঞ্চলে জমি
দখল ও
অবৈধ সাম্রাজ্য
গড়ে তোলে। সে হিজড়া পরিবারের নাম
ব্যবহার করে
নানা অপকর্ম
করে পুরো
হিজড়া সমাজের
সুনাম ক্ষুণ্ন
করেছে।"
তিনি আরও অভিযোগ
করেন, মৌসুমী
হিজড়া বিপুল
অর্থ-সম্পদের
মালিক হয়েছে
সম্পূর্ণ অবৈধ
উপায়ে।
তার আসল
পরিচয় গোপন
রাখতে সে
তার স্ত্রী
ও সন্তানকে
নিজের আপন
ভাই মো.
ইয়াছিনের সঙ্গে
বিয়ে দেওয়ার
নাটক সাজিয়েছে।
সমাবেশ থেকে ভুক্তভোগী
জনগণ ও
হিজড়া নেতৃবৃন্দ
সরকারের কাছে
অবিলম্বে কয়েকটি
সুনির্দিষ্ট দাবি জানান, যথা- হিজড়া
সমাজ থেকে
বিতর্কিত মৌসুমী
হিজড়াকে স্থায়ীভাবে
বহিষ্কার ঘোষণা
করা হলো। নাগরিকত্ব বাতিল ও জালিয়াতি করে
তৈরি করা
তার ভূয়া
জাতীয় পরিচয়পত্র
ও নাগরিকত্ব
অবিলম্বে বাতিল
করে তাকে
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে
ফেরত পাঠাতে
হবে।
যে বা যারা এই রোহিঙ্গা
নাগরিককে ভূয়া
বাংলাদেশি নাগরিকত্ব পেতে সহায়তা করেছে,
তাদেরও আইনের
আওতায় এনে
কঠোর শাস্তি
দিতে হবে। কেরানিহাট ও বাজালিয়া এলাকার
ব্যবসায়ী এবং
সাধারণ মানুষকে
এই ভূয়া
হিজড়াকে কোনো
ধরনের টাকা
বা পাওনা থাকলে তা পরিশোধ করে না দেওয়ার জন্য
অনুরোধ জানানো
হয়।
এলাকাবাসীর ওপর পরিচালিত
অত্যাচার, জমি দখল ও হত্যার
হুমকির সুষ্ঠু
তদন্ত করে
আইনি ব্যবস্থা
গ্রহণ করতে
হবে।
বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে
বক্তারা সতর্ক
করে বলেন,
অবিলম্বে প্রশাসন
যদি এই
অবৈধ রোহিঙ্গা
সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে
দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ না
করে, তবে
আগামীতে আরও
কঠোর ও
বৃহত্তর কর্মসূচি
ঘোষণা করা
হবে।
১ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ২৪ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ৩৫ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ৪৮ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে
৪ ঘন্টা ৪৪ মিনিট আগে