তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসায় আলিম প্রথম বর্ষের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে পিএফজি ও ওয়াইপিএজি'র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত ঢাকায় পেশাদার বারিস্তা গড়ে তুলছে DSCA, দেশের প্রথম ISO-সার্টিফায়েড কফি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান উলিপুরে ছাত্র হিযবুল্লাহ্ কুড়িগ্রাম জেলা শাখার কাউন্সিল ও সম্মেলন অনুষ্ঠিত শার্শায় মোবাইলে ভিডিও ধারন করে প্রবাসী স্ত্রীর আত্মহত্যা সাতকানিয়ায় ‘মৌসুমী হিজড়া’র বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সুরক্ষায় সেরার স্বীকৃতি পেলো শেরপুর জেলা প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পেলেন মৌসুমী জাতীয় পতাকার মান রক্ষা করা প্রতিটি সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য অটুট রাখতে হবে : রাষ্ট্রপতি মহাষ্টমী: দেবীবন্দনা ও আমাদের সার্থকতা -সচ্চিদানন্দ দে সদয় পীরগাছায় ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন !! তদন্ত প্রতিবেদনে অনিয়ম ও অর্থ দাবির অভিযোগ সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার হোক দুর্গাপূজায় দেবহাটায় শামীম হত্যা মামলায় ফজলুল হক আমিনী গ্রেপ্তার লোহাগাড়ায় ভাড়া বাসা থেকে কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সাতকানিয়ায় চুরির অপবাদে যুবককে পিটিয়ে হত্যা রায়পুরে মন্দিরে কাজ করতে গিয়ে ইলেকট্রিশিয়ানের মৃত্যু আদমদীঘিতে কারা নির্যাতিত বিএনপির নেতাকর্মীদের গণসংবধনা তালাক বন্ধ করেছে ফ্যামিলি কার্ড: চিফ হুইপ বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের ভাতা বাড়ানো হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

শান্তিগঞ্জে পিএফজি ও ওয়াইপিএজি'র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত

রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও জাতিগত সহিংসতা নিরসন এবং সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখা পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপের (পিএফজি) সদস্যদের ‘শান্তির দূত’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংগঠনটির সদস্যরা। তাঁরা বলেছেন, পিএফজি ও ইয়ুথ পিস অ্যাম্বাসেডর গ্রুপের (ওয়াইপিএজি) সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক মতপার্থক্য দূর করা, পারস্পরিক সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় কাজ করছেন। তাঁদের এ অবদানের স্বীকৃতি দেওয়া হলে ভবিষ্যতে শান্তি প্রতিষ্ঠার কাজে আরও বেশি মানুষ উৎসাহিত হবেন। রোববার (১৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ হলরুমে দিরাই পিএফজি ও ওয়াইপিএজির ত্রৈমাসিক সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। ‘সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত সভায় সহযোগিতা করে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের এমআইপিএস প্রকল্প। সভায় বক্তারা প্রকল্পের কার্যক্রম শেষ হওয়ার পরও পিএফজি ও ওয়াইপিএজির কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা বলেন, আগামী জানুয়ারি ২০২৭ সালে এমআইপিএস প্রকল্পের কার্যক্রম শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে প্রকল্প শেষ হলেও শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ বন্ধ রাখা যাবে না। শান্তিগঞ্জ পিএফজির পিস অ্যাম্বাসেডর সিরাজ মিয়ার সভাপতিত্বে সভায় যৌথ সঞ্চালনা করেন পিস অ্যাম্বাসেডর জিয়াউর রহমান জিয়া ও ওয়াইপিএজির সমন্বয়কারী মানসুর আহমদ। স্বাগত বক্তব্য দেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের এমআইপিএস প্রকল্পের কুদরত পাশা। স্বাগত বক্তব্যে কুদরত পাশা বলেন, প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও পিএফজির কার্যক্রম কীভাবে সচল রাখা যায়, সে বিষয়ে এখন থেকেই পরিকল্পনা নিতে হবে। শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় যাঁরা কাজ করছেন, তাঁদের অভিজ্ঞতা ও অবদান ধরে রাখতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। পিএফজি সদস্য সৈয়দ আলম বলেন, পিএফজি ও ওয়াইপিএজির সব সদস্যকে নিয়ে একটি কমিটি গঠন করে সংগঠনের কার্যক্রম চালু রাখা যেতে পারে। এতে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও স্থানীয় পর্যায়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। বদরুল আলম টিপু বলেন, “পিএফজি আমাদের উদার হতে শিখিয়েছে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও আমরা শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছি।” পিএফজি সদস্য আবু সাইদ বলেন, “আজকের সভাটি শেষ সভা হওয়ায় সবার মনেই কষ্ট রয়েছে। তারপরও আমরা ঘোষণা করছি, পিএফজির কার্যক্রম চালু রাখব।” পিএফজি সদস্য মতিউর রহমান বলেন, মাদ্রাসা ও স্কুলের শিক্ষার মানোন্নয়নে তাঁরা মা সমাবেশ ও মতবিনিময় সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে সামাজিক সমস্যা সমাধান ও শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছেন তাঁরা। ওয়াইপিএজি সদস্য জাহিদুল ইসলাম বলেন, পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের বেসরকারি বিদ্যালয়গুলো সরকারি করা ও শিক্ষার মানোন্নয়নের দাবিতে তাঁরা মা সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন। রাজনৈতিক মামলায় কারাগারে থাকা অবস্থায় আরও দুটি মামলার আসামি হওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যেন কাউকে এ ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয়, সে বিষয়ে পিএফজি নেতৃবৃন্দের উদ্যোগ নেওয়া উচিত। সভায় বক্তারা বলেন, পিএফজি একটি উদার, অসাম্প্রদায়িক, বহুত্ববাদী, সহনশীল ও মানবিক সমাজ গঠনে কাজ করছে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিকাশ, সহিংসতা নিরসন, জাতি-ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে মানুষের সহাবস্থান নিশ্চিত করা, ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতির বিকাশ এবং সম্মিলিত উদ্যোগে সামাজিক সমস্যা সমাধানে সংগঠনটির ভূমিকা রয়েছে। তাঁরা আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকার পিএফজি সদস্যদের নিয়ে জাতীয় সম্মেলনের আয়োজন করা হলে তাঁদের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সদস্যদের সনদপত্র দেওয়া হলে তাঁরা ভবিষ্যতে আরও উৎসাহ নিয়ে কাজ করতে পারবেন। এতে স্থানীয় পর্যায়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করা সদস্যদের ‘শান্তির দূত’ হিসেবে পরিচিতি ও স্বীকৃতি দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। সভায় আরও বক্তব্য দেন পিএফজির সমন্বয়কারী দোলন রানী তালুকদার, পিএফজি সদস্য জেসমিন আক্তার, জয়ন্ত তালুকদার, আলেয়া বেগম, শিউলী দেবী, নাজমা বেগম, কুহিনুর বেগম, জহুরা বেগম, নাছিমা আক্তার, ওয়াইপিএজি সদস্য খাইরুল আলম, আরশ উদ্দিন, রাহেল আহমদ, শাওন, জাহেদ, হাবিবুর রহমান, ইমরানুল হাসান, মাহবুবুর রহমান, সীমা আক্তার, লিজা আক্তার, নাহিদা আক্তার, সৌরভ খান, মোফাচ্ছেল আলী ও রাহেল আলমসহ অন্য সদস্যরা।
আরও খবর