লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ককটেল বিস্ফোরণ ও ছুরিকাঘাতের ঘটনায় বিএনপি নেতা এবাদুল্লাহ গাজীসহ চারজন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে গুরুতর আহত এবাদুল্লাহ গাজী ও জাহিদকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় সাইফুল ইসলাম ওরফে সুজন (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় লোকজন। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার ২ নম্বর উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের খাসেরহাট বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
আহত এবাদুল্লাহ গাজী ওই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে হঠাৎ ককটেল বিস্ফোরণের শব্দে খাসেরহাট বাজার ও আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এর কিছুক্ষণ পর ছুরিকাঘাতের ঘটনায় এবাদুল্লাহ গাজীসহ চারজন আহত হন। এ সময় এবাদুল্লাহ গাজীর হাত ও পায়ে গুরুতর আঘাত লাগে এবং জাহিদের বুকে ছুরিকাঘাত করা হয়।
পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। আহত অন্য দুজন হলেন রায়হান ও খোরশেদ। তাঁরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গুরুতর আহত এবাদুল্লাহ গাজীকে ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (নিটোর) এবং জাহিদকে বক্ষব্যাধি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক সঞ্জয় দাস বলেন, আহত চারজনের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আটক সাইফুল ইসলাম ওরফে সুজন (৩২) ভোলা সদর থানার শ্যামপুর বেদুয়া এলাকার মৃত রফিক মিয়ার ছেলে।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ মিছিল করেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, ছুরিকাঘাতে আহত করার অভিযোগে সুজন নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ছাড়া ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৭ ঘন্টা ৩২ মিনিট আগে
৯ ঘন্টা ৪৪ মিনিট আগে
১১ ঘন্টা ১১ মিনিট আগে
১১ ঘন্টা ৩১ মিনিট আগে
১২ ঘন্টা ১৬ মিনিট আগে
১২ ঘন্টা ২৯ মিনিট আগে
১২ ঘন্টা ৩২ মিনিট আগে