◾ নিউজ ডেস্ক
বিশ্বের বৃহত্তম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার এখন লোকে লোকারণ্য। জন্মাষ্টমীসহ টানা তিন দিনের ছুটিতে লাখ লাখ পর্যটকের সমাগম ঘটেছে নীল জলরাশির নয়নাভিরাম এই সৈকতে। দেশীয় পর্যটকের পাশাপাশি বিদেশিদেরও আনাগোনা বেড়েছে। পর্যটন ব্যবসায়ীদের ধারণা, এরই মধ্যে প্রায় ৬ লাখ পর্যটকের সমাগম ঘটেছে। হোটেল-মোটেল, গেস্ট ও রেস্ট হাউসগুলোতে ৭০ শতাংশ বুকিং সম্পন্ন হয়েছে। আজ শুক্রবার (১৯ আগস্ট) সকাল পর্যন্ত এসেছেন প্রায় ২ লাখ পর্যটক।
বৃহস্পতিবার কক্সবাজার গেস্ট হাউস রেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার জানিয়েছিলেন, শুক্রবার ২ লাখ পর্যটক আগমনের সম্ভাবনা রয়েছে। তিন দিনে প্রায় ৬ লাখ পর্যটক আসবে। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ (আজ পর্যন্ত ৭০ শতাংশ) বুকিং হয়েছে। হোটেল ভাড়াও সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সৈকতের লাবনী, সুগন্ধা ও কলাতলী (সায়মন) পয়েন্টে লক্ষাধিক পর্যটকের উপস্থিতি দেখা গেছে। আজ সকালেও সৈকতে উপচে পড়া ভিড় ছিল।
হবিগঞ্জ থেকে আসা পর্যটক দম্পতি পলাশ শর্মা ও মিনা বলেন, এবার জন্মাষ্টমীর ছুটিতে আমাদের ইচ্ছে ছিল কক্সবাজার ঘুরতে আসব। সরকারি চাকরির কারণে তেমন একটা ছুটিও পাওয়া যায় না। তাই ছুটি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই চলে এসেছি। এখানে খাবারের দাম ও হোটেলের রুম ভাড়া সহনীয় পর্যায়ে আছে বলে মনে হলো, যা গত বছরের ডিসেম্বরের তুলনায় অনেকটা কম।
রাজশাহী থেকে আসা পর্যটক ইয়াসমিন বলেন, আজ সকালে এসেই দুদিনের জন্য রুম নিলাম। ভাবছিলাম এবার কক্সবাজারে পর্যটক কম হবে। কিন্তু এসে দেখতে পাচ্ছি অনেক পর্যটক। সৈকতজুড়ে পর্যটক আর পর্যটক।
এদিকে, গত কয়েক দিনের বিরূপ আবহাওয়া ও লঘুচাপের কারণে ভেঙে যায় কক্সবাজার সৈকতের প্রায় ৩ কিলোমিটার এলাকা। সৈকতের ডায়াবেটিক পয়েন্ট থেকে কলাতলির ডলফিন মোড় পর্যন্ত সৈকত এলাকায় বড় বড় ঢেউয়ের তোড়ে বিভিন্ন এলাকার বালু সরে যাচ্ছে। এতে বিভিন্ন পয়েন্টে ভাঙন দেখা দিয়েছে।
বিচকর্মীদের সুপারভাইজার মাহবুব আলম বলেন, আজ সৈকতের প্রতিটি পয়েন্টে অনেক পর্যটক হয়েছে। এত বিরূপ আবহাওয়ায়ও এভাবে পর্যটক বেড়ে যাবে, তা কল্পনাও করিনি। সকাল থেকে সৈকতের ৩-৪টি পয়েন্ট থেকে পর্যটকরা নামছেন। কেউ কেউ দলবদ্ধ হয়ে সৈকতে নামছেন, কেউ ঘোড়ায় চড়ে মজা করছেন, ছবি তুলছেন। আবার কোনো কোনো মা-বাবা বাচ্চাদের নিয়ে পানির কাছে মাটির ঘর বানিয়ে আনন্দে মেতেছেন। তাদের সচেতন করতে আমরা মাঠে রয়েছি। মাইকিংয়ের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক সচেতন করা হচ্ছে।
সি-সেইফ লাইফ গার্ডের সদস্য মো. ইউসুফ বলেন, আমরা ওয়াচ টাওয়ার থেকে পানিতে নামা পর্যটকদের সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখছি। কেউ যেন গভীর পানিতে না নামেন, সে বিষয়ে সজাগ করা হচ্ছে।
কক্সবাজার ট্যুরিস্ট জোনের পুলিশ সুপার মো. জিল্লুর রহমান বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য সর্বোচ্চ নজরদারিতে রয়েছে কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশ। পর্যটন স্পটগুলোতে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সাদা পোশাকধারী টিমসহ কয়েকটি টিম কাজ করছে।
৪ ঘন্টা ৩৫ মিনিট আগে
৪ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আগে
৫ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে
৬ ঘন্টা ৪৬ মিনিট আগে
১ দিন ১ ঘন্টা ৩৭ মিনিট আগে
১ দিন ১৮ ঘন্টা ৪৬ মিনিট আগে
১ দিন ২১ ঘন্টা ৪৬ মিনিট আগে
১ দিন ২৩ ঘন্টা ০ মিনিট আগে