‎শ্রীমঙ্গলে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়, কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের মধ্যে সনদ বিতরণ কালাইয়ে মাদক মামলায় যুবকের জেল ও জরিমানা রায়পুরে তেলের সংকট নিরসনে ইউএনও’র উদ্যোগে মতবিনিময় সভা, ফুয়েল কার্ড চালুর সিদ্ধান্ত ৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী শ্যামনগরে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অনুপস্থিত শিক্ষার্থী ৩৭৬ জন ‎সুন্দরবনে ১১ জেলেকে অপহরণের অভিযোগ, তদন্তে কোস্ট গার্ড শার্শার বাগআঁচড়ায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল বিক্রির অপরাধে ফিলিং স্টেশন কতৃপক্ষকে জরিমানা! ববি গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ডিজিটাল মিডিয়া ল্যাব উদ্বোধন নওগাঁর নিয়ামতপুর ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গিয়ে পুলিশ সদস্যকে মারধর মোটরসাইকেল আরোহীর গ্রেফতার ঝিনাইগাতীতে আদিবাসীদের অধিকার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত লাখাইয়ে প্রাথমিক বৃত্তি শুরু, পরীক্ষায় ২৬৪ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত। ঈশ্বরগঞ্জে পেট্রোলের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে স্পিকারের বিস্ফোরক মন্তব্য সরকার ১৮০ দিনের কর্মসূচির আলোকে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী ‎বঙ্গোপসাগরে প্রজনন রক্ষায় ৫৮ দিন সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ নোয়াখালীতে বহুল আলোচিত স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যা মামলার রায় পেছাল সাতক্ষীরায় বৃত্তি পরীক্ষার প্রথম দিনে উপস্থিতি ৬১ শতাংশ সাতক্ষীরায় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে হামলায় মামুন কারাগারে ঝিনাইগাতীতে এসআইএল-এর আয়োজনে বসতভিটায় শাক-সবজি চাষের উপর প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন প্রকার সবজির বীজ বিতরণ গোয়ালন্দে কৃষি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনক্ষুদ্র কৃষকদের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ: ড. তিতুমীর

নীরব সংকটে ব্যাংক খাত

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 21-08-2022 11:56:20 pm

সংগৃহীত ছবি

◾ নিউজ ডেস্ক


নগদ টাকার চরম সংকটে পড়েছে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। প্রায় প্রতিদিনই কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ধার নিয়ে দৈনিক চাহিদা মেটাচ্ছে কয়েকটি ব্যাংক। এ খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঋণ আদায় ও নতুন আমানত কমে যাওয়ার পাশাপাশি ডলার সঙ্কটের কারণে এ অবস্থা তৈরি হয়েছে। 


বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার (২১ আগস্ট)ও কয়েকটি ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা ধার নিয়েছে। এর আগে গত ১৭ আগস্ট সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকা, ১৬ আগস্ট সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা এবং ১৪ আগস্ট সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা ধার দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ জন্য ব্যাংকগুলোকে সর্বোচ্চ সুদ গুনতে হয়েছে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে না এলে সঞ্চয় ভাঙার প্রবণতা আরও বাড়বে। এতে ব্যাংকের বিনিয়োগ সক্ষমতা কমবে। তাই এমন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য ব্যাংকগুলোকে ঋণ আদায়ে বেশি মনোযোগী হতে হবে। 


গত অর্থবছরের আগস্ট থেকে ব্যাংকিং খাতে ডলার সঙ্কট দেখা দেয়। এ কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে ডলার কিনে তাদের প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাচ্ছে ব্যাংকগুলো। 


বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, গত অর্থবছরে ডলারের সঙ্কটে পড়া ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে ৭৫০ কোটি ডলার কিনেছে। এর বিপরীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক অন্য ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে সাড়ে ৬৭ হাজার কোটি টাকা তুলে নেয়। গত অর্থবছরের ধারাবাহিকতায় চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে ব্যাংকগুলোর ডলার সঙ্কট চলতে থাকে। বৈদেশিক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি অব্যাহত রেখেছে।


সর্বশেষ পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ৪৭ দিনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে ১৭ হাজার ৬০৩ কোটি টাকার বিনিময়ে ১৮৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার কিনেছে ব্যাংকগুলো। 


বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যানে ব্যাংকগুলোর হাতে উদ্বৃত্ত তারল্য দেখানো হয়েছে ২ লাখ ৩ হাজার ৪২৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে নগদ অর্থ মাত্র ২০ হাজার কোটি টাকা। বাকি উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারি ট্রেজারি বিল ও বন্ডে আটকে রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, জুন শেষে সরকারের কাছে ৩ লাখ ২২ হাজার ৬৯৬ কোটি টাকার ট্রেজারি বিল ও বন্ড রয়েছে, অর্থাৎ এ পরিমাণ ব্যাংকের অর্থ সরকারের কাছে ঋণ আকারে রয়েছে।


ব্যাংকাররা জানিয়েছেন, তাদের কাছে ট্রেজারি বিল ও বন্ড রয়েছে। কিন্তু নগদ অর্থের সঙ্কট রয়েছে। আর এ সঙ্কট মেটাতে অনেক ক্ষেত্রেই দৈনন্দিন ব্যয় মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে হাত পাততে হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, গত রোববার একটি ব্যাংক দু’দিন মেয়াদি রেপো সুবিধার আওতায় ২৭০ কোটি ৬৪ লাখ টাকার আবেদন করেছিল। বিপরীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নগদ টাকার সঙ্কটে পড়া ব্যাংকটিকে ১৩৫ কোটি ৩২ লাখ টাকা ধার দেওয়া হয়েছে। এ জন্য ব্যাংকটিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে সুদ গুনতে হবে সাড়ে ৫ শতাংশ হারে।


অপরদিকে ৭ দিন মেয়াদি রেপো সুবিধার আওতায় পাঁচটি ব্যাংক ৯ হাজার ৩৮৪ কোটি ৯৪ লাখ টাকার ঋণ চেয়েছিল, বিপরীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ব্যাংকগুলোকে ঋণ দেওয়া হয় ৪ হাজার ৬৯২ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। অপরদিকে ১৪টি ব্যাংক দু’দিন মেয়াদি বিশেষ তারল্য সহায়তার আওতায় ৭ হাজার ৪৫১ কোটি ৫০ লাখ টাকার ঋণ চেয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ১৪টি ব্যাংকের চাহিদা অনুযায়ী পুরো অর্থঋণ দেওয়া হয়। সব মিলে রোববারে ২০টি ব্যাংকের ১৭ হাজার ১০৮ কোটি টাকার চাহিদার বিপরীতে ঋণ দেওয়া হয় ১২ হাজার ২৭৯ কোটি ২৯ লাখ টাকা। এ জন্য সুদ গুনতে হয় সাড়ে ৫ শতাংশ থেকে ৫.৬ শতাংশ পর্যন্ত।

আরও খবর




69d344e7741dc-060426113015.webp
৪ দফায় বাড়ার পর কমল স্বর্ণের দাম

৯ দিন ১৫ ঘন্টা ১২ মিনিট আগে



69cfb3595fe22-030426063225.webp
সিঙ্গাপুর থেকে এলো ২৭ হাজার টন ডিজেল

১২ দিন ৮ ঘন্টা ১০ মিনিট আগে