ইত্যাদি এবার প্রকৃতি ও প্রত্নতত্ত্বের জেলা নরসিংদীতে- প্রচার ৫ জুন শুক্রবার শান্তিগঞ্জে শোকের ছায়া, কুরিয়ার ভ্যান কেড়ে নিল শিশুর জীবন বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল অলিম্পিয়াডে প্রথম হলেন পবিপ্রবির রত্না রানি শ্যামনগরের স্বাস্থ্য স্বেচ্ছাসেবককে স্বাস্থ্য বিষয়ক উপকরণ বিতরণ ‎মায়ের লাশে অবহেলা: মোংলা পোর্টের পদ হারালেন বিতর্কিত যুগ্ম সচিব আনিসুর রহমান বেনাপোলে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়ি বহরে হামলা, আহত ৪ টিকিট কেটেও দেশে ফেরা হলো না প্রবাসী ফরহাদের ​নিউইয়র্কে ক্যান্সারের সঙ্গে এক বছর লড়ে নোয়াখালীর প্রবাসীর মৃত্যু, চিকিৎসায় ব্যয় ৩০ কোটি টাকা ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স কর্তৃক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন ও মুরগির বাচ্চা বিতরণ যশোর প্রেসক্লাবে সদস্যপদ নিয়ে চরম ক্ষোভ: ৭ দিনের আল্টিমেটাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নেপালকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ ঈদে গজনী ও মধুটিলায় পর্যটকদের ঢল, প্রকৃতির টানে মুখর গারো পাহাড়, জমজমাট দুই পর্যটন কেন্দ্র কয়রায় চলাচলের পথকে কেন্দ্র করে মারপিটের ঘটনায় থানায় মামলা অসহ্য গরম থেকে বাঁচতে যা করবেন রায়পুরে ইয়াবাসহ বিএনপি নেতা শামীম গ্রেপ্তার কালিন্দী নদী পেরোতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ দুইজন সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধার মর্মান্তিক মৃত্যু জননেতা আসহাব উদ্দীন চৌধুরীর মমতাময়ী মায়ের মৃত্যুতে ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর গভীর শোক প্রকাশ সাতক্ষীরার সীমান্তে ভারতীয় বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশী আহত অক্সিজেন না দেওয়ার অভিযোগে মৃত্যু গরমে সুস্থ থাকার উপায়, খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন

রেমিট্যান্স বেড়েছে, কমেছে রপ্তানি

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 03-04-2023 09:02:08 am

রোজা ও ঈদকে সামনে রেখে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রবাহ ছয় মাস পর মার্চে আবার ২০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে।


এ মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ২০২ কোটি ডলার। এদিকে মার্চে রপ্তানি আয়ও সামান্য বেড়েছে। তবে গত অর্থবছরের মার্চের তুলনায় কমেছে।


বাংলাদেশ ব্যাংক ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। দেশে এর আগে ২০২২ সালের আগস্টে সর্বশেষ ২০৪ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। এরপর রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ কমতে থাকে।


গত সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতি মাসে গড়ে ২০০ কোটি ডলারের কম রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। এদিকে মার্চে রপ্তানি আয় হয়েছে ৪৬৪ কোটি ৪০ লাখ ডলার। ফেব্রুয়ারিতে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ছিল ৪৬৩ কোটি ডলার। গত ফেব্রুয়ারি থেকেই রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ৫০০ কোটি ডলারের নিচে রয়েছে।


সূত্র জানায়, রোজা ও ঈদের কারণে এ মাসেও রেমিট্যান্স বাড়তে পারে। তবে রপ্তানি আয় কমে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রপ্তানি খাতের কাঁচামালের এলসি খোলা কমেছে ৩৪ শতাংশ এবং আমদানি কমেছে ১০ শতাংশ। রপ্তানির আদেশ কমায় কাঁচামালের আমদানি ও এলসি খোলা দুটোই কমেছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে আগামীতে।


দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার ২৮ শতাংশ আসে রেমিট্যান্সের মাধ্যমে। আর রপ্তানি আয়ের মাধ্যমে আসে ৭০ শতাংশ। অর্থাৎ মোট বৈদেশিক মুদ্রার আড়াই গুণ আসছে রপ্তানি আয়ের মাধ্যমে। বাকি ২ শতাংশ আসে অন্যান্য খাত থেকে। এর ফলে রপ্তানি আয় কমে গেলে সার্বিক বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা চাপে পড়বে। কারণ তখন ডলারের সংকট আরও বাড়বে।


বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, মার্চে রেমিট্যান্স এসেছে ২০২ কোটি ডলার। ফেব্রুয়ারিতে এর পরিমাণ ছিল ১৫৬ কোটি ডলার। এক মাসে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৪৬ কোটি ডলার। গত বছরের মার্চে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৮৬ কোটি ডলার। ওই সময়ের তুলনায় এ মার্চে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৬ কোটি ডলার।


গত অর্থবছরের জুলাই-মার্চে রেমিট্যান্স এসেছিল ১ হাজার ৫৩০ কোটি ডলার। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৬০৩ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের ওই সময়ের তুলনায় চলতি অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৭৩ কোটি ডলার।


গত মার্চে মোট রেমিট্যান্সের মধ্যে সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ২৩ কোটি ৪৬ লাখ ডলার, বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১৭৩ কোটি ১৫ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬৫ লাখ ২০ হাজার ডলার।


গত মার্চে আট ব্যাংকের মাধ্যমে কোনো প্রবাসী আয় দেশে আসেনি। এর মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল), বিশেষায়িত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব), বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক, কমিউনিটি ব্যাংক, সীমান্ত ব্যাংক, বিদেশি খাতের হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান এবং স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া।


মার্চে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫০২ কোটি ডলার, অর্জিত হয়েছে ৪৬৪ কোটি ডলার। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রপ্তানি সাড়ে ৭ শতাংশ কম হয়েছে। গত বছরের মার্চে রপ্তানি আয় হয়েছিল ৪৭৬ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের মার্চের তুলনায় এ মার্চে আড়াই শতাংশ প্রবৃদ্ধি কম হয়েছে।


রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ধাক্কা : গত কয়েক মাস প্রবৃদ্ধি বাড়লেও আয়ের লক্ষ্যমাত্র অর্জনে ধাক্কা খেতে হচ্ছে। চলতি অর্থবছরের (২০২২-২০২৩) প্রথম নয় মাসে (জুলাই-মার্চ) রপ্তানি আয় হয়েছে ৪১৭২ কোটি মার্কিন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময় আয় হয়েছিল ৩৮৬০ কোটি ডলার। সেক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি বেড়েছে ৮.০৭ শতাংশ। তবে নয় মাসে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৪২২৬ কোটি ডলার। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় আয় কমেছে ১.২৮ শতাংশ।


রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) রপ্তানি আয়ের হালনাগাদ পরিসংখ্যানে আরও বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরের (২০২২-২০২৩) প্রথম নয় মাসে গার্মেন্ট পণ্য রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৩৪১০ কোটি ডলার। আয় হয়েছে ৩৫২৫ কোটি ডলার। আয় বেশি হয়েছে ৩.৩৭ শতাংশ। এছাড়া গত অর্থবছরের একই সময় আয় হয়েছিল ৩১৪২ কোটি ডলার। ওই সময়ের তুলনায় এবার প্রবৃদ্ধি বেড়েছে ১২.১৭ শতাংশ। একইভাবে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১০৪ কোটি ডলার। আয় হয়েছে ৯১ কোটি ডলার। আয় কম হয়েছে ১২.৩৫ শতাংশ। এছাড়া গত অর্থবছরের একই সময় আয় হয়েছে ৮৯ কোটি ডলার। সেক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি বেড়েছে ২.৫৬ শতাংশ।


উৎপাদিত পণ্য রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৪০৭৮ কোটি ডলার। আয় হয়েছে ৪০৬৮ কোটি ডলার। আয় কমেছে শূন্য দশমিক ২৪ শতাংশ। আর গত অর্থবছরের একই সময় আয় হয়েছিল ৩৭২১ কোটি ডলার। সেক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি বেড়েছে ৯.৩৪ শতাংশ। প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১৪ কোটি ডলার। আয় হয়েছে ১৫ কোটি ডলার। আয় বেশি হয়েছে ৬.১৫ শতাংশ। গত অর্থবছর একই সময় আয় হয়েছিল ১১ কোটি ডলার। সেক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি বেড়েছে ৩৪.০৭ শতাংশ। পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি আয় ও প্রবৃদ্ধি কোনোটাই অর্জন হয়নি।

আরও খবর