ছায়াময় ক্যাম্পাস গড়ার প্রত্যয়ে ট্যুরিস্ট ক্লাব সাস্টের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নোয়াখালীতে লাকড়ির ঘরে মিলল এলজি-কার্তুজ জয়পুরহাট চিনিকলে জিয়া পরিষদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন রাজবাড়ীতে র‌্যাবের অভিযানে ৫ আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৫ এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট গোয়ালন্দে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন মাদকসেবী আটক, কারাদণ্ড ও জরিমানা ‎মোংলা-খুলনা মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার সমন্বয়ে ঝিনাইগাতীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি মোহাম্মদপুর জনতা উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন মনির হোসেন শুভ শেরপুরে প্রাথমিক শিক্ষকদের সুপারভিশন ও মনিটরিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত মিরসরাইয়ে স্বজন সংসদ'র কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন, সভাপতি নুর আলম নুরু; সম্পাদক নুর উদ্দিন বাবু দৌলতদিয়ায় নৌ পুলিশের সচেতনতামূলক কর্মসূচি, ৩ বিদ্যালয়ের প্রায় ১,৪০০ শিক্ষার্থীকে সাঁতার শেখা ও জলদুর্ঘটনা প্রতিরোধে পরামর্শ রাজবাড়ীর খানখানাপুর রেলক্রসিংয়ে তেলবাহী ট্রেনের বগি বিচ্ছিন্ন হয়ে বাস-মাহিন্দ্রে ধাক্কা, নিহত ২, আহত ৬ দৌলতদিয়ায় যৌনপল্লীতে যৌন উত্তেজক ঔষধ খেয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যুর অভিযোগ ওয়াশিংটনের গুলিতে ২ নিহত, আহত ৫ ব্রয়লার মুরগি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য কতটা নিরাপদ? বিজ্ঞাপনের চুক্তির কথা বলে ডেকে নিয়ে শারিরীক নির্যাতন, মামলা করতে থানায় মডেল স্নিগ্ধা বরিশালের দুই সাংবাদিককে লাঞ্ছিত, জোরপূর্বক মুচলেখা অভিযোগ গুরুতর অসুস্থ বিএমএসএস প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান খন্দকার আছিবুর রহমান, সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর দোয়া প্রার্থনা" গড়াই নদীর ভাঙনে বিলীন হচ্ছে জনপদ, আতঙ্কে পাংশার কসবামাজাইল ইউনিয়নের নাদুরিয়া গ্রামের মানুষ

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অশ্লীলতা ও নেশাগ্রস্ত বন্ধে ব্যবস্থা নিন

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 25-08-2022 12:22:53 pm

ফাইল ছবি

শেখ আব্দুল্লাহ


রাজধানী ঢাকার শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত একটি সুপরিসর উদ্যান হলো সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। এক সময় এটি রমনা রেসকোর্স ময়দান নামে পরিচিত ছিল। ব্রিটিশ আমলের ব্রিটিশ সৈন্যদের সামরিক ক্লাব এখানে প্রতিষ্ঠিত ছিল। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের পর মাঠটিকে কখনো কখনো রেসকোর্স নামেও ডাকা হতো। স্বাধীনতার পর রমনা রেসকোর্স নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। 


এই উদ্যানটি বাঙালি জাতীয় জীবনে স্মৃতিচিহ্নও বহন করে। কেননা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ এখানেই প্রদান করেন। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনী এই উদ্যানেই আত্মসমর্পণ করে মিত্রবাহিনীর কাছে। সব মিলিয়ে উদ্যানটি বাঙালি জাতীয় জীবনে বড় একটি অংশ দখল করে আছে, থাকবে চিরকাল ধরে। বর্তমানে সরকারি উদ্যগে মাঠটিকে পরিচর্যা করে সৌন্দর্য বর্ধিত করা হয়েছে। এছাড়াও বাঙালি জাতীয় ইতিহাসের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে ধরে রাখার জন্য স্থাপনা করা হয়ছে স্বাধীনতা যাদুঘর, স্বাধীনতা স্তম্ভ , শিখা চিরন্তন মতো ঐতিহাসিক স্থাপনা। এই সুপরিসর নগর উদ্যানটি শহরের সকল স্তরের মানুষের কাছে বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে দাড়িয়েছে। স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী সহ বিভন্ন শ্রেণীর মানুষ এই উদ্যানে আসে অবসর সময় কাটানোর জন্য। নেই কারো প্রতি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ। 


কিন্তু সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, এই স্বাধীনতার অপব্যবহার করে কিছু মানুষ উদ্যানটিকে ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে অশ্লীলতা ও নেশাগ্রস্ততার দিকে। অতি স্বাধীনতার স্লোগানে চলছে সামাজিক পরিবেশে অশ্লীলতার ছড়াছড়ি। এছাড়াও প্রশাসনের তেমন কোনো হস্তক্ষেপ না থাকার কারণে নেশাগ্রস্ত মানুষের কাছে নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করার উপযুক্ত স্থান হিসেবে দাড়িয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। দিনের বেলায় স্বাভাবিক অবস্থায় থাকলেও সন্ধ্যা নামার পর এই অনৈতিক কাজগুলো অধিক হারে বেড়ে যায়। চারদিকে অশ্লীলতার ছড়াছড়ি ও তামাকের ধোঁয়ায় উদ্যানটি রুপ নেই ভিন্ন রুপে। এ যেন নেশাগ্রস্ত মানুষদের জন্য অভয়ারণ্য। 


তাই এমতাবস্থায়, দর্শনার্থীদের মুক্তভাবে চলাফেরার বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। যে মানুষগুলো অবসর সময় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সময় কাটাতো তাদের এখন উদ্যানের প্রতি বিরূপ চিন্তাভাবনা জন্মাচ্ছে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি, ঐতিহাসিক এই উদ্যানটিকে সমস্ত অশ্লীলতা ও মাদক থেকে মুক্ত রাখার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নিন। সাধারণ মানুষের একটু স্বস্তিতে বসবাস করার সুযোগ করে দিন।


লেখক: শেখ আব্দুল্লাহ

শিক্ষার্থী, ঢাকা কলেজ

আরও খবর