মুন্সি শাহাব উদ্দীন, চট্টগ্রাম
গরমের তীব্রতা থেকে স্বস্তি পেতে সামান্য বৃষ্টিই যেন আশীর্বাদ হয়ে আসে। তবে এই স্বস্তির মাঝেই লুকিয়ে থাকে এক ভয়ংকর বিপদ। অল্প বৃষ্টিতেই দেশের বিভিন্ন সড়ক ও মহাসড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ছে, যার ফলে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা, আহত ও নিহতের সংখ্যাও আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বিশেষ করে মহাসড়কগুলোতে এই সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে। চালকদের সামান্য অসতর্কতা কিংবা নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে মুহূর্তেই ঘটে যাচ্ছে মারাত্মক দুর্ঘটনা। এতে যাত্রী, চালক ও পথচারীরা পড়ছেন চরম ঝুঁকির মুখে।
এ অবস্থার পেছনে অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছে অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন। অভিযোগ রয়েছে, একশ্রেণির অসাধু ‘মাটি খেকো’ চক্র রাতের অন্ধকারে বিভিন্ন স্থান থেকে মাটি কেটে তা বিক্রি করছে। এসব মাটি বহনের সময় ডাম্পার বা ট্রাক থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাটি সড়কে পড়ে যায়।
পরে এই মাটি শুকিয়ে সড়কের ওপর শক্ত স্তর তৈরি করে। যখন হালকা বা গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হয়, তখন সেই শক্ত মাটির স্তর ভিজে গিয়ে সড়ককে অত্যন্ত পিচ্ছিল করে তোলে। ফলে যানবাহনের চাকা সহজেই স্লিপ করে এবং নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার সৃষ্টি হয়। আর চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় এই মাটি খেকোরা রয়েছে। তাদেরকে যেন থামানোর কেউ নাই।
সাধারণ মানুষ মনে করেন , এ ধরনের পিচ্ছিল সড়ক পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং তাৎক্ষণিকভাবে এর প্রতিকার প্রয়োজন। সড়কে পড়ে থাকা মাটি নিয়মিত পরিষ্কার করা, অবৈধ মাটি কাটা বন্ধ করা এবং ডাম্পার গাড়ি যেন অবৈধ ভাবে মাটি বহন করতে না পারে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে সড়ক দুর্ঘটনার হার আরও বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।
এদিকে সাধারণ মানুষও নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, সামান্য বৃষ্টিতে যেন আর কোনো প্রাণ ঝরে না যায়, সে জন্য এখনই প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ ও সচেতনতা।
১ দিন ১৬ ঘন্টা ৫৮ মিনিট আগে
১ দিন ২১ ঘন্টা ৫০ মিনিট আগে
২ দিন ১ ঘন্টা ৩ মিনিট আগে
৪ দিন ১৮ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আগে
৭ দিন ১৫ ঘন্টা ৫৩ মিনিট আগে
৭ দিন ১৮ ঘন্টা ১৫ মিনিট আগে
১০ দিন ২০ ঘন্টা ৩৫ মিনিট আগে
১৩ দিন ২১ ঘন্টা ৪৭ মিনিট আগে