কুতুবদিয়ায় দুই শিশুর মৃত্যু সৌদি আরবের আগেই ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করল দুই দেশ এক সপ্তাহ বন্ধ থাকবে দেশের সব আদালত শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ অভিযান উদ্বোধন পদত্যাগ করছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ইরান যুদ্ধে ইরাকের তেল-বাণিজ্যে ধস গোয়ালন্দে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে পোস্টারিং ও নৌ-মিছিল।। এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ‎সুন্দরবনে ফের অস্ত্রসহ দুই দস্যু গ্রেফতার, চার জেলে উদ্ধার ১ জুলাই থেকেই নতুন পে-স্কেল কার্যকর! অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট ২১ জেলার মানুষের দাবিতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর আহ্বান জাবিপ্রবির নবনিযুক্ত উপাচার্যের যোগদান অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট রায়পুরে ঘাট দখল নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ,আহত ৭ জন নেপালে ইতিহাস গড়লেন বানিয়াচংয়ের আমির উদ্দিন সাতক্ষীরায় ৫৬ ইউনিয়ন ভূমি অফিস সক্রিয় পীরগাছায় বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কর্মী সম্মেলন সাতক্ষীরায় স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রী হত্যার মামলা প্রস্তুতি বকশীগঞ্জে কম মূল্যে 'পৌরস্ট্যান্ড' ইজারা : মারধরের ঘটনায় থানায় অভিযোগ লাখাইয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে অনলাইন জুয়ারী গ্রেফতার-০৩।

সড়ক বিভাগের বিরুদ্ধে ভূমির মালিকদের ক্ষোভ

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের দোহাজারী অংশে সড়ক বিভাগের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অসহযোগিতা ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক বিভাগের আওতাধীন এ এলাকায় ভূমির মালিকরা দীর্ঘদিন ধরে নানা জটিলতার মধ্যে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন।

ভুক্তভোগী একাধিক ভূমির মালিক জানান, মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীত করার সময় তাদের জমি অধিগ্রহণ করে স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয় এবং সরকারিভাবে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়েছিল। পরবর্তীতে অবশিষ্ট জমিতে তারা পুনরায় স্থাপনা নির্মাণ করেন। একই সময়ে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ড্রেন/নালা নির্মাণ এবং পিডিবি বিদ্যুৎ খুঁটি স্থাপন করে।

তবে সম্প্রতি মহাসড়কটি ছয় লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা গ্রহণের পর নতুন করে জটিলতা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রভাবশালী একটি মহল সংশ্লিষ্ট সার্ভেয়ার ও কিছু কর্মকর্তাকে প্রভাবিত করে দিনের বেলায়ই নতুন স্থাপনা নির্মাণ করছে। অন্যদিকে সাধারণ ভূমির মালিকরা কোনো কাজ করতে গেলেই বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন।

ভূমির মালিকদের অভিযোগ, এখনো নির্ধারণ করা হয়নি সরকার ঠিক কতটুকু জমি অধিগ্রহণ করবে। ফলে তারা চরম অনিশ্চয়তায় রয়েছেন। জমির সীমানা নির্ধারণের জন্য বারবার সড়ক বিভাগে ধর্ণা দিতে হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী সার্ভে পরিমাপের জন্য সরকারি কোষাগারে ২০ হাজার টাকা ফি জমা দেওয়ার পরও সঠিক পরিমাপ বুঝে পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, কিছু অসাধু কর্মকর্তা মহাসড়কের সরকারি জায়গা বছর মেয়াদি লিজ দিয়ে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করছেন। এ কারণে প্রকৃত মালিকরা তাদের জমির সঠিক অবস্থান বুঝে না পাওয়ায় আর্থিক সংকটে পড়ছেন। অনেকেই ব্যাংকে জমাকৃত অর্থ উত্তোলন করতে না পেরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলেও জানা গেছে।

এদিকে মহাসড়কের আশপাশে বাস্তবায়িত বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পও ক্ষতির মুখে পড়েছে। পৌরসভার নির্মিত নালাগুলো বর্তমানে সড়কের অংশে পরিণত হয়েছে। পিডিবির স্থাপিত বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণ ও পুনঃস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দও আটকে আছে।

এ বিষয়ে দ্রুত সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করে ভোগান্তি দূর করা এবং সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

Tag
আরও খবর