মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার পদ্মার তীরবর্তী বন্দরখোলা, মাদবরেরচর, চরজানাজাত ও কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে মা ইলিশ। এর মধ্যে বন্দরখোলা ইউনিয়নের কাজিরসূরা বাজারে সবচেয়ে বেশি ক্রেতার সমাগম দেখা গেছে। উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে দূর-দূরান্ত থেকেও মানুষ সেখানে ছুটে আসছেন মা ইলিশ কিনতে।
এক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘জেলেরা মাছ ধরে, আমরা কিনি। আগে তাদের ধরা বন্ধ করতে হবে। তাহলে তো আর কেউ কিনতে আসবে না।’
আরেক ক্রেতা জানান, ‘শুনেছিলাম এখানে মাছের দাম কম, কিন্তু এসে দেখি উল্টো চিত্র। দাম এত বেশি যে মাছ কেনার ইচ্ছেটাই চলে গেছে।’
অন্যদিকে, জেলেরা বলছেন জীবিকার তাগিদে তারা বাধ্য হয়েই মাছ ধরছেন। এক জেলে বলেন, ‘নদীতেই আমাদের সম্পদ। জাল বেয়ে খাই, সংসার চালাতে কষ্ট হয়, তার মধ্যে ঋণ করে জাল বানিয়েছি। না ধরলে খামু কী?’
স্থানীয়দের দাবি, কাজিরসূরা বাজারে সার্বক্ষণিক পুলিশ বা সেনাবাহিনীর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। তারা বলছেন, নিয়মিত টহল ও বিশেষ টিম গঠন করা হলে অবৈধ মাছ বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হবে।
মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত অভিযান চালিয়ে জেলে আটক ও জাল জব্দ করা হচ্ছে। প্রতিদিনই লাখ লাখ মিটার কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হচ্ছে।
শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এইচ এম ইবনে মিজান বলেন, ‘আমরা নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছি। তবে পদ্মাপাড়ের বাজারগুলোতে শিগগিরই বড় ধরনের অভিযান হবে। এ নিয়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। লোকবল কম থাকায় মাঝে মাঝে হামলার শিকার হতে হয়। তবু হাটগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
১৩ দিন ৩ ঘন্টা ৫২ মিনিট আগে
৪৮ দিন ৬ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আগে
৫৫ দিন ১০ ঘন্টা ৯ মিনিট আগে
৮০ দিন ৯ ঘন্টা ৫৯ মিনিট আগে
১০৫ দিন ১ ঘন্টা ২৮ মিনিট আগে
১০৫ দিন ২১ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে
১০৫ দিন ২৩ ঘন্টা ৬ মিনিট আগে