আমি ধরে রাখতে চেয়েছিলাম তাকে, ভীষণ ভাবে ধরে রাখার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু সে থাকার জন্য একবারও চেষ্টা -ই করলো না, আমি যতবার থেকে যাওয়ার চেষ্টা করেছি, ধরে রাখার চেষ্টা করেছি, ততবার তার উ'পে'ক্ষা'র স্বী'কার হয়েছি, তু'চ্ছ'তা'চ্ছি'ল্যে'র স্বী'কার হয়েছি। 'মান- সম্মান কিছুই কি নেই তোমার?' দিনের পর দিন শুনেছি;
অতঃপর আমি উপলব্ধি করলাম, আমি যতবার থেকে যাওয়ার চেষ্টা করেছি, ধরে রাখার চেষ্টা করেছি, সম্পর্কটা টেকাতে চেয়েছি, ততবার তার দৃষ্টিতে হেং'লা হয়েছি, বে'হা'ই'য়া হয়েছি, ব্যক্তিত্বহীন হয়েছি;
জীবনে সবার সাথে থাকা গেলেও ব্যক্তিত্বহীন, হেং'লা,
বে'হা'ই'য়া মানুষ গুলোর সাথে আসলেই কখনো থাকা যায় না, তাই তো সে আমার সাথে থাকতে পারলো না, কারণ! আমরা যে নিজের থেকে অনেক বেশি গুরুত্ব প্রিয় মানুষটিকে দিয়ে দেই, নিজের থেকে অনেকটা বেশি ভালো প্রিয় মানুষটিকে বাসি, নিজের থেকে অনেক বেশি মূল্যায়ন প্রিয় মানুষটাকে করি, তাই! আমাদের ভাগ্যে অ'ব'হে'লা, উ'পে'ক্ষা, তু'চ্ছ'তা'চ্ছি'ল্য ছাড়া কিছুই জোটে না;
কথাতেই তো আছে-- অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালো নয়, না অতিরিক্ত ভালো হওয়া ভালো, না অতিরিক্ত খা'রা'প হওয়া ভালো;
মনে রাখবেন! এক হাতে যেমন তালি বাজে না,
ঠিক তেমন এক তরফা কিছুই হয় না, তাই কারো থেকে যেতে হলে, কারো রেখে দিতে হয়, কেউ ধরে রাখতে চাইলে, কারো বাঁধা থাকার ইচ্ছের প্রয়োজন হয়,
আর হ্যাঁ! যদি দেখেন এই সব দিক গুলোতে এক পক্ষ সক্রিয় ও অন্যপক্ষ নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করছে, তখন নিঃসন্দেহে বুঝে নিবেন এখানে ধরে রাখা, বেঁধে রাখা কিংবা থেকে যাওয়া! কোনোটাই সম্ভব নয়, সবটাই যেন তাসের ঘরের মতো অবস্থা, তাই না আগলে রাখার চেষ্টা করাই উত্তম, ভালোবাসলে মুক্ত করে দিতে হয়, তাই আজ থেকে আমিও তোমাকে মুক্ত করেই দিলাম।
লেখক: প্রণব মন্ডল, কবি এবং কলামিস্ট।
২৫ দিন ২২ ঘন্টা ৪৭ মিনিট আগে
২৭ দিন ১৯ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে
২৯ দিন ১৯ ঘন্টা ৪২ মিনিট আগে
২৯ দিন ১৯ ঘন্টা ৪৩ মিনিট আগে
৩২ দিন ১৮ ঘন্টা ১০ মিনিট আগে
৩৭ দিন ২০ ঘন্টা ২২ মিনিট আগে
৪৪ দিন ২১ ঘন্টা ৩২ মিনিট আগে
৬০ দিন ৫ ঘন্টা ০ মিনিট আগে