প্রকাশের সময়: 23-10-2023 07:02:36 am
রাজধানীর পুরান ঢাকার নিজস্ব ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি রয়েছে। কালের বিবর্তনে রাজনৈতিকসহ বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন গোষ্ঠীর ভাষা হারিয়ে যাচ্ছে। পুরান ঢাকায় অপরিকল্পিত উন্নয়ন হচ্ছে। অপরিকল্পিত উন্নয়নে দুর্ঘটনার উদ্বেগ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির ঐতিহ্য জাদুঘরের পঞ্চম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে, রোববার (২২ অক্টোবর) এসব কথা বলেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হাফিজা খাতুন।
উক্ত অনুষ্ঠানে তিনি ‘পুরান ঢাকার সমাজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য: বিবর্তনের আলেখ্য’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। প্রবন্ধের সহলেখক ছিলেন গবেষক বিবি হাবিবা শম্পা।
প্রবন্ধে পাবিপ্রবি উপাচার্য উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের প্রথম পদচারী–সেতু ব্রিটিশ আমলে তৈরি হয়েছিল পুরান ঢাকার বাংলা বাজার মোড়ে। ফুল বিক্রিসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসার প্রচলন হয় পুরান ঢাকায়। বিয়েতে কনের বাবাকে সাহায্য করতে স্বজনেরা মেয়ের ঘর সাজিয়ে দিতেন। হলুদের অনুষ্ঠানে নারীরা ঢোল বাজিয়ে গানবাজনা করতেন। মহিষের শিঙের তৈরি জিনিস ‘কাঙ্গী সাজ’ বিয়েতে উপহার দেওয়া হতো। ঈদ, পূজা উদ্যাপনের পাশাপাশি পুঁথি, কিচ্ছাপাঠ, বিয়ের গান, ছাদ পেটানোর গান, নৌকাবাইচ, শাকরাইন উৎসব, মেলা, যাত্রাপালা, চড়কপূজাসহ বিভিন্ন আয়োজন ছিল।
প্রবন্ধনে তিনি আরো উল্লেখ করেন, লালবাগের মোমিন মোটর কোম্পানি ঢাকায় প্রথম পাবলিক বাস সার্ভিস চালু করে। ক্রাউন থিয়েটারে ১৮৯৮ সালে প্রথম বায়োস্কোপ দেখানো হয়। খেলাধুলায় ফরাশগঞ্জ ও লালবাগ স্পোর্টিং ক্লাবগুলোর অবদান ছিল অনেক। বাকরখানিসহ বিভিন্ন খাবার পুরান ঢাকার নিজস্ব ঐতিহ্য।
অনুষ্ঠানে এশিয়াটিক সোসাইটির প্রেসিডেন্ট ইমেরিটাস অধ্যাপক খন্দকার বজলুল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম।
প্রতিমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, এশিয়াটিক সোসাইটি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় ঐতিহ্য জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই জাদুঘরে যাঁরা বিভিন্ন নিদর্শন দান করেছেন, তাঁরা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। এশিয়াটিক সোসাইটির জন্য সরকারের বিভিন্ন সহায়তা অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এশিয়াটিক সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান। অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলমসহ অন্যান্য অতিথি জাদুঘরটি ঘুরে দেখেন।
১৬ দিন ২২ ঘন্টা ২০ মিনিট আগে
২১ দিন ১৮ ঘন্টা ২ মিনিট আগে
২৪ দিন ১৩ ঘন্টা ৪৩ মিনিট আগে
৩৬ দিন ২২ ঘন্টা ৬ মিনিট আগে
৪১ দিন ২০ ঘন্টা ১৫ মিনিট আগে
৭০ দিন ৬ ঘন্টা ২৯ মিনিট আগে
১২৪ দিন ৩ মিনিট আগে
১৩১ দিন ২২ ঘন্টা ৫৫ মিনিট আগে