রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) দ্রুততম মানব ও মানবী হয়েছেন যথাক্রমে মো: শামিউল হাসান ও নিশাত তাবাচ্ছুম।
মো: শামিউল হাসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ও নিশাত তাবাচ্ছুম বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
গতকাল মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর)সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ কামাল স্টেডিয়ামে অন্ত:বিভাগ এ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়, উক্ত প্রতিযোগিতায় ১০০ মিটার স্প্রিন্ট শেষে নারী ও পুরুষের মধ্যে তারা উভয় দ্রুততম মানব ও মানবীর স্থান অর্জন করে।
প্রতি বছর এ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতায় ১০০ মিটার স্প্রিন্ট এর মাধ্যমে দ্রুততম মানব ও মানবী ঘোষণা করা হয়।
এ অর্জনের বিষয়ে দ্রুততম মানবী নিশাত তাবাচ্ছুমের সাথে কথা বললে তিনি জানান, ছোট বেলা থেকেই খেলাধুলার প্রতি আমার ছিল প্রবল আগ্রহ, আমি প্রাথমিক স্কুলে পড়ার সময় থেকেই স্কুলের বিভিন্ন খেলার ইভেন্টে অংশগ্রহণ করতাম এবং ভালো ফলাফল করতাম, একজন মেয়ে হওয়া সত্বেও আমি নানান বাধা পেরিয়ে আমার ক্রীড়া চর্চা অব্যাহত রাখি, স্নাতক পর্যায়ে এসেও আমি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগে পড়ার সুযোগ পাই, এ সময় ক্রীড়া নিয়ে উচ্চ শিক্ষা ও ক্রীড়ার প্রতি আরো মনোযোগী হই। নিয়মিত প্র্যাকটিস ও কঠোর পরিশ্রম আমার প্রাপ্তির প্রধান কারণ, অবশ্য মনোবল আমাকে আরো সাহায্য করেছে সফলতার পেছনে। আর বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে হয়তো এটিই আমার শেষ ইভেন্ট! আর আমি আমার এই শেষ ইভেন্টকে স্মরণীয় রাখতে চেষ্টা করেছি।
দ্রুততম মানব মো: শামিউল হাসান বলেন, আমি প্রথম ফুটবলার ছিলাম, রাবিতে ভর্তি হয়ে পার্থ প্রতিম মল্লিক স্যার সাথে দেখা করলে তিনি আমাকে বলেন, তুমিতো অনেক ভালো ফুটবল খেলে তোমার কোনো অর্জন আছে? আমি বললাম নাই স্যার। স্যার বললেন তুমি এ্যাথলেটিক্স খেললে ভালো করবে। ১ম বর্ষ ভর্তি হয়ে এ্যাথলেটিক্স প্র্যাকটিস করতে শুরু করলাম শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা সকাল ৬:৩০ প্র্যাকটিসের সময়। কঠোর পরিশ্রম সাধনা করে ছিলাম, যখন আমার বন্ধুরা গান আড্ডা দিতো বিকালে তখন আমি স্টেডিয়াম। আসলে পরিশ্রম ছাড়া কোন কিছু সাধনা করা যায় না।
উল্লেখ্য, অন্ত:বিভাগ এ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগ। একটি বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ পদক প্রাপ্ত এ্যাথলেটদের সংখ্যা হিসেব করে বিজয়ী নির্বাচন করা হয়। সে বিবেচনায় চ্যাম্পিয়ন হয় উক্ত বিভাগ।
৩৩ দিন ১৯ ঘন্টা ২৬ মিনিট আগে
৩৫ দিন ২৩ ঘন্টা ৫৮ মিনিট আগে
৪৯ দিন ১৬ ঘন্টা ৫৯ মিনিট আগে
৫২ দিন ৬ ঘন্টা ৫৫ মিনিট আগে
৫৯ দিন ৩ ঘন্টা ৫০ মিনিট আগে
৬০ দিন ১৩ ঘন্টা ৪৬ মিনিট আগে
৬২ দিন ৪ ঘন্টা ৪ মিনিট আগে
১১১ দিন ২ ঘন্টা ৪২ মিনিট আগে