রাতভর ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন, দিনে হিমেল বাতাসে কনকনে ঠাণ্ডায় যশোরের অভয়নগরে শীত যেন জেঁকে বসেছে।
বুধবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর গড়িয়ে বিকেল পার হয়ে গেলেও কুয়াশার কারণে যশোরের অভয়নগরে মেলেনি সূর্যের দেখা।
প্রচণ্ড কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ার জন্য ব্যাপক দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ, ছিন্নমূল-দারিদ্র-অসহায়রা। বুধবার সকাল ৬টায় যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তীব্র শীতে নাকাল হয়ে পড়েছে উপজেলার বিভিন্ন পেশার খেটে খাওয়া মানুষ। বিশেষ করে মাঠ ঘাট প্রান্তরে খোলা আকাশের নিচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পানিতে, কাদাই যেমন বীজতলা ধানক্ষেতে, জমি চাষে ঠান্ডা পানিতে শীতে কাতর হয়ে পড়ছেন কৃষকেরা।
তবে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে নিম্ন আয়ের রিকশা-ভ্যান, অটোরিকশা, সিএনজির চালকরা কনকনে ঠাণ্ডা উপেক্ষা করে কাজ-কর্ম করছেন। অন্যদিনের তুলনায় তাদের আয় কম।
কেননা, প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। রাস্তায় মানুষের উপস্থিত একেবারেই কম। বছরের শুরুতেই স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও অপ্রতুল। প্রচণ্ড কুয়াশার কারণে বাস-ট্রেনসহ অন্যান্য যানবাহন চলছে হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরেধীরে। এসব বাহনে মানুষের উপস্থিতিও অনেক কম।
ষাটোর্ধ্ব উপজেলার পাথলিয়া গ্রামের হাফিজুর রহমান বীজতলায় মাঠে বীজ তোলার সময় শীতে কাতর হয়ে কাঁপছেন, হাতে বল পাচ্ছেন না,অসাড় হয়ে গেছে ঠান্ডা পানিতে হাতের আঙ্গুলগুলো। কৃষককে মাঠ থেকে উঠে এসে আগুনে তাপ দিয়ে হাত গরম করতে দেখা যায়।
এদিকে স্কুলগামী শিশুদের জন্য খুবই কষ্টকর হয়ে গেছে সকালে চলাচলের
এমন পরিস্থিতিতে দেশের যেসব অঞ্চলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামবে, সেসব অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) অধিদপ্তর দুটি পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দিয়েছে। আকাশে একদিন দেখা মেলার পর ফের মুখ লুকিয়েছে সূর্য। তাই জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে এসেছে।
২ ঘন্টা ২০ মিনিট আগে
১ দিন ২ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে
৩ দিন ৫৩ মিনিট আগে
৪ দিন ৫৭ মিনিট আগে
৫ দিন ১ ঘন্টা ১০ মিনিট আগে
১৪ দিন ৬ ঘন্টা ৩৬ মিনিট আগে
২৫ দিন ১ ঘন্টা ৫৭ মিনিট আগে
২৭ দিন ১০ ঘন্টা ২৫ মিনিট আগে