আশাশুনি উপজেলা কুল্যা ইউনিয়নের গুনারকাটিতে ৫ম শ্রেণির এক ছাত্রী ধর্ষনের শিকার হয়েছে। ধর্ষিতাকে সাতক্ষীরা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থান পরিদর্শন করেছে। মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) রাতে গুনাকরকাটি পীর কেবলার বাড়ির পাশে এ ঘটনা ঘটে।
ধর্ষিতার পারিবারিক সূত্রে জানাগেছে, ইউনিয়নের হামকুড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির ছাত্রী ইতি (ছদ্মনাম) গুনাকরকাটি খানকায়ে আজিজীয়ায় বার্ষিক ওরশে যোগদিনে মায়ের নানার বাড়িতে গিয়েছিল। মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) রাত ৮ টার দিকে মেয়েটি ওরশে ঘোরাফেরা করার সময় লম্পট ধর্ষক তাকে ফুসলিয়ে পাশের বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করে। রক্তাক্ত ও খুবই নাজুক অবস্থায় মেয়েটি রাত্র ২ টার দিকে ওরশ থেকে পাশের গ্রামের দু’জন মহিলা বাড়ি ফেরার পথে ধর্ষিতাকে কাতরাতে কাতরাতে বাগান থেকে রাস্তায় আসতে দেখে তার সাথে কথা বলে তাকে কোল পাজা করে পীর সাহেবের বাড়ির পাশে তার মায়ের মামার বাড়িতে নিয়ে যায়। এরপর দ্রুত তাকে এ্যাম্বুলেন্সযোগে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে রাত্র ৩ টার দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। বুধবার (১৫ মার্চ) অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাকে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত প্রচুর রক্তক্ষরণ জনিত কারনে ধর্ষিতার শরীরে রক্ত দেওয়া অব্যহত ছিল। পরিবারের সদস্যরা জানান, একজন আধা বয়সী মুখে খোচা খোচা দাড়ি ওয়ালা ব্যক্তি তাকে পান ও কোক খাওয়ায়ে ফুসলিয়ে নিয়ে ধর্ষন করে। দ্রুত যথাযথ তদন্ত করে ধর্ষককে গ্রেফতার করার জন্য পরিবার ও এলাকার মানুষ জোর দাবী জানিয়েছেন।
আশাশুনি থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম ও বুধহাটা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই সিয়াব হোসেন ঘটনাস্থান পরিদর্শন করেছেন। ধর্ষককে গ্রেফতারে জোর প্রচেষ্টা চলছে এবং থানায় মামালা দায়েরের জন্য তাদেরকে থানায় আসতে বলা হয়েছে বলে তারা জানান।