রংপুর কারমাইকেল কলেজে নজরুল বর্ষ উদযাপন জয়পুরহাটের রায়কালীতে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন কাজী নাজমুছ সাদাত এডাব-নোয়াখালীতে ৩ দিনব্যাপী আর্থিক ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণের উদ্বোধন শ্রীমঙ্গলে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস উপলক্ষে র‍্যালি-মানববন্ধন বালিয়াডাঙ্গীতে মিড ডে মিলের দুধ পানে ৫০ শিক্ষার্থী অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি সাতক্ষীরায় শ্যামনগরে এমপি গাজী নজরুলের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত ঈশ্বরগঞ্জে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস পালিত ‎রামপালে ২০ কেজি গাঁজাসহ প্রাইভেটকার জব্দ, দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার হাফিজার সভাপতি, হাসান সম্পাদক ও মতি সাংগঠনিক সম্পাদক, আদমদীঘি প্রেসক্লাবের নয়া কমিটি গঠন গৃহবধু হত্যা মামলায় জয়পুরহাটে দু'জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড যশোরে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি ও কৃষিতে অনিয়মের প্রতিবাদে স্মারকলিপি পেশ মিরসরাইয়ে মাদকবিরোধী গণমিছিল ও সমাবেশ জোরারগঞ্জে অপূর্ব জুয়েলার্সের উদ্বোধন কর-জিডিপি অনুপাত ১৫ শতাংশে উন্নীত করতে এনবিআরের নতুন পরিকল্পনা দৈনিক খবর পত্রের বড়লেখা প্রতিনিধি খলিলুর রহমান এর পিতার ২২ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে রায়পুরে প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী স্কুল এন্ড কলেজের শ্রেষ্ঠত্ব বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী ইয়েমেনে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে তীব্র সংঘর্ষ, ৮০ হুথি যোদ্ধা নিহত চোর সন্দেহে মহেশখালীর ফয়সাল হত্যার ঘটনায় কঠোর তদন্ত ও আইনের শাসনের দাবি

সিনেমা থেকে রাজনীতি: বন্দবিলার ইউপি চেয়ারম্যান সবদুল হোসেন খানের ব্যতিক্রমী পথচলা

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার বন্দবিলা ইউনিয়নের পাঠান পাইকপাড়া গ্রামের সন্তান সবদুল হোসেন খান। জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ও বন্দবিলা ইউপির টানা দুইবারের নির্বাচিত এই চেয়ারম্যানের জীবন যেন এক নাটকীয় সিনেমার গল্প।

প্রয়াত আব্দুল কাদের খানের পাঁচ সন্তানের মধ্যে সেজ সন্তান সবদুল হোসেন খানের রাজনীতিতে হাতেখড়ি নব্বইয়ের দশকে। তৎকালীন যশোর সরকারি এমএম কলেজে পড়াকালীন সময় থেকেই তিনি জড়িয়ে পড়েন বামধারার ছাত্র রাজনীতিতে। পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালে ঢাকায় স্নাতক অধ্যয়নকালে তাঁর জীবনে আসে এক নতুন মোড়।

তৎকালীন বাঙলা সিনেমার সোনালী সময়ে ‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড’ নামের একটি চলচ্চিত্রে মূল চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পান তিনি। মাথাভর্তি ঝাঁকড়া চুল আর ঢিলেঢালা পোশাকে তারুণ্যে উদ্ভাসিত সবদুলকে নিয়ে সে সময় নিজ এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হলেও নানা জটিলতায় শেষ পর্যন্ত সিনেমাটি আর আলোর মুখ দেখেনি।

সিনেমার রুপালী জগতের রঙিন স্বপ্ন পেছনে ফেলে ২০০৩ সালে নিজ এলাকায় ফিরে আসেন সবদুল। এরপর পুরোদমে মনোনিবেশ করেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনীতি ও জনসেবায়। তবে তাঁর জনপ্রতিনিধি হওয়ার পথটি মোটেও মসৃণ ছিল না। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান পদে পর পর দুইবার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হলেও তিনি দমে যাননি।

অবশেষে ২০১৬ সালের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আসে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য। পাঁচবারের সাবেক চেয়ারম্যানকে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো বন্দবিলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন সবদুল হোসেন খান। পরবর্তীতে ২০২১ সালের ইউপি নির্বাচনেও নিজ দল ওয়ার্কার্স পার্টির ‘হাতুড়ি’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীকে পরাজিত করে টানা দ্বিতীয়বারের মতো চেয়ারম্যান হিসেবে নিজের অবস্থান শক্ত করেন।

চিত্রনায়ক হওয়ার অপূর্ণ স্বপ্ন থেকে শুরু করে রাজপথের ঘাত-প্রতিঘাত পার করে সফল জনপ্রতিনিধি হয়ে ওঠার এই দীর্ঘ পথচলা বন্দবিলার স্থানীয় রাজনীতিতে এক অনন্য ও ব্যতিক্রমী অধ্যায় হয়ে রয়েছে। টানা দু'বারের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও জয়লাভ করে হ্যাটট্রিক করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।


আরও খবর