নাগেশ্বরীতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ২ বাস কাউন্টারে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ডোমারে 'সবার পাঠশালা'-এর শিক্ষা সম্মেলন অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের চাকুরী জাতীয়করণের দাবীতে সংলাপ অনুষ্ঠিত নাগেশ্বরীতে পরিবার পরিকল্পনা অফিসের সেবা বন্ধ নেই ঈদেও ড. ইউনূসকে যা বললেন মোদি নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্র দেখতে চায় ভারত ডোমারে সাংবাদিক নির্যাতন, গ্রেপ্তার-১ ঝিনাইদহে কবরস্থানে বসবাস করছে অসহায় পরিবার, সাহায্যের আহ্বান বাবা-মায়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন, জানল না শিশু আরাধ্য সবার পাঠশালার শীর্ষ নেতৃত্বে সিহাব-প্রাণহরি মোংলা বন্দরে নতুন আরেকটি অর্থনৈতিক অঞ্চল করতে আগ্রহী চীন হাসিনাকে ফেরত চাইল বাংলাদেশ মধুপুরে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিউটি পার্লারের নামে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন শ্রীমঙ্গলে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক এবং বর্তমান জনশক্তিদের নিয়ে ঈদ পুণর্মিলনী পূর্ব সোনার পাড়া আদর্শ সামাজিক সংঘ এর আলোচনা সভা ও ঈদ পূণর্মিলনী সম্পন্ন। শার্শার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিএনপি নেতৃবৃন্দের ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় কুলিয়ারচরে ফরিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয় উদ্ভোধন কুলিয়ারচরে স্মারক জয়ন্তী ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত ঈদের ছুটিতে ঝিনাইগাতীর গজনী অবকাশ পর্যটন কেন্দ্রে দর্শনার্থীদের আগমন জমজমাট লালপুরে স্ত্রী সন্তানের ওপর রাগ করে নিজের বাড়িতে আগুন

বাসা-বাড়িসহ গত একবছরে ৫১টি অগ্নিকাণ্ড

চকরিয়া পৌরশহরে অবস্থিত অধিকাংশ মার্কেট গুলো অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকিতে রয়েছে । ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, অতি ঝুঁকিপূর্ণ এসব মার্কেটে পানির প্রাকৃতিক উৎস একেবারে কম,আগুন নেভানোর আধুনিক যন্ত্রপাতির সংযোজনও নগণ্য । মার্কেটগুলোতে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপক (ফায়ার এক্সটিংগুইশার) নেই। এ কারণে যেকোনো সময় আগুনে ধরে হতে পারে ব্যাপক প্রাণহানি। ফায়ার সার্ভিসের চকরিয়ার স্টেশন ইনচার্জ সেলিম উদ্দিন বলেন, আমরা নিয়মিত বলে আসছি জীবন ও সম্পদ রক্ষায় যথাযথ অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা থাকা উচিত ।


এছাড়া তালিকায় থাকা অধিকাংশ মার্কেট ও বাজারের গলি সরু। পানিও পাওয়া যায় না। ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় এসব এলাকায় যন্ত্রপাতি নিয়ে দ্রুত পৌঁছানোও কঠিন। আমরা ব্যবসায়ীদের প্রায় সময়ই সচেতন করি। কিন্তু সচেতন হন না। কেউ হাজার টাকা দিয়ে একটি অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রও কেনেন না।


তার ওপর তারা অগ্নিনির্বাপণ আইন মতে, ফায়ার এক্সটিংগুইশার রাখেন না। একটি মার্কেটে যদি ১০০টি দোকানের মধ্যে ৩০ জনের কাছে ৫ কেজি ওজনের ফায়ার এক্সটিংগুইশার থাকে, তাহলেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।


সরেজমিনে দেখা যায়, মার্কেটের সাথে লাগোয়া বিদ্যুৎ লাইন, ইন্টারনেট লাইন এবং টেলিফোনের লাইন রয়েছে এলোমেলোভাবে। দুর্ঘটনা ঘটলে অনেক মানুষের প্রাণহানি ঘটবে তা নিশ্চিত। ফায়ার সার্ভিস থেকে তাদের বারবার সতর্ক করে দিচ্ছে । কিছু স্থানে আগুন নেভানোর জন্য গাড়ি নিয়ে প্রবেশ করাও সম্ভব না।


ফায়ার সার্ভিস সূত্রে আরো জানা যায়, গত ২০২৩সালে চকরিয়া উপজেলায় ৫১টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সংঘটিত হয়েছে, যার মধ্যে ৩টি মার্কেটে। অবশিষ্ট অগ্নিকান্ডগুলো আবাসিক ভবন, দোকান, ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।


নগর পরিকল্পনাবিদ নোমান বলেন,প্রতিটি মার্কেট ও ভবনে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা থাকা অত্যন্ত জরুরি। কোনো মার্কেটে আগুন লাগলে তা নির্বাপণ করার ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। অনেক সময় বিল্ডিং কোড অনুসরণ না করে ভবন তৈরির কারণে ঘনঘন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সংঘটিত হয়।


স্থানীয়দের অভিমত, ভবন নির্মাণের অনুমতি দেয়ার সময় বিল্ডিং কোড অনুযায়ী সঠিক তদারকি হয় না, হলেও পরবর্তী আর মনিটরিং না থাকার কারণে এসব অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সংঘটিত হচ্ছে।


চকরিয়া ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রেজাউল হক সাওদাগর বলেন, আমরা এ ব্যাপারে মার্কেট মালিকদের সঙ্গে কথা বলেছি। ফায়ার সার্ভিসের অফিসাররাও এসে বলে গেছেন। কিছু মার্কেটে অগ্নিনির্বাপক সরঞ্জাম রাখলেও বেশিরভাগ মার্কেটে রাখছেনা । যাদের নাই তাদেরকে রাখার জন্য তাগিদ দেয়া হচ্ছে।


এই ব্যাপারে বক্তব্যের জন্য রবিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় চকরিয়া পৌরসভা প্রকৌশলীর কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে গেলে প্রকৌশলীর সব কক্ষ তালাবদ্ধ দেখা যায়।

Tag
আরও খবর


চকরিয়ায় ৪০ বস্তা সার জব্দ

১১২ দিন ১০ ঘন্টা ৪৮ মিনিট আগে