চকরিয়া পৌর-শহরের সোসাইটি বায়তুল মাওয়া শাহী মসজিদের কমিটি নিয়ে ফের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় হামলায় গুরুতর আহত হয় মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি নাছির উদ্দীনের ভাই মো: মহিউদ্দীনসহ আরো ৪ জন।
শুক্রবার বেলা ২টার দিকে চিরিংগা ৪নং ওয়ার্ড হাসপাতাল সড়ক সংলগ্ন সোসাইটি বায়তুল মাওয়া শাহী মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে সোসাইটি বায়তুল মাওয়া শাহী মসজিদের মসজিদ পরিচালনার পূর্বের কমিটির সভাপতি নাছির উদ্দীন ও সাধারণ সম্পাদক লায়ন মোহাম্মদ আলমগীরের কমিটিকে হাইকোর্ট বৈধ কমিটি হিসাবে বহাল রেখেছে বলে জানা গেছে এবং নতুন ঘোষিত কমিটির কার্যক্রম স্থগিত করেছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় -শুক্রবার-বর্তমান কমিটির নেতৃবৃন্দরা জুমার নামাজ আদায় করতে যায়।কিন্তু আগে থেকেই নতুন ঘোষিত কমিটির লোকজন সঙ্গবদ্ধ ভাবে মসজিদের আশপাশে অবস্থান নেন।পরে জুমার নামাজ শেষে মসজিদের ভিতরে হট্টগোল সৃষ্টি হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে উভয় কমিটির দুই সভাপতি দাঁড়িয়ে সবাইকে শান্ত করার চেষ্টা করেন।এ সময় দুই সভাপতি দাবিদার মুসল্লীদের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখতে গিয়ে শান্তি পূর্ণভাবে সবাইকে মসজিদের বাকি নামাজ আদায় করে স্থান ত্যাগ করার পরামর্শ দেন ।এ
অবস্থায় তৃতীয় পক্ষ পৌরসভার সাবেক মেয়র নুরুল ইসলাম হায়দারের আত্মীয় স্বজনরা বর্তমান সভাপতি নাছির উদ্দীনের বাড়ির সীমানা বিরোধের জের ধরে মসজিদের ভিতরে হট্টগোল সৃষ্টি করে সাধারণ মুসল্লীদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।
বিভিন্ন জনের ধারনকৃত হাতে আসা ভিডিও ফুটেছে দেখা যায়, বিরোধীয় দুই কমিটির সভাপতিকে পাশাপাশি মিলেমিশে আগত মুসল্লিদেরকে শান্ত করার চেষ্টা করে। পরবর্তীতে উত্তেজিত উভয় গ্রুপকে পুলিশ মসজিদ থেকে বের করে দেয়।পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।
সূত্রে জানা যায়, মসজিদের ভিতরে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে সভাপতি নাছির উদ্দীনের ছোট ভাই মোঃ মহিউদ্দীনকে মার্কেটের গলিতে একা পেয়ে সাবেক মেয়র নুরুল ইসলাম হায়দারের আত্মীয়-স্বজনরা মহিউদ্দীনকে হামলা করে।স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে যায়।কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন আহত মোঃ মহি উদ্দিনের ডান চোখে মারাত্মক আঘাতপ্রাপ্ত হয়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসকের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে প্রেরণ করেন।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলি জানায় মসজিদ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল। পুলিশের উপস্থিতি থাকায় দুই পক্ষের কেউ হামলা করার সাহস পায়নি।জুমার নামাজ পরবর্তী হাতাহাতির এই ঘটনা ঘটে। পরে সবাইকে শান্তিপূর্ণভাবে মসজিদ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।পরবর্তীতে কেউ যদি হামলার শিকার হয় অভিযোগ বা মামলা দায়ের করলে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১ দিন ২ ঘন্টা ৫২ মিনিট আগে
৪৫ দিন ৫ ঘন্টা ৫৬ মিনিট আগে
১১২ দিন ১০ ঘন্টা ৪৪ মিনিট আগে
১৩৬ দিন ১২ ঘন্টা ৪৮ মিনিট আগে
১৪৪ দিন ১৩ ঘন্টা ৪১ মিনিট আগে
১৪৪ দিন ১৩ ঘন্টা ৪৪ মিনিট আগে
১৫৩ দিন ৮ ঘন্টা ১১ মিনিট আগে
১৫৩ দিন ১২ ঘন্টা ৪১ মিনিট আগে