চট্টগ্রামের চন্দনাইশে একটি বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় প্রায় ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার মালামাল লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের মারধর ও আহত করারও অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য
ও দোহাজারী পৌরসভার দেওয়ানহাট এলাকার
আহমদ হোসেন মেম্বারের ছেলে
মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন
জানান, ৩১ আগস্ট
রাত ৩টা ৪০
মিনিট থেকে ৪টা
১৫ মিনিটের মধ্যে
এ ঘটনা ঘটে।
তিনি বলেন,
একদল ডাকাত বাড়ির
দরজা ভেঙে ঘরে
প্রবেশ করে। পরে
পরিবারের সদস্যদের চোখ,
হাত, পা ও
মুখ বেঁধে অস্ত্রের মুখে
জিম্মি করে লুটপাট
চালায়। এ সময় ৬টি ঘরে
থাকা প্রায় ২৫
ভরি স্বর্ণালংকার এবং
৪ থেকে ৬
লাখ টাকা নগদ
লুট করে নিয়ে
যায়। এতে প্রাথমিকভাবে প্রায়
৫০ থেকে ৬০
লাখ টাকার ক্ষতি
হয়েছে বলে দাবি
করেন তিনি।
জয়নাল আবেদীন
আরও জানান, ডাকাতির সময়
বাধা দেওয়ার বা
প্রতিবাদ করার কোনো
সুযোগ ছিল না।
একপর্যায়ে ডাকাতরা তার
স্ত্রীকে লাথি ও
মারধর করে আহত
করে। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরও মারধর
করা হয় বলে
অভিযোগ করেন তিনি।
ঘটনার খবর
পেয়ে স্থানীয় থানা
পুলিশ ও দোহাজারী তদন্ত
কেন্দ্রের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তবে
ডাকাতদের শনাক্ত, গ্রেপ্তার ও
লুট হওয়া মালামাল উদ্ধারে দৃশ্যমান অগ্রগতি না
হওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবার
অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।
পরিবারের পক্ষ
থেকে থানায় লিখিত
অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া
হলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ
থেকে জানানো হয়,
বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে জানাজানি বা
গণমাধ্যমে প্রচার হলে
ডাকাতদের শনাক্ত ও
গ্রেপ্তারের তদন্তে সমস্যা
হতে পারে। এ
কারণে লিখিত অভিযোগ
দাখিলের প্রক্রিয়ায় কিছুটা
সময়ক্ষেপণ হচ্ছে বলে
দাবি পরিবারের।
চন্দনাইশ
থানার পুলিশ
পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ লিটন মিয়া
ঘটনার সত্যতা
স্বীকার করে
জানান, তিনি
ঘটনাটি সম্পর্কে
শুনেছেন।
তবে ঘটনার
বিস্তারিত ও আনুষ্ঠানিক তথ্যের জন্য
দোহাজারী তদন্ত
কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই সাইফুল আলমের
সঙ্গে যোগাযোগ
করার পরামর্শ
দেন।
তিনি জানান,
এসআই সাইফুল
আলম দোহাজারী
এলাকার দায়িত্বে
রয়েছেন।
তবে এসআই
সাইফুল আলমের
সঙ্গে মুঠোফোনে
যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে
পাওয়া যায়নি।
১ দিন ১৭ ঘন্টা ৪৪ মিনিট আগে
৬ দিন ১ ঘন্টা ১০ মিনিট আগে
৬ দিন ১৮ ঘন্টা ২৭ মিনিট আগে
৯ দিন ২০ ঘন্টা ৪৮ মিনিট আগে
১০ দিন ৩ ঘন্টা ২০ মিনিট আগে
১৪ দিন ১৭ ঘন্টা ৫৩ মিনিট আগে
১৫ দিন ৩ ঘন্টা ৫ মিনিট আগে
১৯ দিন ৪ ঘন্টা ২৭ মিনিট আগে