সোহেল পারভেজ, কেশবপুর প্রতিনিধি
যশোরের কেশবপুরে যোদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী রফিকুল ইসলামকে লাঞ্ছিত এবং জীবননাশের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। গত(০২ ডিসেম্বর) শুক্রবার বিকেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের সন্তানদের উদ্যোগে শহীদ দৌলত বিশ্বাস চত্বরে (ত্রিমোহিনী মোড়) ওই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তৃতা করেন, কেশবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যোদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোহাম্মদ আলী, সন্তানদের পক্ষে বক্তৃতা করেন, আইনজীবী মিলন মিত্র, সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মোস্তাফিজুল ইসলাম মুক্ত।
সমাবেশ থেকে ৭দিনের মধ্যে দোষীদের গ্রেপ্তার করা না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা দেন বক্তারা।
লাঞ্ছিত হওয়া যোদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বক্তৃতা কালে বলেন, 'আর কত মার খাব?- স্বাধীনতাবিরোধীদের দ্বারা মার খেয়েছি। এখন তাঁদের সন্তানেরা আমাদের মারছে। আমরা কোথায় যাব? এর বিচারের ভার কেশবপুরবাসীকে দিতে চাই। আলমগীর সিদ্দিকী (যুবলীগ নেতা) আমাকে প্রকাশ্যে অপমান করেছেন। লাঞ্ছিত করতেও কুণ্ঠাবোধ করেননি। হত্যার হুমকিও দিয়েছেন। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মা-বোন তুলে গালিগালাজ করেছেন।
তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, কেশবপুরের যত নিয়োগ-বাণিজ্য হয়, তার অর্থ সংগ্রহ করেন ওই আলমগীর সিদ্দিকী। ৪০ লাখ টাকা দিয়ে তিনি গাড়ি কিনেছেন? এ অর্থ তিনি কোথা থেকে পেয়েছেন, কেশবপুরবাসী তা জানতে চান। সমাবেশে থেকে ৭দিনের মধ্যে আলমগীর সিদ্দিকীসহ দোষীদের গ্রেপ্তার করার দাবি জানানো হয়। অন্যথায় যশোর জেলার মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশ ও বৃহত্তর কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে আলমগীর সিদ্দিকী বলেন, চেয়ারম্যান
রফিকুল ইসলাম পাল্টা ওয়ার্ড কমিটি গঠনের নামে প্রকাশ্য জনসভায় তাঁর নামে আজেবাজে কথা বলেছেন। এ বিষয়ে তিনি জানতে গিয়েছিলেন। তখন চেয়ারম্যান জুতা খুলে তাঁর দিকে তেড়ে আসেন। তিনিও কথার জবাব দিয়েছেন। আমিও শ্রদ্ধা না রেখেই চড়াও হয়ে অনেক কথা বলেছি সত্য। তখন আমার ধৈর্য ছিল না। নিয়োগ-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আলমগীর সিদ্দিকী বলেন, এসব বিষয়ে প্রমাণ দিতে পারলে আমি শাস্তি মাথা পেতে নেব।
গত(০১ডিসেম্বর) বৃহস্পতিবার দুপুরে কেশবপুর উপজেলা পরিষদের কার্যালয় থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে লাঞ্ছিত করেছেন বলে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন যোদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম। অভিযোগে যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও পৌর আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক -আলমগীর সিদ্দিকী, জামাল উদ্দীনসহ ১৫-২০ জন যুবক তাঁকে লাঞ্ছিত করেছেন বলে উল্লেখ করেন।
৬৭১ দিন ৯ ঘন্টা ৩৯ মিনিট আগে
৬৯১ দিন ৫ ঘন্টা ২ মিনিট আগে
৬৯১ দিন ৫ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে
৭২৬ দিন ১৩ ঘন্টা ২১ মিনিট আগে
৭২৮ দিন ৮ ঘন্টা ৩ মিনিট আগে
৭৩০ দিন ১১ ঘন্টা ৩০ মিনিট আগে
৭৩০ দিন ১৮ ঘন্টা ০ মিনিট আগে
৭৩২ দিন ১০ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে