সোহেল পারভেজ, কেশবপুর প্রতিনিধি
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর যশোরের কেশবপুর উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার, গ্রাম ও সড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপিত সোলার লাইট বেশির ভাগ নষ্ট। সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এর অধিকাংশ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে জনগণ।
উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮৯০টি সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়। জনস্বার্থে
রাতের অন্ধকারে নির্বিঘ্নে চলাচল করতে ঐ সব গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়।
সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এর অধিকাংশ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে জনগণ। সন্ধ্যা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাইটগুলো জ্বলে উঠা আবার সকালের আলোতে নিভে যাওয়া যা সাধারণ মানুষের মাঝে হয়ে উঠেছিল নির্বিঘ্নে চলার জন্য একটু সহায়ক। যারফলে ওই সব স্থানে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, মাদকদ্রব্য ও জুয়াড়ীদের আনাগোনা ছিলোনা বললেই চলে। বিভিন্ন হাটবাজার, গ্রাম ও সড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপিত সোলার লাইট বেশির ভাগ নষ্ট থাকার সুবাদে সুযোগ পেয়ে তাদের আনাগোনা এবং দৌরত্ব বেড়ে চলেছে। পুনরায় সংস্কার করে সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের দাবী এলাকার সাধারণ মানুষের।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতাধীন ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা) প্রকল্পের ১ কোটি ১৮ লাখ ৭৯ হাজার ৫৬০ টাকা খরচে ১৪৯টি ও একই অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) প্রকল্পের ৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৪০ টাকা খরচে ১১টি সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয় । যেখানে প্রতিটি লাইটে গড়ে খরচ হয় ৭৯ হাজার ৫৫০ টাকা ৬২ পয়সা। ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে কাবিখার ১ কোটি ৫৪ লাখ ২৮ হাজার টাকা খরচে ২০০টি এবং টিআর এর ১ কোটি ৪৩ লাখ ৪৮ হাজার ৪০ টাকা খরচে ১৮৬টি সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়। যার গড়ে প্রতিটি লাইটে খরচ হয় ৭৭ হাজার ১৪০ টাকা। সর্বশেষ গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে কাবিখার ১ কোটি ৩৩ লাখ ৪৫ হাজার ২২০ টাকা খরচে ১৭৩টি এবং টিআর-এর ১ কোটি ৩১ লাখ ৯০ হাজার ৯৪০ টাকা খরচে ১৭১টি সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়। যেখানে গড়ে প্রতিটি লাইটে খরচ দেখানো হয়েছে ৭৭ হাজার ১৪০ টাকা। গত ৩ অর্থ বছরে সব মিলিয়ে ৬ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার ৩০০ টাকা খরচে ৮৯০টি সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়। তবে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে স্থাপন করা অধিকাংশ সোলার স্ট্রিট লাইট নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। এছাড়া অনেক স্ট্রিট লাইটের সোলার প্যানেল ও ব্যাটারি চুরি হয়ে গেছে। রাতে ঐসব স্থানে আলোর অভাবে বেড়েছে জনদুর্ভোগ।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) শুভাগত বিশ্বাস জানান, সোলার প্যানেলের ওপর ময়লাপড়া ও ছায়াযুক্ত স্থানে লাইট স্থাপন করায় ব্যাটারিতে চার্জ না হওয়ায় অনেক স্ট্রিট লাইট নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। কোনো অর্থ বরাদ্দ না থাকায় নষ্ট হওয়া লাইটগুলো মেরামত করা সম্ভব হচ্ছে না।
৬৭১ দিন ৯ ঘন্টা ৩৬ মিনিট আগে
৬৯১ দিন ৪ ঘন্টা ৫৯ মিনিট আগে
৬৯১ দিন ৫ ঘন্টা ১৬ মিনিট আগে
৭২৬ দিন ১৩ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে
৭২৮ দিন ৮ ঘন্টা ০ মিনিট আগে
৭৩০ দিন ১১ ঘন্টা ২৭ মিনিট আগে
৭৩০ দিন ১৭ ঘন্টা ৫৮ মিনিট আগে
৭৩২ দিন ১০ ঘন্টা ৩০ মিনিট আগে