নাগেশ্বরীতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ২ বাস কাউন্টারে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ডোমারে 'সবার পাঠশালা'-এর শিক্ষা সম্মেলন অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের চাকুরী জাতীয়করণের দাবীতে সংলাপ অনুষ্ঠিত নাগেশ্বরীতে পরিবার পরিকল্পনা অফিসের সেবা বন্ধ নেই ঈদেও ড. ইউনূসকে যা বললেন মোদি নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্র দেখতে চায় ভারত ডোমারে সাংবাদিক নির্যাতন, গ্রেপ্তার-১ ঝিনাইদহে কবরস্থানে বসবাস করছে অসহায় পরিবার, সাহায্যের আহ্বান বাবা-মায়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন, জানল না শিশু আরাধ্য সবার পাঠশালার শীর্ষ নেতৃত্বে সিহাব-প্রাণহরি মোংলা বন্দরে নতুন আরেকটি অর্থনৈতিক অঞ্চল করতে আগ্রহী চীন হাসিনাকে ফেরত চাইল বাংলাদেশ মধুপুরে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিউটি পার্লারের নামে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন শ্রীমঙ্গলে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক এবং বর্তমান জনশক্তিদের নিয়ে ঈদ পুণর্মিলনী পূর্ব সোনার পাড়া আদর্শ সামাজিক সংঘ এর আলোচনা সভা ও ঈদ পূণর্মিলনী সম্পন্ন। শার্শার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিএনপি নেতৃবৃন্দের ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় কুলিয়ারচরে ফরিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয় উদ্ভোধন কুলিয়ারচরে স্মারক জয়ন্তী ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত ঈদের ছুটিতে ঝিনাইগাতীর গজনী অবকাশ পর্যটন কেন্দ্রে দর্শনার্থীদের আগমন জমজমাট লালপুরে স্ত্রী সন্তানের ওপর রাগ করে নিজের বাড়িতে আগুন

কেশবপুরে স্থাপিত সোলার লাইট বেশির ভাগ নষ্ট আলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে জনগণ

সোহেল পারভেজ, কেশবপুর প্রতিনিধি 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর যশোরের কেশবপুর উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার, গ্রাম ও সড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপিত সোলার লাইট বেশির ভাগ নষ্ট। সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এর অধিকাংশ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে জনগণ। 


উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮৯০টি সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়। জনস্বার্থে 

রাতের অন্ধকারে নির্বিঘ্নে চলাচল করতে ঐ সব গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়।

সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এর অধিকাংশ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে জনগণ।  সন্ধ্যা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাইটগুলো জ্বলে উঠা আবার সকালের আলোতে নিভে যাওয়া যা সাধারণ মানুষের মাঝে হয়ে উঠেছিল নির্বিঘ্নে চলার জন্য একটু সহায়ক। যারফলে ওই সব স্থানে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, মাদকদ্রব্য ও জুয়াড়ীদের আনাগোনা ছিলোনা বললেই চলে। বিভিন্ন হাটবাজার, গ্রাম ও সড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপিত সোলার লাইট বেশির ভাগ নষ্ট থাকার সুবাদে সুযোগ পেয়ে তাদের আনাগোনা এবং দৌরত্ব বেড়ে চলেছে। পুনরায়  সংস্কার করে সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের দাবী এলাকার সাধারণ মানুষের। 


উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতাধীন ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা) প্রকল্পের ১ কোটি ১৮ লাখ ৭৯ হাজার ৫৬০ টাকা খরচে ১৪৯টি ও একই অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) প্রকল্পের ৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৪০ টাকা খরচে ১১টি সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয় । যেখানে প্রতিটি লাইটে গড়ে খরচ হয় ৭৯ হাজার ৫৫০ টাকা ৬২ পয়সা। ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে কাবিখার ১ কোটি ৫৪ লাখ ২৮ হাজার টাকা খরচে ২০০টি এবং টিআর এর ১ কোটি ৪৩ লাখ ৪৮ হাজার ৪০ টাকা খরচে ১৮৬টি সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়। যার গড়ে প্রতিটি লাইটে খরচ হয় ৭৭ হাজার ১৪০ টাকা। সর্বশেষ গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে কাবিখার ১ কোটি ৩৩ লাখ ৪৫ হাজার ২২০ টাকা খরচে ১৭৩টি এবং টিআর-এর ১ কোটি ৩১ লাখ ৯০ হাজার ৯৪০ টাকা খরচে ১৭১টি সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়। যেখানে গড়ে প্রতিটি লাইটে খরচ দেখানো হয়েছে ৭৭ হাজার ১৪০ টাকা। গত ৩ অর্থ বছরে সব মিলিয়ে ৬ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার ৩০০ টাকা খরচে ৮৯০টি সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়। তবে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে স্থাপন করা অধিকাংশ সোলার স্ট্রিট লাইট নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। এছাড়া অনেক স্ট্রিট লাইটের সোলার প্যানেল ও ব্যাটারি চুরি হয়ে গেছে। রাতে ঐসব স্থানে আলোর অভাবে বেড়েছে জনদুর্ভোগ।


উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) শুভাগত বিশ্বাস জানান, সোলার প্যানেলের ওপর ময়লাপড়া ও ছায়াযুক্ত স্থানে লাইট স্থাপন করায় ব্যাটারিতে চার্জ না হওয়ায় অনেক স্ট্রিট লাইট নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। কোনো অর্থ বরাদ্দ না থাকায় নষ্ট হওয়া লাইটগুলো মেরামত করা সম্ভব হচ্ছে না।


Tag
আরও খবর