বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মেয়র প্রার্থী দলের সিনিয়র নায়েবে আমির:
মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম এর উপর আওয়ামী সন্ত্রাস কর্তৃক নগ্ন হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিক্ষোভটি শহরের বড়বাজার হতে শুরু হয়ে বকচত্তরে (পাঁচ রাস্তার মোড়) গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
জেলা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আহমদ আলী এর সভাপতিত্বে, ও সেক্রেটারি মোঃ গোলাম তাওহীদ এর সঞ্চালনায় শুরু হয়, এতে বক্তব্য রাখেন:
#মাওঃনাজমুস সালেহীন,ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, কুষ্টিয়া জেলা শাখা।
#হাঃমোঃতাওহিদুল ইসলাম,সভাপতি ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ, কুষ্টিয়া জেলা শাখা।
#মুফতি মোজাম্মিলুল হক কাসেমী, সেক্রেটারি জাতীয় ওলামা মাশায়েক আইম্মা পরিষদ,কুষ্টিয়া জেলা শাখা। #মুফতি ফরিদ উদ্দিন আবরার,প্রশিক্ষণ সম্পাদক ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, কুষ্টিয়া জেলা শাখা।
#আলহাজ্ব আব্দুল্লাহ আখন্দ,সিনিয়র সহ-সভাপতি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ,কুষ্টিয়া জেলা শাখা।
*বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন:
নির্বাচন কমিশন একজন অসুস্থ, অথর্ব,অযোগ্য, নিষ্কর্মা,সুস্থ নির্বাচন দিতে তিনি পুরাপুরি ব্যর্থ। বক্তারা বলেন:
আপনার কমিশন মেরুদণ্ডহীন একটি কমিশন, আপনি প্রার্থীর নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। তাহলে জাতী কিভাবে আপনার কাছে সুস্থ নির্বাচনের আশা করতে পারে!
বক্তারা সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বলেন :
*আপনি জাতিকে গুম খুন মামলা বাজিকরে রাজনৈতিক ও সমাজের সম্মানিত ব্যক্তিদের অনেক খেদমত করেছেন।
*দেশের টাকা বিদেশে পাচার করে বেগম পাড়া বানিয়েছেন।
'মানুষের ভোটের ও ভাতের অধিকার নষ্ট করেছেন।
'দেশে দলীয় নেতা ও লিডারদের মাধ্যমে ক্রাসের রাজত্ব তৈরি করেছেন।
'দেশকে উন্নয়নের দোহাই দিয়ে বৈদেশিক ঋণ নিয়ে দেউলিয়া করেছেন।
*জাতী আপনার আর কোন খেদমত চায় না,দয়া করে ক্ষমতা ছাড়ুন মানুষকে ভালোভাবে খেয়ে পড়ে বাঁচতে দিন নির্বিঘ্নে তাদের ভোট প্রয়োগের সুযোগ দিন।
*কর্নেল গাদ্দাফি ও প্রেসিডেন্ট মুরসির করুন ইতিহাসের কথা ভুলে যাবেন না!! জাতিকে এই ইতিহাস তৈরি করতে বাধ্য করবেন না।
সমাবেশে নিম্নক্ত দাবি সমূহ পেশ করা হয়:
১-অনতিবিলম্বে আওয়ামী সন্ত্রাসী কে চিহ্নিত করে কঠিন বিচারের আওতা আনতে হবে এবং জাতির সামনে সেটা প্রকাশ করতে হবে।
২- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কে প্রকাশ্যে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।
৩-অতিসত্বর জাতীয় সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে জাতীয় সরকারের অধীনে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করতে হবে।
৪-নিত্য প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রের দাম মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আনতে হবে।
উল্লেখিত দাবি মানতে কোন ধরনের গরীমশি করলে বাংলাদেশের জনতাকে সাথে নিয়ে দূর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। বাংলাদেশের জনতা তাদের দাবি আদায় করার পদ্ধতি ভালোভাবে জানেন। কেননা আপনি আমাদের হৃদয়ে আঘাত করেছেন আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।
পরিশেষে দ্বীন কায়েম সংগঠনের সভাপতি:আলহাজ্ব নূর মোহাম্মদ বিন হানিফ এর দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে সমাবেশের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
৭ দিন ৬ ঘন্টা ০ মিনিট আগে
৭ দিন ৮ ঘন্টা ২৮ মিনিট আগে
৭ দিন ১৫ ঘন্টা ৪১ মিনিট আগে
২১ দিন ২১ ঘন্টা ২৬ মিনিট আগে
৩৬ দিন ৪৭ মিনিট আগে
৪৮ দিন ৬ ঘন্টা ২২ মিনিট আগে
৬০ দিন ১৩ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আগে
৬৪ দিন ৫ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে