লাখাইয়ে আন্দোলনের জেরে পদত্যাগ করলেন অধ্যক্ষ জাবেদ আলী।
অবশেষে শিক্ষার্থী, শিক্ষক কর্মচারী ও অভিভাবকদের লাগাতার আন্দোলনের জেরে পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেন লাখাই উপজেলা লাখাই মুক্তি যোদ্ধা সরকারি ডিগ্রি কলেজ এর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ জাবেদ আলী।
শিক্ষার্থী,শিক্ষক কর্মচারী ও অভিভাবকদের লাগাতার বিক্ষোভ সমাবেশ, কর্মবিরতি,সড়ক অবরোধের চুড়ান্ত পর্যায়ে বৃহস্পতিবার (২২ আগষ্ট) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদা সুলতানা ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লাখাইয়ে দায়িত্বশীল টিম এর মধ্যস্ততায় পদত্যাগের ঘোষণা দেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ জাবেদ আলী।
খোঁজ নিয়ে জানা যায় বৃহস্পতিবার লাখাই উপজেলার লাখাই মুক্তি যোদ্ধা সরকারি ডিগ্রি কলেজ এর শত শত শিক্ষার্থী মিছিল সহকারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা( ইউএনও) কার্যালয়ের সামনে জড় হয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করতে থাকে। এদিকে পরে কর্মবিরতিতে থাকা শিক্ষক / কর্মচারী ও অভিভাবকরা এতে যোগ দেয়।
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এর পদত্যাগের এক দফা দাবীতে লাগাতার আন্দোলনের এ উত্তপ্ত পরিস্থিতির সংবাদ পেয়ে সেনাবাহিনীর একটি টিম এসে আন্দোলন কারীদের দাবীর বিষয়ে অবগত হয়ে এ সুরাহা করতে চেষ্টা চালায়। অবশেষে সেনাবাহিনীর মধ্যস্ততায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ জাবেদ আলী পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়ে পদত্যাগ পত্র শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবরে প্রেরণ করে এবং এর একটি অনুলিপি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদা সুলতানা এর নিকট প্রেরন করেন। এ সংবাদ পেয়ে আন্দোলন কারীরা নিবৃত্ত হয়।
উল্লেখ্য লাখাই মুক্তি যোদ্ধা সরকারি ডিগ্রি কলেজ এর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ জাবেদ আলী ২০১৮ সালে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসাবে দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়েই নানা অনিয়ম দূর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা,শিক্ষক কর্মচারীদের সাথে অশোভন আচরণ, কারনে অকারণে চাকুরীচ্যুতির হুমকি প্রদানের মতো ঘটিয়ে আসছিলেন।
এছাড়াও তিনি গ্রাসরুট লেভেল ডেভেলপমেন্ট প্রগ্রোম( জিএলডিপি) নামে একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান হওয়ার কারনে প্রায়শই কলেজে গরহাজির থাকতেন। এতে দিন দিন কলেজের শিক্ষার গুনগতমান মানের অধোগতি হতে থাকে।বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীরা তার দূর্নীতির বিষয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সমীপে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে তা সন্দেহাতীতভাবে প্রমানিত হলেও রহস্যজনকভাবে তিনি বার বার পার পেয়ে যান।পরিবর্তিত পরিস্থিতিতেও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ জাবেদ আলী তাঁর পদত্যাগের বিষয়টিকে স্তিমিত করতে আন্দোলন চলাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের উপর তাঁর নিজস্ব লোকজন দিয়ে হামলা করিয়েছিলেন। তাঁর পরও শেষ রক্ষা হলোনা।আন্দোলনের এক পর্যায়ে তাঁর আস্থাভাজন শিক্ষক মোঃ মুজিবুল হক,সৈয়দ মোহাম্মদ আফজাল, আলী আজম,মোহাম্মদ সেলিম মিয়া ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ জাবেদ আলীর সংগ ছেড়ে শিক্ষক / কর্মচারীদের আহুত কর্মবিরতিতে যোগ দেয়।
১২ দিন ৯ ঘন্টা ৭ মিনিট আগে
২৩ দিন ৯ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে
৪৫ দিন ৭ ঘন্টা ১৫ মিনিট আগে
৫২ দিন ১৮ ঘন্টা ৩১ মিনিট আগে
৫৭ দিন ৫১ মিনিট আগে
৫৯ দিন ৫ ঘন্টা ১৫ মিনিট আগে
৫৯ দিন ২২ ঘন্টা ২ মিনিট আগে
১০৬ দিন ১৮ ঘন্টা ১ মিনিট আগে