কুমিল্লা নাঙ্গলকোটে সড়কের পাশে পৌরসভার ময়লায় ভাগাড় করার ফলে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। পৌরসভার পরিচ্ছন্ন কর্মীরা প্রতিদিন ভ্যান ও ট্রাকে করে বাজার কুড়ানো আবর্জনা, ক্লিনিক, হাসপাতাল ও কশাই খানার দূষিত বর্জ্য এই ভাড়াড়ে ফেলছে যত্রতত্র। এরফলে বর্জ্যর পঁচা দুর্গন্ধে আশ-পাশের পরিবেশ দূষিত হয়ে উঠেছে। ভাগাড়ের চারপাশে বসত বাড়ি, স্কুল, মসজিদ, হসপিটাল ও মাদ্রাসা থাকলেও দেখার কেউ নেই। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার পথচারি চলাচল করে।
ব্যাস্ততম এই সড়ক দিয়ে রাত-দিন ২৪ ঘন্টা শতশত মালবাহী ট্রাকসহ অসংখ্য ছোট ছোট যানবাহন চলাচল করে। এছাড়া স্কুল-কলেজ গামী শিক্ষার্থীরা তাদের স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানে যাওয়া-আসার পথে ভাগাড়ের দুর্গন্ধ যুক্ত মিশ্রিত বাতাস গ্রহনে তারা ডাইরিয়া চর্মরোগসহ নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। নাঙ্গলকোট পৌরসভায় প্রায় ৫০ হাজার মানুষের বসবাস। এই পৌরসভাটি প্রথম শ্রেণির পৌর সভা হলেও এখানে বসবাসরত নাগরিকরা প্রথম শ্রেনীর নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হলেও পৌর করের জাতাকলে পিষ্ট হচ্ছেন পৌরবাসী। কোন রকম মুল্যায়ন ছাড়াই গত ১০ বছরে পৌরকর বৃদ্ধি করা হয়েছে কয়েক গুণ। বাড়েনি পৌরসভার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা। পৌরসভায় সেবা নিতে গেলে পদে পদে পৌরবাসীকে নাজেহাল হতে হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া পৌরসভার অধিকাংশ রাস্তার বেহাল দশা, ড্রেন এবং প্রায় সড়কে রোড লাইট না থাকলেও কর আদায় করা হচ্ছে যথারিতী। এদিকে সড়কের প্রায়ই স্থানে ময়লার স্তুপে সয়লাব থাকে।
তাছাড়া পৌর সদরের লোটাস চত্বরের পাশে নাঙ্গলকোট-শ্রিপলিয়া সড়কের সাথে পৌর সভার ময়লার ভাগাড়ের দূষিত বর্জের গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে পথচারিরা।
২০০২ সালে ৫নং নাঙ্গলকোট ইউপির ১৪টি গ্রাম ও মৌকরা ইউপির ৫টি গ্রামসহ মোট ১৯টি গ্রামকে ৯ টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করে নাঙ্গলকোট পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয় বিএনপি সরকারের আমলে। ফলে নাঙ্গলকোট ইউনিয়নকে বিলুপ্ত করে পৌরসভার উত্তরের অংশ ৫নং মক্রবপুর ইউনিয়ন এবং পশ্চিমের অংশ ১২নং হেসাখাল ইউনিয়ন নামে দুইটি আলাদা ইউনিয়ন গঠন করা হয়।
একাধিক পথচারি ও চালক বলেন, এই সড়ক দিয়ে চলাচলের সময় ময়লার ভাগাড় পার হওয়ার সময় ৩০ থেকে ৪৫ সেকেন্ট দমবন্দ করে পার হতে হয়। তখন আমাদের অনেক কষ্ট হয়।
এবিষয়ে মেয়র আব্দুল মালেক বলেন, নাঙ্গলকোট পৌরসভা এলাকায় সরকারী কোন জায়গা না থাকায়, ব্যাক্তি মালিকানাধীন জমিতে তাদের অনুমতি নিয়ে পালানো হচ্ছে। অন্য কথাও এই ময়লা পালোনোর ব্যবস্থা হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি প্রতিবেদককে বলেন আপনি জায়গা ব্যাবস্থা করে দিন, তাহলে আর এখানে ময়লা না পেলে অন্য সে জায়গায় ময়লা পালানো হবে।
১৭৩ দিন ২ ঘন্টা ৭ মিনিট আগে
২২১ দিন ৩ ঘন্টা ৪৫ মিনিট আগে
২২৫ দিন ৫ ঘন্টা ৪৯ মিনিট আগে
২২৬ দিন ১০ ঘন্টা ৫৩ মিনিট আগে
২২৯ দিন ৫ ঘন্টা ৮ মিনিট আগে
৩৪৮ দিন ২ ঘন্টা ৫৭ মিনিট আগে
৩৯০ দিন ১৫ ঘন্টা ৫৬ মিনিট আগে
৩৯৭ দিন ৬ ঘন্টা ৫৬ মিনিট আগে