রংপুরের পীরগাছায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) ১০দফা দাবি সম্বলিত লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার তাম্বুলপুর ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে এ লিফলেট বিতরণ করা হয়।
উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আলমগীর কবির ও সদস্য আজাদ হোসেন সরকারের নেতৃত্বে তাম্বুলপুর বাজার ও নেকমামুদ বাজারের বিভিন্ন দোকান ও জনসাধারণের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন তারা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন তাম্বুলপুর ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সোলায়মান হক, তাম্বুলপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক রাশেদুল ইসলাম রবি ও সদস্য সচিব রোকনুজ্জামান খান উজ্জ্বল, ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল করিম, প্রচার সম্পাদক আফতাব উদ্দিন, যুবদল সভাপতি খলিলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাম্মেল হক, যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মোক্তার হোসেন, ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বাদল মিয়া, রেজাউল করিম, আমিন মিয়া ও শাহিন আলম সহ আরও অনেকে।
এছাড়াও পীরগাছা সদর ইউনিয়ন, কল্যাণী ইউনিয়ন, পারুল ইউনিয়ন, ইটাকুমারী ইউনিয়ন, অন্নদানগর ইউনিয়ন, কৈকুড়ী ইউনিয়ন, ছাওলা ইউনিয়ন ও কান্দি ইউনিয়নে একইদিনে বিএনপির ১০দফা দাবি সম্বলিত লিফলেট বিতরণ করা হয়।
যা ছিল বিএনপির ১০দফা দাবি:
১. বর্তমান জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত করে ক্ষমতাসীন সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে।
২. ১৯৯৬ সালে সংবিধানে সংযোজিত ধারা ৫৮-খ, গ ও ঘ অনুচ্ছেদের আলোকে একটি দল নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকার/অন্তর্বর্তীকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন।
৩. নির্বাচনকালীন দল নিরপেক্ষ সরকার/অন্তর্বর্তীকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার বর্তমান নির্বাচন কমিশন বাতিল করে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন, ওই নির্বাচন কমিশন অবাধ নির্বাচনের অনিবার্য পূর্বশর্ত হিসেবে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করতে আরপিও সংশোধন, ইভিএম পদ্ধতি বাতিল ও পেপার ব্যালটের মাধ্যমে ভোটের ব্যবস্থা করা এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহার বাতিল করা।
৪. খালেদা জিয়াসহ সব বিরোধীদলীয় নেতাকর্মী, সাংবাদিক এবং আলেমদের সাজা বাতিল, সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও রাজনৈতিক কারাবন্দিদের অনতিবিলম্বে মুক্তি, দেশে সভা, সমাবেশ ও মতপ্রকাশে কোনো বাধা সৃষ্টি না করা, সব দলকে স্বাধীনভাবে গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনে প্রশাসন ও সরকারি দলের কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ বা বাধা সৃষ্টি না করা, বিরোধী কণ্ঠস্বরকে স্তব্ধ করার লক্ষ্যে নতুন কোনো মামলা ও বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার না করা।
৫. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ এবং বিশেষ ক্ষমতা আইন-১৯৭৪সহ মৌলিক মানবাধিকার হরণকারী সব কালাকানুন বাতিল করা।
৬. বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গ্যাস ও পানিসহ জনসেবা খাতের মূল্যবৃদ্ধির সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিল।
৭. নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আনা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারকে সিন্ডিকেট মুক্ত করা।
৮. বিদেশে অর্থপাচার, ব্যাংকিং ও আর্থিক খাত, বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাত ও শেয়ারবাজারসহ রাষ্ট্রীয় সব ক্ষেত্রে সংঘটিত দুর্নীতি চিহ্নিত করতে একটি কমিশন গঠন/দুর্নীতি চিহ্নিত করে দ্রুত যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ।
৯. গুমের শিকার সব নাগরিককে উদ্ধার এবং বিচারবহির্ভূত হত্যা ও রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের প্রতিটি ঘটনার দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করে যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর, উপাসনালয় ভাঙচুর এবং সম্পত্তি দখলের জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা করা।
এবং
১০. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন ও বিচার বিভাগকে সরকারি হস্তক্ষেপ পরিহার করে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়া।
১ দিন ৪ ঘন্টা ৪৯ মিনিট আগে
১ দিন ৫ ঘন্টা ২৮ মিনিট আগে
৩ দিন ৩ ঘন্টা ৫৭ মিনিট আগে
৫ দিন ৪ ঘন্টা ১৩ মিনিট আগে
৫ দিন ২২ ঘন্টা ১৯ মিনিট আগে
৬ দিন ৫ ঘন্টা ৫৯ মিনিট আগে
৮ দিন ৩৭ মিনিট আগে