অবহেলার পাত্র নাকি সভ্যতার স্থপতি? আদমদীঘিতে বাসযাত্রীদের নিকট থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ায় কাউন্টারকে জরিমানা আদমদীঘিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তিন দই-মিষ্টির দোকানে জরিমানা শার্শায় জামাল হত্যার মামলায় আরও এক আসামি আটক লালপুরে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অন্যের জমি নিয়ে ৩ জনকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ লালপুরে মসজিদের ইমামকে ঘোড়ার গাড়িতে রাজকীয় বিদায়।। সমুদ্র সৈকত পরিচ্ছন্ন রাখতে 'পশ্চিম সোনার পাড়া সমাজকল্যাণ পরিষদ' এর বহুমুখী উদ্যোগ। বড়লেখায় মৃত মোরগ বিক্রির প্রতিবাদ করায় প্রবাসীকে হেনস্তা,ব্যবসায়ি সমিতির সদস্য বরখাস্ত : তদন্ত কমিটি গঠন আশাশুনির বিছটে ভাঙ্গন রোধে রিংবাঁধের কাজ সম্পন্ন, স্বস্তি ফিরেছে বানভাসীদের নাগেশ্বরীতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ২ বাস কাউন্টারে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ডোমারে 'সবার পাঠশালা'-এর শিক্ষা সম্মেলন অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের চাকুরী জাতীয়করণের দাবীতে সংলাপ অনুষ্ঠিত নাগেশ্বরীতে পরিবার পরিকল্পনা অফিসের সেবা বন্ধ নেই ঈদেও ড. ইউনূসকে যা বললেন মোদি নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্র দেখতে চায় ভারত ডোমারে সাংবাদিক নির্যাতন, গ্রেপ্তার-১ ঝিনাইদহে কবরস্থানে বসবাস করছে অসহায় পরিবার, সাহায্যের আহ্বান বাবা-মায়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন, জানল না শিশু আরাধ্য সবার পাঠশালার শীর্ষ নেতৃত্বে সিহাব-প্রাণহরি মোংলা বন্দরে নতুন আরেকটি অর্থনৈতিক অঞ্চল করতে আগ্রহী চীন

আজ রামগড় হানাদারমুক্ত দিবস

আজ রামগড় হানাদারমুক্ত দিবস


এমদাদ খান (রামগড়) খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি 


আজ ৮ ডিসেম্বর খাগড়াছড়ি জেলার সীমান্ত শহর রামগড় হানাদারমুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে অকুতোয়ভয় মুক্তিসেনা ও ভারতীয় মিত্র বাহিনীর আক্রমণে পাক হানাদার বাহিনী পিছু হটতে বাধ্য হয়।

মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তি বাঙালি জনতা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে রামগড় প্রবেশ করে এবং স্বাধীনতার লাল সবুজের পতাকা উত্তোলন করে রামগড় কে শক্রমুক্ত ঘোষণা করে।


এইদিন পড়ন্ত বিকালে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও পরবর্তীতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য প্রয়াত সুলতান আহমেদ মুক্তিকামী বাঙালিদের নিয়ে রামগড় ডাকঘরের শীর্ষে বাংলার লাল-সবুজের পতাকাটি উত্তোলন করে রামগড়কে হানাদারমুক্ত ঘোষণা করে।


মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ভারতের সীমান্ত সংলগ্ন ফেনী নদীর তীরে অবস্থিত তৎকালীন মহকুমা শহর রামগড় ছিল চট্রগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সশস্ত্র প্রতিরোধ সংগ্রামের প্রাণকেন্দ্র। রামগড় সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠটি ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ শিবির।


তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান এখান থেকে যুদ্ধ পরিচালনা করতেন। মেজর জিয়াউর রহমান এক পর্যায়ে যোগাযোগ স্থাপন করেন ভারতীয় পূর্বাঞ্চলীয় বিএসএফ’র প্রধান ব্রিগেডিয়ার পান্ডের সঙ্গে। ৪ এপ্রিল তেলিয়া পাড়া বিএসএফ ক্যাম্পে ব্রিগেডিয়ার পান্ডের সাথে কনফারেন্স করেন, মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর শফিউল্লাহ, মেজর খালেদ মোশারফ ও মেজর শাফায়েতসহ বিদ্রোহী সেনা কর্মকর্তারা। ওই কনফারেন্সে মেজর জিয়াউর রহমানকে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী অঞ্চলে যুদ্ধ পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়।


২ মে পাক বাহিনীর রামগড়ের ব্যাপক আক্রমন চালায়। রামগড়ে মুক্তিযুদ্ধ প্রশিক্ষন ক্যাম্পের দায়িত্ব প্রাপ্ত মেজর রফিকুল ইসলাম সমস্ত স্থাপনা ও যুদ্ধ সামগ্রী সীমান্তের ওপারে ভারতের সাবরুমে স্থানান্তরের নির্দেশ দেন। মুক্তিযোদ্ধাদের অসম সাহসী লাড়াইয়ের পরেও রামগড়ের পতন হয়।


পরবর্তীতে ভারতের বিভিন্ন প্রশিক্ষন শিবির থেকে মুক্তিযোদ্ধারা মিত্র বাহিনীর সহযোগিতায় আবারো পাক সেনাদের ওপর আক্রমন শুরু করে। ৭ ডিসেম্বর রাতে এবং ৮ ডিসেম্বর ভোরে ভারতীয় দুটি জঙ্গী বিমান রামগড়ে পাক বাহিনীর বিভিন্ন স্থাপনার উপর দু’দফা সফল হামলা চালিয়ে রামগড়কে হানাদারমুক্ত করে।

Tag
আরও খবর


রামগড়ে বিএনপির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

২২ দিন ৫ ঘন্টা ৫৫ মিনিট আগে