বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করে রাখা হয়েছে। বিক্ষুব্ধ জনতার দ্বারা এ অনাকাঙ্খিত ঘটনার সৃষ্টি হওয়ায় পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও মামলা না করার কথা জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।
থানা সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজী মোঃ রফিকুল ইসলামের পথসভা সফল করতে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের দলীয় নেতাকর্মীরা কুতুবপুর হাই স্কুল মাঠে মিছিল নিয়ে উপস্থিত হয়। এ সময় কুতুবপুর সোলারতাইড় গ্রামের খোকা প্রামানিকের ছেলে জুয়েল মিয়াও (৪৫) পথসভায় উপস্থিত হয়।
এক পর্যায়ে অজ্ঞাতনামা বিএনপি'র লোকজন জুয়েল মিয়াকে বিভিন্ন অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে বলেন যে, “তুই তো আগে আওয়ামী লীগের সাথে জড়িত ছিলি, এখন আবার বিএনপি করতে আসছিস”। এরই প্রেক্ষিতে একপর্যায়ে জুয়েল মিয়াকে কয়েকজন মারধর করে এবং আটক করে রাখে।
এ ঘটনার সংবাদ পেয়ে সারিয়াকান্দি চন্দনবাইশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনাস্থল কুতুবপুর বাজারে উপস্থিত হন। পরে তিনি জুয়েল মিয়াকে উদ্ধার করে পুলিশের টহল গাড়িতে তোলেন। গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়ার সময় একদল লোক পুলিশের গাড়ির গ্লাস ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় জুয়েল মিয়া চন্দনবাইশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে পুলিশের হেফাজতে আছে।
সারিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, ‘বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার আজ সারিয়াকান্দি থানায় অফিসার ফোর্সের সাথে মতবিনিময় করতে এসেছিলেন। এ সময় চন্দনবাইসা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, পুলিশ সুপার মহোদয়ের সাথে সাক্ষাৎ শেষে তিনি মোবাইলের কলের মাধ্যমে জানতে পেরে কুতুবপুর বাজারে জুয়েলকে উদ্ধার করে নিয়ে আসার সময় এ ঘটনার শিকার হন। যেহেতু উপস্থিত অজ্ঞাতনামা বিক্ষুব্ধ জনতা গাড়ির একটি গ্লাস ভেঙেছে, তাই এ বিষয়ে আর কোনও মামলা দেয়ার সিদ্ধান্ত আপাতত পুলিশের নাই।