সাতক্ষীরা তালা উপজেলার খলিষখালী ইউনিয়নর দলুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা আবির হোসেন রনির বিরুদ্ধে বিদ্যালয় চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগের নামে প্রায় ৪০ লাখ টাকা নিয়োগ বানিজ্যর অভিযাগ উঠেছে।
পরীক্ষায় উত্তর্তীন দুই চাকরী প্রত্যাশীর চুক্তি অনুযায়ী কয়েক লাখ টাকা বাকী থাকায় নিয়োগ পরীক্ষার ১৮ দিনও তাদের দেয়া হয়নি নিয়াগ পত্র। বিদ্যালয়র প্রধান শিক্ষক বলেন নিয়াগ পরীক্ষায় জটিলতা থাকায় এই মূহুর্ত তাদের নিয়াগ পত্র দেয়া যাচ্ছে না। তালা উপজেলা মধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আতিয়ার রহমান বলেছেন তিনি নিয়াগ বোর্ডের সদস্য, তবে তিনি নিয়াগ পরীক্ষার দিন বোর্ডে উপস্থিত ছিলেন না
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চলতি বছরের ২৮ অক্টোবর স্থানীয় একটি দৈনিকে ও ঢাকা টাইমস পত্রিকায় দলুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় নিরাপর্তা কর্মী, আয়া,অফিস সহায়ক শূন্যপদ নিয়াগ বিজ্ঞপ্তি দেয় বিদ্যালয় কর্তপক্ষ। এরপর ২০ আগষ্ট আবেদন যাচাই বাছাই প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয়। তিনটি শূন্যপদের বিপরীত মোট ১৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়, ২৭ আগষ্ট সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যলয় ডিজি প্রতিনিধি তালা সরকারী বিদ্যালয়র প্রধান শিক্ষক শাহাজান হাসানের উপস্থিতিতে সাজানো এ নিয়াগ প্রক্রিয়া সম্পন হয়। তবে নিয়াগ পরীক্ষা সম্পন হলেও উত্তীর্ন চাকরী প্রত্যাশীদর লিখিত কোন নিয়োগ পত্র দেননি বিদ্যালয়র প্রধান শিক্ষক এমনকি নিয়াগ বিজ্ঞপ্তির প্রকাশের পর কারা আবদন করেছিলেন তাদের নাম ঠিকানা দিতে নারাজ হন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা জানান,দল ক্ষমতায় আসার পর এলাকার সরকারী জায়গা দখল কর দোকান নির্মান সহ মসজিদর নামে সরকারী টাকা আত্মসাৎ সহ নানা অভিযাগ রয়েছে রনির বিরুদ্ধ। বর্তমান সে এলাকায় প্রভাব খাটিয়ে কৈখালী এলাকায় একটি জেলা পরিষদর সরকারী পুকুর দখল কর অন্যদর ইজারা দিয়েছেন রনির এসব কর্মকান্ড নিয়ে একাধিক বার প্রসাশনের কাছে অভিযাগ করলেও অদৃশ্য কারণে তার প্রতিকার মেলনি বলে অভিযোগ করেন তারা। ¯স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আজিজ, সুলতান সরদার,খলিলসহ অনকে জানান ৫/৭ বছর আগ কখালী এলাকার হাটল ব্যাবসায়ী তারক মন্ডলর কাছ থেকে ছেলেকে পুলিশ কনস্টবল পদে চাকুরি দেওয়ার নাম ৫ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় রনি।
এরপর চাকুরি দিতে না পারায় স্থানীয় দের মধ্যস্তায় তিন লক্ষ টাকা ফেরত দেয় সে। পরবর্তীতে দুই লক্ষ টাকা চাইতে গেলে প্রতিনিয়ন হুমকির স্বীকার হতে হয় ওই ব্যাবসায়ীকে ¯স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা সুলতান সরদার জানায়, আবির হোসেন রনি দলুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় অফিস সহায়ক পদ নিয়াগর জন্য কষ্ণনগর এলাকা হারান সরকাররের কাছ থেকে দুই কিস্তিত ৮ লক্ষ ও ৫ লক্ষ টাকা সহ মাট ১৩ লক্ষ টাকা নিয়ছে।
মাদরা এলাকার আওয়ামী লীগ কর্মীকে নিরাপর্তা কর্মী নিয়াগের জন্য ১৫ লক্ষ এবং মঙ্গালাদকাটি গ্রামর শাহিনুর রহমানর স্ত্রীর কাছ আয়া পদ নিয়াগয়ের নামে ১২ লক্ষ টাকা হাতিয় নিয়ছে সে। বর্তমান সে বিভিন্ন দপ্তর সরকারী কর্মকর্তাদর ম্যানেজ করে নিয়োগ বানিজ্যর বিষয়টি লাপাট করতে চাইছে।
এ বিষয় দলুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সুশাÍ কুমার মন্ডল জানান, গত ২৭ আগষ্ট সকাল জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যলয় বিদ্যালয় তিনটি শুন্যপদ নিয়াগ সম্পন হয়। তবে বিভিন জটিলতার কারনে নির্বাচিতদের নিয়াগ পত্র প্রদান ও তাদের যোগদান করানো সম্ভব হয়নি বলে অপকটে স্বিকার করনে।
সম্প্রতি স্কুল কমিটির সভাপতি আবির হোসেন রনির বিরুদ্ধে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রপত্রিকায় তার দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ প্রকাশিত হলে ফুঁসে ওঠে এলাকাবাসী একের পর এক বেরিয়ে আসছে তার অপকর্ম সকল তথ্য এছাড়া বিদ্যালয়র পরিচলনা কমিটির নামে হাইকোর্টে মামলা সহ উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা প্রশাসক বরাবর নিয়াগ বানিজ্যর বিষয় অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা বিষয়টি নিয়ে দলুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি আবির হোসেন রনির সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি বলেন, আমি সাতক্ষীরাতে নাই বর্তমানে আমার প্রয়োজনীয় কাজে ঢাকায় আছি আমি আপনার ফোনের সব প্রশ্নের উত্তর দেব না।
শুধু এটুকু বলতে পারি আমি বিদ্যালয়ে নিয়াগটি দিয়েছি আমি কোন ধরনের আর্থিক টাকা পয়সা গ্রহণ করেনি। আমার স্কুল কমিটির দীর্ঘদিন থেকে একটা কুচক্রী মহল প্রতিপক্ষ আছে, তারা সামাজিকভাবে আমাকে ক্ষতি করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। তবে আমি সরকারি দল করি। কেউ কোনো ষড়যন্ত্র করে লাভবান হতে পারবেনা। আপনি রিপোর্ট করতে চান করেন? ও সমস্ত রিপোর্টের আমি পরোয়া করিনা বলেই তিনি ফোন সংযোগটি কেটে দেন।
এ ব্যাপারে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, গত ২৭ আগষ্ট দলুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় নিয়াগ পরীক্ষা হয়েছে কিনা আমার জানা নেই আমার কোন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিল না । কেউ যদি অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্যের নামে টাকা নিয়ে থাকে তার দ্বায় আমি নেবো না। তবে এ বিষয় কেও লিখিত অভিযাগ করে তাহলে বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হবে।
২ দিন ২ ঘন্টা ৪১ মিনিট আগে
১৩ দিন ১ ঘন্টা ৪৭ মিনিট আগে
১৯ দিন ১ ঘন্টা ০ মিনিট আগে
২৩ দিন ৪ ঘন্টা ৬ মিনিট আগে
২৫ দিন ৬ ঘন্টা ৩৫ মিনিট আগে
৬৭ দিন ৭ ঘন্টা ২৮ মিনিট আগে