প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে ইউপি চেয়ারম্যান এবং সদস্যরা। জেলার উন্নয়নে জেলা পরিষদ নির্বাচনে নজরুল ইসলামের কোন বিকল্প নেই। নজরুল ইসলাম একজন পরীক্ষিত মানুষ। তার বাইরে ভোট দেওয়ার কোন প্রশ্নই ওঠে না। আমরা কেউ টাকার কাছে বিক্রি হবো না। টাকার কাছে বিবেক বিক্রি করবো না।
অপর প্রার্থীর নাম শুনেছি। দেখেনি কখনও। তিনি সারাবছর ঢাকায় থাকেন। তাকে পেতে হলে ঢাকায় যেতে হবে। তিনি নাকি সবাইকে টাকা দিয়ে কিনতে চান। তালার কৃতী সন্তান, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, গণমানুষের নেতা শহিদ স. ম আলাউদ্দিন হত্যা মামলার আসামী ঝাড়ুকে তালা কলারোয়ার ভোট দেবে না বলে অঙ্গীকার করেন তালার ভোটাররা।
শনিবার তালা শিল্পকলা একাডেমিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে আগামী ১৭ অক্টোবর সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মো: নজরুল ইসলামের সমর্থনে তালা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, সকল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্যদের সাথে মত বিনিময় সভায় এসব আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তালার ১২টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য ও সংরক্ষিত সদস্যসহ উপজেলা পরিষদের ১৫৯ জন ভোটারের মধ্যে ১৪৮জন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া সকল ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন তালা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জননেতা শেখ নুরুল ইসলাম। পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আতাউর রহমান। বক্তব্য রাখেন জেলা ও উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ।
মুক্ত আলোচনায় ধানদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে ইউপি চেয়ারম্যান এবং সদস্যরা। জেলার উন্নয়নে জেলা পরিষদ নির্বাচনে নজরুল ইসলামের কোন বিকল্প নেই।
নগরঘাটা ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান লিপু বলেন, নজরুল ইসলামের বিপক্ষে যিনি প্রার্থী হয়েছেন তিনি তালার কৃতী সন্তান জনপ্রিয় নেতা স. ম আলাউদ্দিন হত্যা মামলার আসামি আর আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম সাদা মনের মানুষ। আপনার কাকে ভোট দেবেন সেটা আপনাদের ব্যাপার। আমি কিছু বলবো না। আধুনিক সাতক্ষীরার রূপকার শহীদ স. ম আলাউদ্দিন আমার উপজেলার তথা সাতক্ষীরা জেলার কৃতি সন্তান। আমার পরিষদের একটি ভোট নজরুল ইসলামের বাইরে যাবে না।
সরুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হাই বলেন, সৎ ব্যক্তির নজরুল সাহেব। নজরুল ইসলাম কাউকে অপমান করবে না। কাউকে ক্ষতি করবে না।
কুমিরা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলাম বলেন, নজরুল ইসলাম একজন ভালো মানুষ। তিনি সবচেয়ে বেশি ভোট পাবেন, বিজয়ী হবেন। শেষ হাসি আমরাই হাসবো।
তেঁতুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন, অপর প্রার্থী খলিলুল্লাহ ঝড়ুকে কেউ কখনও দেখেছেন? এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ঝড়– কোথায় থাকেন, আমরা কেউ জানিনা। তিনি কিভাবে আমাদের সুখ দু:খের সাথী হবেন? আমার পরিষদে এসেছিলো। তার কথা শুনে আমার পরিষদের সদস্যরা ক্ষেপে যান। তার আচার ব্যবহারও ভালো না। আমরা তাকে সরাসরি বলেছি আপনাকে ভোট দেব না। ১৩টি ভোট সৎ যোগ প্রার্থী নজরুল ইসলাম পাবেন।
তালা সদরের চেয়ারম্যান সরদার জাকির হোসেন বলেন, যার কোন দলীয় পরিচয় নেই, তাকে ভোট দেব না। টাকা নিয়ে ঘুরছে। টাকা দিয়ে ভোট হয় না। টাকা দিয়ে মানুষের বিবেক কেনা যায় না। তাই তিনি এখন ঘরে উঠে গেছেন। তালার মাটি আওয়ামী লীগের ঘাটি। খুনি সন্ত্রীর স্থান তালায় হবে না।
ইসলামীকাটি চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বলেন, নজরুল ইসলাম একজন ভালো মানুষ। তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন এবং জেলার ৭৮ ইউনিয়েনর উন্নয়নে আবারও কাজ করবেন।
খলিষখালী সাবীর হোসেন বলেন, আমাদের সব ভোট নজরুল ইসলাম পাবেন। ঝড়ু কোনদিক দিয়ে নজরুল ইসলামের ধারে কাছেই নেই। তিনি লুকিয়ে থাকা মানুষ। খুনি কখন প্রকাশ্যে আসতে পারেনা। তিনি লুকিয়ে লুকিয়ে টাকার লোভ দেখাচ্ছেন। তার টাকা কেউ গ্রহণ করছে না। ইতোমধ্যে তাকে সবাই বয়কট করেছে।
মাগুরা চেয়ারম্যান গণেশ দেবনাথ বলেন, আমার ইউনিয়নের সব ভোট মোটরসাইকেলে দেব, এর বাইরে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই।
খেশরা ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম লাল্টু বলেন, নজরুলকে ভালো মানুষ হিসেবে চিনি। অপর প্রার্থীকে কখনও দেখেনি। আমাদের জনপ্রিয় নেতা স. ম আলাউদ্দিন হত্যা মামলার আসামী। কোন অপরাধে স. ম আলাউদ্দিনকে হত্য করা হয়েছিলো। খুনি ঝড়– এই উপজেলা পেলে মনে করতে হবে মানুষের বিবেক মরে গেছে। এই উপজেলা ১৫৯টি ভোট নজরুল ইসলামের বাইরে যাবে না।
জালালপুর ইউপি চেয়ারম্যান মফিদুল হক লিটু বলেন, আমাদের সকলের শ্রদ্ধেয় নজরুল ইসলামের বিজয় নিশ্চিত। আগে যেভাবে কাজ দিয়েছেন। বিজয়ী হলে সবাইকে মূল্যয়ন করবেন।
খলিলনগর ইউপি চেয়ারম্যান প্রণব ঘোষ বাবলু, ইউপি সদস্য হওয়া কঠিন। নজরুল ইসলাম বিজয়ী হলে জেলার পরিষদের কোন প্রকল্প আসলে তাদের স্বাক্ষর কোন প্রকল্প পাশ হবে না এটাই আমার চাওয়া।
কলারোয়ার কেরালকাতা ইউপি চেয়ারম্যান ভিপি মোরশেন বলেন, আমাদের মধ্যে যত গ্রুপিং থাকুক না কেন নজরুল ইসলামের ভোটের প্রশ্নে সবাই ঐক্যমত হয়েছি। সব ভোট নজরুল ইসলামকে দেব। খুনি ঝড়– টাকা লোভ দেখাচ্ছিল, টাকা কিন্তু দেয়নি। ঝড়– মাঠ ছেড়ে দিয়েছে। তাকে আর দেখা যাচ্ছে না।
ধানদিয়া ১নং ওয়ার্ডের এক সদস্য সকলে ঐকমত্য হয়েছে নজরুল ইসলামকে ভোট দিয়ে জয়ী করবো।
সরুলিয়া ইউপি সদস্য নাজিম বলেন, সাদা মনের মানুষ। তার কোন দুর্নীতি নেই। তাকে ভোট দিয়ে জয় যুক্ত করবো।
তেঁতুলিয়া ইউপি সদস্য শঙ্কর কুমার দাশ বলেন, ভালো মনের মানুষ তাকে ভোট দিয়ে জয় যুক্ত করবো।
তালা সদরের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম শফি বলেন, এর আগে চেয়ারম্যান ও প্রশাসক ছিলেন। তার বিরুদ্ধে কোন দুর্নীতির অভিযোগ নেই। তাকে ভোট দিয়ে জেলার উন্নয়ন ভূমিকা রাখার সুযোগ দেব।
ইসলামকাটি ইউপি সদস্য আব্দুল হাকিম বলেন, নজরুল ইসলামের মতো ভালো মানুষের বিপক্ষে ভূমিদস্যু, খুনী ভোট দায়িয়েছে। খুনিকে ভোট দেওয়ার কোন প্রশ্নই আসে না।
মাগুরা ৪নং ওয়ার্ড সরদার তকিমুজ্জামান বলেন, পাচঁ বছরে নজরুল ইসলামের বিপক্ষে কোন অভিযোগ পাইনি। আবারও তাকে ভোট দিয়ে জয়ী করবো।
খলিষখালি ইউপি সদস্য উত্তম কুমার দে বলেন, দু:খ কষ্ট ভুলে নজরুল ইসলামকে ভোট দেব। আলাউদ্দিন হত্যা মামলার আসামী। ঝড়ুর কোন বেসিক নেই। তাকে ভোট দেওয়ার কোন প্রশ্নই আসে না।
খেশরা ইউপি সদস্য শামসুর রহমান, গতবার একটি ভোটও এদিক ওদিক যায়নি। এবারও উপজেলার ১৫৯ ভোট সব নজরুল ইসলামকে দেব।
জালালপুর ইউপি সদস্য আমজাদ হোসেন বলেন, সময় উপযোগী যুগ উপযোগী মানুষ নজরুল ইসলাম। তাকেই বিজয়ী করবো।
খলিলনগর ইউপি সদস্য হাসান বলেন, সব ভোট নজরুল ইসলামকে দিয়ে বিজয়ী করার বিকল্প নেই।
খলিলনগর ইউপি সদস্য লিয়াকত বলেন, ১৩টি ভোট বাইরে যাবে না।
ইসলামকাটি নারী সদস্য দাশ বলেন, নজরুল ভাই ভালো মানুষ তার বাইরে ভোট দেওয়ার প্রশ্নই আসে না।
নগরঘাটা ইউপি নারী সদস্য বলেন, ছিলাম আছি থাকবো।
এদিকে দৈনিক পত্রদূতের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক লায়লা পারভীন সেঁজুতি পিতার কথা স্মরণ করে অশ্রু ঝরিয়ে বলেন, আমার পিতা আপনাদের মাটির সন্তান। তিনি যেমনিভাবে আপনাদের ভালোবাসতেন, আপনারও তাকে ভালোবাসা দিয়েছেন। আমার বাবার খুনি ঝড়–। তাকে ভোট দিলে আমার বাবার হৃদয়ে কষ্ট পাবে। সে তার ভাইদের সম্পদও নিজে দখল করে নিয়েছে। সে বিজয়ী হলে আপনাদের কী করবে, আপনারা একবার ভেবে দেখুন।
২ দিন ২ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আগে
১৩ দিন ১ ঘন্টা ৪৫ মিনিট আগে
১৯ দিন ৫৮ মিনিট আগে
২৩ দিন ৪ ঘন্টা ৪ মিনিট আগে
২৫ দিন ৬ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে
৬৭ দিন ৭ ঘন্টা ২৫ মিনিট আগে