জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নে মহাসড়কে যোগদিন,নৌকা মার্কায় ভোট দিন, তৃনমূল পর্যায়ে উন্ননয়নে শীর্ষক উঠান বৈঠক অনুষ্টিত হয়েছে। রবিবার বিকাল ৪ টায় তালা খলিশখালী ইউনিয়ন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সমীর দাশের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপন্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-১ তালা - কলারোয়ার আসনের আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক সফল ছাত্রনেতা তালা উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য শহীদ পরিবারের সন্তান জননেতা শেখ নুরুল ইসলাম। এসময় বক্তব্য রাখেন তালা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সস্পাদক মোজাফ্ফর রহসান,তাল্ উপজেলা তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক আবীর হাসান রনি, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্নসাধারন সম্পাদব শরিফুল ইসলাম,ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল সাত্তার, বৈরভ,দীলিপ,ইউপি সদস্য চায়রা রানী,সাবেক মেম্বর পঙ্গজ, মধু,যুবলীগ নেতা বাবলা,ফজলুসহ বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃবৃন্দ।
তিনি আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কে সামনে রেখে বিভিন্ন কার্যক্রম সরকারের উন্নয়ন তৃনমূল পর্যায়ে পৌছায়ে দেওয়ার জন্য উঠান বৈঠকসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
এতো মধ্য তিনি তালা কলারোয়াসহ ২৪ টি ইউনিয়নে নির্বাচনী গনসংযোগ ও উঠান বৈঠাক শুরু করেছেন। ক্ষুধা,দারিদ্রমুক্ত ও একটি উন্নয়নশীল রাষ্ট বির্নিমানে জননেত্রী শেখ হাসিনা হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষে বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে বুবে ধারন করে সমাজের উন্নতি ও জনগনের কল্যানে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন দীর্ঘ ৫৩ বছর রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন ঘাত প্রতিঘাত কারাবরণকারী নেতা, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম হাতিয়ার শেখ নুরুল ইসলাম বর্তমান স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি জামায়াত শিবিরের আতঙ্ক। মাত্র ১৩ বছর বয়সে চোখের সামনে পিতা মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক তৎকালীন ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি শেখ আব্দুর রহমান ও বড় ভাই জালালউদ্দীনকে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল পাক হানাদার বাহিনী ১৯৭১ সালের ২৩ এপ্রিল। সেই থেকে শুরু রাজনৈতিক জীবনের হাতেখড়ি। বুকে লালন করে লেখাপড়া জীবনে ১৯৮৯ সালে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৮১ সালে ছাত্র সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৩ সালে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়। ১৯৮৭ সালে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য মনোনীত হন। ১৯৮৮ সালে তালা উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯২ সালে একই পদে পুনরায় নির্বাচিত হন। ২০০৪ সালে তালা উপজেলা আ’লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০০৬ সালে তালা উপজেলা মহাজোটের সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০১৪ ও ২০১৯সালে আবারও আ’লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। এবং সেই থেকে অদ্যবদি সভাপতি দায়িত্ব পালন করে আসছে।
১৯৮৬, ৯১, ২০০০’র উপনির্বাচন ও ২০০১’র জাতীয় নির্বাচন সহ সকল নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক নির্বাচিত হন। ২০০০ সালের উপনির্বাচনে, ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে ও ২০০৬ সালের ১/১১ স্থগিত নির্বাচনে তিনি তালা কলারোয়া আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনেও মনোনয়ন প্রত্যাশী থাকলেও ২০১৪ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা (তালা-কলারোয়া)-১ আসন থেকে তাকে মনোনয়ন দেন। কিন্তু জোটগত কারবে প্রত্যাহার হরা হয়েছিলো দলীয় সভানেত্রীর নির্দেশে।
২ দিন ২ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আগে
১৩ দিন ১ ঘন্টা ৪৫ মিনিট আগে
১৯ দিন ৫৮ মিনিট আগে
২৩ দিন ৪ ঘন্টা ৪ মিনিট আগে
২৫ দিন ৬ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে
৬৭ দিন ৭ ঘন্টা ২৫ মিনিট আগে