সাতক্ষীরার ৩ নং সরুলিয়া ইউনিয়নের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান কর্তৃক নৌকা ভোটাররা সরকারী সহযোগিতা থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে। চেয়ারম্যানের স্বজনপ্রীতি ও একমুখি নীতির কারনে এলাকাবাসী বয়স্ক ভাতা, মাতৃকালীন ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, টিসিবি সহ বিভিন্ন সরকারী সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সনাতন ধর্মের নৌকার ভোটাররা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন নৌকায় ভোট দিয়ে আসছি। কিন্তু এবার নৌকায় ভোট দিয়ে মহা বিপাকে পড়েছি। ইউনিয়ন পরিষদে গেলে বিদ্রোহী চেয়ারম্যান আব্দুল হাই মিষ্টি মুখে বলে আপনাদের জন্য সব কিছু করবো। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা যায় নৌকার ভোটারদের ন্যার্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করে চেয়ারম্যানের লোকজনকে সেটি দেওয়া হয়েছে। তার প্রমান যারা নৌকা বাদে মটর সাইকেলে ভোট দিয়েছে তাদের সবকিছু ঠিকঠাক হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে নিন্ম আয়ের মানুষের জন্য নির্ধারিত টিসিবির তালিকাও করা হয়েছে স্বজনপ্রীতি ও অর্থের বিনিময়ে। বিভিন্ন সময় গিয়ে দেখা গেছে তিনি ইউনিয়ন পরিষদে থাকেন না। চেয়ারম্যানের অনিয়ম দূর্নীতি এখানেই শেষ নয়। পাটকেলঘাটা গ্রামের মান্নান গুলজারের মেয়ে ভূমিহীন লতা বেগমের সরকারী ঘর ও জমি দেবে বলে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা অবৈধ ভাবে গ্রহন করে। কিন্তু আজকাল করেও তার জমি ও ঘর কোনটি হলো না এমনকি পাওনা টাকাও ফেরত পেলেন না। বাধ্য হয়ে ভূক্তভোগী লতা গত ১৯ শে জানুয়ারী পাওনা টাকা আদায়ের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেছেন। এ বিষয়ে একাধিক পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়েছে।
এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হাইয়ের কাছে টাকা নেওয়া বিষয়ে অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযোগের সত্যতা প্রমানিত হলে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
২ দিন ২ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আগে
১৩ দিন ১ ঘন্টা ৪৫ মিনিট আগে
১৯ দিন ৫৮ মিনিট আগে
২৩ দিন ৪ ঘন্টা ৪ মিনিট আগে
২৫ দিন ৬ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে
৬৭ দিন ৭ ঘন্টা ২৫ মিনিট আগে