অনেক প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ১০ বছর পরে প্রিয় জন্মভূমিতে পা রাখেন বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমদ ।
চট্রগ্রামসহ কক্সবাজারের প্রত্যেক উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা আসেন তাদের প্রিয় নেতাকে একবার চোখের দেখা দেখতে।
সকাল থেকেই নেতার আগমনীতে সেজে ওঠে পুরো কক্সবাজার জেলা।
তিনি কক্সবাজার বিমানবন্দরে আজ সকাল ১১ টায় নেমে জেলা বিএনপির কার্যালয়ে যেতে সময় লাগে প্রাই ১৪০ মিনিট অথচ সেই দূরত্ব ছিল ৫ মিনিটের যাত্রাপথ মাত্র। পথে পথে নেমে আসে পুরো নেতাকর্মীরা। গাছের ডালে, ভবনের বরান্দায়, রাস্তায় এতোই ভিড় যে, গাড়ি চালানো ছিল দায়।’
চকরিয়া হতে কক্সবাজার বিমানবন্দর পর্যন্ত ছিল সালাউদ্দিন আহমদের স্বাগত ব্যানারের গাড়ির বহর। গায়ে বিভিন্ন রঙ বেরংগের মানচি স্টিকার দিয়েও অনেকেই ট্রাকে আনন্দ হৈ হুল্লাট করতে দেখা যাই এসব গাড়ি বহরে।
এই নেতাকে স্বাগত জানাতে উখিয়া থেকে প্রায় ২০০+ গাড়িবহর নিয়ে কক্সবাজার বিমানবন্দরে এসেছিলেন উখিয়া উপজেলা বিএনপি’র অঙ্গ- সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
উখিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরওয়ার জাহান চৌধুরী বলেন, কেন্দ্রীয় নেতা সালাউদ্দিনর জন্য আমরা অনেক আন্দোলন করেছি, সংগ্রাম করেছি। আমিই সর্বপ্রথম ওনার ছবিসহ পোস্টার দিয়েছিলাম। সে পোস্টার লাগানোর সময় কক্সবাজার জেলা আদালত ভবন থেকে কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। অনেক কষ্ট আমরা সবাই করেছি ওনার জন্য। সারা বাংলাদেশের মানুষ যারা গুম খুনের বিরুদ্ধে ছিল তারা সবাই উনার জন্য দোয়া করেছে। আল্লাহ সবার দোয়া কবুল করেছেন। সালাউদ্দিন আহমেদকে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দিয়েছেন।
উখিয়া থেকে প্রায় সাত হাজার নেতাকর্মী সমর্থক যোগ দিয়েছেন সালাউদ্দিনের কক্সবাজার আগমন উপলক্ষে।তিনি কক্সবাজারে প্রত্যাবর্তনকে ইতিহাসে স্মরণীয় ফলক হিসেবে রাখবে উখিয়ার জনগন।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদের আগমন উপলক্ষে উখিয়া উপজেলা বিএনপি আমার নেতা শাহজাহান চৌধুরীর নির্দেশনায় ও কক্সবাজার জেলা বিএনপি’র নির্দেশনায় যৌথ সভায় প্রস্তুতি নিয়েই আজ অসংখ্য নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে কক্সবাজারে এসেছি আমাদের প্রিয় নেতাকে বরণ করে নেওয়ার জন্য ।
জানা যায়, ২০১৫ সালের ১০ মার্চ ঢাকা থেকে নিখোঁজ হন সালাউদ্দিন আহমেদ। পরবর্তী সময়ে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শিলংয়ে ‘উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘোরাফেরা’ করার সময় ওই বছরের ১১ মে তাকে আটক করে শিলং পুলিশ। তার নামে অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলা করা হয়।
তিনি শিলং পুলিশকে জানান, গোয়েন্দা পরিচয়ে ২০১৫ সালের ১০ মার্চ তাকে তার উত্তরার বাসা থেকে তুলে নেওয়া হয়। একটি প্রাইভেটকারে তাকে শিলং নেওয়া হয়। কিন্তু গাড়িটি কোথা থেকে ছেড়েছিল বা গাড়িতে আর কে বা কারা ছিল তা তিনি বলতে পারেননি। সালাহউদ্দিন আহমেদ যখন মেঘালয়ে আটক হন, তখন তিনি বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন। ভারতের জেলে থাকাকালে বিএনপি তাকে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য করে। ২০০১ সালে কক্সবাজার থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।
৭ ঘন্টা ৩০ মিনিট আগে
২ দিন ৪৬ মিনিট আগে
৫ দিন ২২ ঘন্টা ৫৬ মিনিট আগে
৭ দিন ৭ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে
১১ দিন ২ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে
১২ দিন ২৩ ঘন্টা ২৬ মিনিট আগে
১৩ দিন ২০ ঘন্টা ৪৬ মিনিট আগে
১৮ দিন ১৭ ঘন্টা ১ মিনিট আগে