প্রথম কন্যা সন্তানের বাবা হলেন বরিশালের সাংবাদিক জিহাদ রানা ইবিতে সাহিত্য সম্ভার কতৃক সাহিত্য মজলিস ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বরিশালে সবজির দাম কিছুটা কম, চালের দাম কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী ৮ ডিসেম্বর থেকে বরিশালের চরমোনাইতে মাহফিল শুরু ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদে তালতলীর শুঁটকি পল্লীর জেলেদের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কায় মুরাদনগর ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সপ্তম বছরে পদার্পণ ৫ বছরেও চালু হয়নি বরিশালে শতকোটি ব্যয়ের পানি শোধনাগার ধূমপানে সীসার জন্ম অতঃপর মৃত্যু বরিশালে প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে আর্থিক সহায়তা বিতরণ বরিশাল-চট্টগ্রাম রুটে প্রথম ট্রিপেই নৌযান চলাচলে দুর্ভোগে যাত্রীরা বরিশাল র‌্যাব-৮'র অভিযান : অস্ত্র-গোলাবারুদসহ পাঁচ জলদস্যু আটক কুড়িগ্রামে আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস পালন ৫ বছর প্রেম, অত:পর বিয়ের পিঁড়িতে বর-কনে কক্সবাজার বিমানের ধাক্কায় গরু নিহত: বিমানবন্দরে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ শুরু বরিশালে নবাগত ইউএনওকে নবাগত ইউপি চেয়ারম্যানের শুভেচ্ছা ববি’র ১২তম স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াড’র পুরস্কার বিতরণ বরিশালে ২৫ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী আটক হাবিপ্রবির ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২১ প্রকাশিত নতুন গান নিয়ে তরুণ কন্ঠশিল্পী আরিয়ান মেহেদী বরিশালে ইউএনও মুনিবুর রহমানের বদলি, মনিরুজ্জামানের যোগদান

ঝিনাইগাতীতে ১৪ বছর যাবত উল্টে আছে সেতু, সংস্কারের উদ্যোগ নেই

হারুন অর রশিদ দুদু - শেরপুর প্রতিনিধি

প্রকাশের সময়: 22-10-2021 18:10:15

Photo caption :

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার ঘাগড়া কবিরাজপাড়া গ্রামে খালের পাড় সেতুটি ১৪ বছর ধরে মাটি সরে গিয়ে উল্টে আছে। অথচ সংস্কারে কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বাঁশের সাকো দিয়ে পারাপার হচ্ছে ১০ গ্রামের প্রায় ২২ হাজার মানুষ। বারবার জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগকে জানিয়েও এর কোন প্রতিকার পায়নি স্থানীয় এলাকাবাসী। জানা যায়, ২০০৭ সালে ঘাগড়া কবিরাজপাড়া গ্রামে খালের পাড়ে প্রায় ৪০ ফুট লম্বা একটি সেতু নির্মাণ করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। কিন্তু নির্মাণের কয়েক মাস যেতে না যেতেই পাহাড়ি ঢলে সংযোগ সড়কের মাটি পাহাড়ী ঢরে সরে গিয়ে সেতুটি ধ্বসে খালের পানির মাঝখানে পড়ে যায়। এরপর ১৪ বছর পেরিয়ে গেলেও সেতুটি আর পুনঃনির্মাণ করা হয়নি। পরে স্থানীয়রা ওই সেতুর উপর একটি বাঁশের সাকো তৈরি করে যাতায়াত শুরু করেন। কিন্তু বার বার ওই সেতু পাহাড়ী ঢলে ভেঙে যায়। এজন্য প্রতি বছর একটি করে বাঁশের সাকো তৈরি করে পারাপার হচ্ছেন তারা। সেতুটি না থাকায় দুভোর্গ পোহাতে হচ্ছে কবিরাজপাড়া, মন্ডলপাড়া, শাকপাড়া, মাছপাড়া, পটলপাড়া, সরকারপাড়া, তালতলাসহ ১০ গ্রামের প্রায় ২২ হাজার মানুষের। কবিরাজপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সোলাইমান বলেন, ‘ভাই আমরা মেম্বার চেয়ারম্যানদেরকে বলেছি ব্রিজটি ঠিক করার জন্য। কিন্তু কেউ কথা শুনে নাই। এখন পর্যন্ত এভাবেই আছে। আমরা বিভিন্ন সময় সাঁকো বানিয়ে চলাচল করলেও বারবার তা ভেঙে যায়। এখন আবার সাঁকোটি নড়বড়ে হয়ে গেছে। কবে যে ভেঙে পানিতে যায়, চিন্তায় আছি।’ ওই গ্রামের বাসিন্দা হাবিবুল্লাহ বলেন, ‘কয়দিন আগে একজন গরীব মানুষ মাছ নিয়ে সাঁকো পার হতে গিয়ে পানিতে পড়ে গেছিলো। পরে আমরা তাকে পানি থেকে উদ্ধার করি। কিন্তু মাছগুলো পানিতে ভেসে যায়। আর গাড়ির ব্যাটারি নষ্ট হয়ে যায়। বেচারা খুব কান্নাকাটি করছে।’ খালের পাশের বাসিন্দা রোজিনা খাতুন ও হালিম খাতুন জানায়, বাঁশের সাঁকোতে অনেকেই উঠতে ভয় পায়। এজন্য তাদের বাড়ির উঠান দিয়ে পানি পেরিয়ে পাড় হয়। নূর মোহাম্মদ, আজাহার আলীসহ অনেকেই জানান, বিভিন্ন দপ্তরে জানিয়েও কোন সমাধান পায়নি তারা। পাহাড়ী ঢলে ভেঙে যায় সাঁকো। এজন্য প্রতি বছর একটি করে সাঁকো নির্মাণ করেন এলাকাবাসীরা। এই সাঁকো দিয়ে কৃষিপণ্য ও গবাদি পশু পারাপারে কৃষকদের খুব কষ্টে পড়তে হয় বলে জানান তারা। পটলপাড়ার বাসিন্দা রমজান আলী বলেন, ‘আমার ছেলে খালের ওইপাড়ের স্কুলে পড়ে। কয়দিন আগে সাঁকো পার হতে গিয়ে পড়ে গেছিলো। পরে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করেছি। আমার ছেলের মতো মাঝে মধ্যেই এমন ঘটনা ঘটে। তাই ব্রিজটি হলে আমাদের জন্য অনেক ভালো হবে।’ ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ মোজাম্মেল হক বলেন, ‘ওই এলাকার ব্রিজের এমন অবস্থা এটা আমার জানা নেই। আপনার মাধ্যমে জানলাম। আমি শীঘ্রই পরিদর্শন করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবো। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যে নির্দেশনা দিবেন সেটা আমি যথাযথ বাস্তবায়ন করবো।’ ওই সেতু নির্মাণে কত টাকা খরচ হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে কোন তথ্য আমার কাছে নেই। বিষয়টি অনেক আগের।


Tag