গরমে সুস্থ থাকতে প্রতি বেলার খাবার হতে হবে সুষম। অর্থাৎ শর্করা, প্রোটিন, স্নেহ, ভিটামিন, মিনারেল ও পানি থাকতেই হবে। খাদ্য নির্বাচনের সময় খেয়াল রাখতে হবে খাদ্যের ধরনের ওপর।
মৌসুমি ফল খাওয়া ও সংরক্ষণের অভ্যাস করতে পারলে ভিটামিন ও মিনারেলের চাহিদা পূরণ হবে। সেই সঙ্গে দেহে রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে উঠবে।
কাঁঠাল — এতে যে পরিমাণ ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট আছে, তা উচ্চ রক্তচাপ, আলসার, ক্যানসার ও বার্ধক্য প্রতিরোধ করে। পুষ্টিসমৃদ্ধ এই ফল প্রতিদিন যদি কোনো গর্ভবতী ২০০ গ্রাম খান, তাহলে তাঁর ও গর্ভস্থ শিশুর সব পুষ্টির অভাব দূর হবে।
আম — এতে প্রায় ২৫ রকমের ক্যারাটিনয়েড (রঞ্জক) উপকারী ব্যাকটেরিয়া আছে, যা দেহের রোগ প্রতিরোধক্ষমতাকে সবল রাখতে সাহায্য করে।
তরমুজ — এই ফলে ৯২ শতাংশ পানি থাকে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। প্রচুর অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট থাকায় দেহে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
বাঙ্গি — এতে প্রচুর ফলিক অ্যাসিড রয়েছে। কিশোরী, গর্ভবতীদের জন্য খুবই ভালো। রক্তস্বল্পতা দূর করে। প্রচুর পানি থাকায় দেহের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
খাবার হতে হবে নরম; সহজপাচ্য; কম তেল, চর্বি ও মসলাযুক্ত। পান করতে হবে প্রচুর পানি। সূত্র: প্রথম আলো
১২ দিন ১৮ ঘন্টা ৪৭ মিনিট আগে
১৬ দিন ৭ ঘন্টা ৫৯ মিনিট আগে
১৯ দিন ৬ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে
২২ দিন ৭ ঘন্টা ২৭ মিনিট আগে
৩৪ দিন ১৯ ঘন্টা ৫৭ মিনিট আগে
৪৪ দিন ১০ ঘন্টা ৩১ মিনিট আগে
৪৮ দিন ২২ ঘন্টা ৭ মিনিট আগে
৬০ দিন ১৫ ঘন্টা ৪৯ মিনিট আগে