বহুলী ইউনিয়নেকে স্মার্ট ও মডেল ইউনিয়ন গড়ার অঙ্গীকার এস এম রঞ্জুর, উচ্ছ্বসিত এলাকাবাসী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে শপথ নিলেন খলিলুর রহমান বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলার ছুঁইছুঁই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলার ছুঁইছুঁই কেরানিহাটে বিরোধ মীমাংসার বৈঠকেই রক্তপাত, ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল তরুণ হামিমের দোহারে ২৬০ পিছ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ দিনাজপুরে প্রকাশ্য দিবালোকে স্বর্ণের চেইন ছিনতাই এর ঘটনায় ২জন গ্ৰেপ্তার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আঞ্জুমানে হেফাজত ইসলামের কেন্দ্রীয় ইসলাহী আজিমুশ্বান ইজতেমা সফল করতে শ্রীমঙ্গলে মতবিনিময় কুলিয়ারচরে যুবদল নেতা দেলোয়ার হোসেনের ছেলের সুন্নতে খাৎনা অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম আশাশুনিতে ইয়াবাসহ ব্যবসায়ী গ্রেফতার মাদক উদ্ধারে জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই হলেন লাখাই থানার আবু কাউসার। চৌদ্দগ্রামে শিক্ষার্থীদের হাতে চারা তুলে দিল উপজেলা প্রশাসন বিদেশি ঋণ শোধে রেকর্ড, ৫ মাসে পরিশোধ ২০৪ কোটি ডলার লালপুরে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালন ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে, ২৪ ঘন্টায় ৯ জনের মৃত্যু বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সূচি প্রকাশ করল বিসিবি যশোরের বাঘারপাড়ায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপিত ‎মোংলায় স্বাস্থ্যঝুঁকি চরমে: ডেঙ্গু ও হামে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল চার শতাধিক গোয়ালন্দে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপন গোয়ালন্দে শিক্ষকতার পাশাপাশি পেঁপে চাষে সাফল্য দুই বিঘা জমিতে শাহী পেঁপের বাম্পার ফলন, ৫ লাখ টাকা বিক্রির আশা

মাদকে ভাসছে আশাশুনি।

আশাশুনির সর্বত্র মাদকে সয়লাব হয়ে পড়েছে।চলছে রমরমা ব্যবসা।উপজেলার ১১ ইউনিয়নে প্রায় সব গ্রামেই এ ব্যবসা ধারন করছে।এ ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছে স্থানীয় সব প্রভাবশালী মহলের পাশাপাশি প্রশাসনের ব্যক্তিরা।এ মাদক নিয়ন্ত্রনে যাদের দেখার  কথা তারাও আবার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছে।বিশেষ করে পুলিশের সোর্স যারা মাদক উদ্ধার ও মাদক পাচারকারীদের বা ব্যবসায়েিদরর ধরিয়ে দিতে সহয়াতা করে সেই পুলিশের সোর্সরাই এখন মাদক ব্যবসার সাথে জড়িয়ে রয়েছে।পুলিশকে ব্যবহার করে পুলিশের সোসরাই মাদক ব্যবসার সিন্ডেকেট গড়ে তুলেছে।এরা পুলিশের পরোক্ষ সহযোগিতায় মাদক বিক্রয়ও করে থাকে।এসব সোর্সরা মাদক ব্যবসায়ীদের না ধরিয়ে নিরহ ব্যক্তিদের মাদকের মামলার ভয় দেখিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা।জানা গেছে আশাশুনির বুধহাটার বটতলার মোড়,বুধহাটার-পাইথলীর মোড়, বুধহাাটার আমতলার মোড়, শ্বেতপুর,বাহাদুর পুর খেয়াঘাট এখন বসছে মাদকের হাট।হাত বাড়ালেই মিলবে সব রকম মাদক।অথচ বুধহাটায় একটি পুলিশ ফাড়ি থাকলেও তার রয়েছে নিরব ভ’মিকায়।মাঝে মধ্যে দুএকজনকে গ্রেফতার করলেও প্রকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের না ধরে সম্ভ্রান্ত ঘরের সন্তান ,ছাত্রদের হাতকড়া লাগিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা।সন্ধ্যার পর বা রাতে এদের তৎপরতা বাড়ে।নিরাপদে মাদক ক্রয়ের জন্য মাদকসেবীরা ভিড় করে কথিত সোর্সদের কাছে। কেউ প্রতিবাদ করলে তাদের উপর নেমে আসে নির্যাতন ।সম্প্রতি বুধহাটায় এক মাদক বিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষণে অতিঃ পুলিশ সুপার আতিকুল ইসলাম বলেন, পূর্বে আমাদের প্রধান সমস্যা ছিল জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও বেকারত্ব। কিন্তু আজকে প্রধান সমস্যা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে বলা হবে- মাদক। মাদকাসক্ততা কেবল ব্যক্তি নয়, বরং গোষ্ঠিকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। মাদকাসক্ততা রোধে পরিবার সমাজ এখন হিমশিম খাচ্ছে। প্রাচ্যের ঐতিহ্য পারিবারিক বন্ধন এখন ভেঙ্গে পড়েছে, তাই পরিবার দুর্বল হওয়ায় মানকাসক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি উপস্থিত সকলকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, মাদকের সাথে কোন ছাড় নেই। কোন পুলিশ যদি এর সাথে জড়িত থাকে তাহলে আমাদেরকে জানাবেন, সাথে সাথেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ হোক, প্রভাবশালী হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা।সুধী জনদের দাবী এলাকায় প্রকৃত মাদকসেবী ও বিক্রেতাদের তালিকা পুলিশের কাছে রয়েছে। তালিকা অনুযায়ী সাড়াশি অভিযান চালনো হোক ।মিথ্যা কারনে কোন নিরীহ ব্যক্তি বা ছাত্রদের উপর মাদক সেবনের দায় নেমে না আসে সেটাও খেয়াল রাখারও অভিমত প্রকাশ করেছেন।

Tag
আরও খবর