ঝিনাইগাতীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বানিয়াচং মডেল প্রেসক্লাবের মৌসুমি ফল উৎসব অনুষ্ঠিত হরমুজে ফি ব্যবস্থায় ‘বিশেষ’ ছাড় পাবে বন্ধু দেশ : ইরান ১৬ জুলাইকে শহিদ দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ২০২৭ সালের এপ্রিলে কমলাপুর পর্যন্ত চালু হচ্ছে মেট্রোরেল নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মাকে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষককে গলা কেটে হত্যা ফুলবাড়িয়া উপজেলার নতুন সড়ক নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন ‎বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ: সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি নাগেশ্বরীতে বন্যাকবলিত বামনডাঙ্গায় ফ্রি চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ ক্যাম্পেইন আশাশুনিতে এমপির বিশেষ বরাদ্দ হতেবিভিন্ন ব্যবহারিক সামগ্রী বিতরণ শিক্ষায় কারিকুলাম বারবার পরিবর্তন গুরুত্বকে দূরে ঠেলে দেয় ছাত্রদলের তৎপরতায় প্রবেশপত্র পেলেন সুমাইয়া: কৃতজ্ঞতা প্রকাশ হাতিয়ার সঙ্গে সারা দেশের নৌ চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা বেড়াতে নিয়ে মামাতো বোনকে ধর্ষণ, ফুফাতো ভাই গ্রেপ্তার চাঁদার টাকা না পেয়ে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ রংপুরে ইনসাফ-এর বাস্তবায়নে ২০জন দরিদ্র নারীর মাঝে বিনামূল্যে ৪০টি ছাগল বিতরণ আষাঢ়েও কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা নেই, দুশ্চিন্তায় কৃষক বেগমগঞ্জ নিষদ্ধি ছাত্রলীগের মিছিল, গ্রেপ্তার-১ সিএনজি-কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষে মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু

মনের ক্যান্সার

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 17-10-2023 04:17:52 am

© সংগৃহীত ছবি


টেবিলের এক কোনায় থাকা ফুলদানিটি সব সময় পড়ে যায় এবং প্রত্যেকবার একটু একটু করে ভেঙে যাচ্ছে। ধ্বংসের মুখে পতিত হচ্ছে ফুলদানিটি।

দোষ ফুলদানিটির নয়, যে ফুলদানিটি ব্যবহার করছে দোষ তার। কারণ ফুলদানিটি টেবিলের কোণায় না রাখলে তা ধ্বংসের মুখে পতিত হতো না।

আমি মনের ক্যান্সার হিসেবে তুলনা করছি। বর্তমান প্রজন্মের মোবাইল ফোনের অপব্যবহারকে সময়ের স্বাস্থ্যয়ের জন্য মানুষ আবিষ্কার করেছেন মোবাইল ফোন। অথচ মোবাইল ফোন মানুষের সময়কে ক্যান্সারের মতো তিলে তিলে ধ্বংস করে দিচ্ছে। আল ফ্রেড নোবেল- উচ্চু পাহাড় সমতল বানানোর জন্য। ডিনেমাইট আবিষ্কার করেছিলো। কিন্তু কয়েক বছর পর ডিনেমাইট এর ব্যবহার হয় মানব হত্যার প্রক্রিয়ায়। ঠিক মোবাইল ফোন আবিষ্কার ও যেন নোবেল এর ডিনেমাইট আবিষ্কারকে হার মানায়।


মানুষের জীবন পরিধির মূল্যবান বিষয়বস্তুর মধ্যে সময় সর্বশ্রেষ্ঠ মূল্যবান। অথচ মানুষ এই সময়কেই বেশি অপব্যবহার করেন। একটু কষ্টে থাকলেই সুখ হিসেবে মনে করেন ফেসবুকের ই স্টোরিকে। কেউ কোন ভাবে যথার্থ কথা বললেই সুখ খুঁজতে যায় tiktok এর ইমোশনাল ভিডিওতে। আসলেই কি জীবনে সুখ ও স্বাচ্ছন্দ সবাই ফেসবুক মেসেঞ্জার আর টিকটক এর মধ্যে?

উত্তরেঃ হ্যাঁ।

সুখ সেখানে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদেরকে দাস বানিয়ে রেখেছে। প্রত্যহ ঘুম থেকে উঠেই ফেসবুক এর নোটিফিকেশন চেক দিতে হবে। মেসেঞ্জারে কয়টা হাই-হ্যালো এসেছে সেগুলা রিপ্লাই দিতে হবে। বন্ধুদের ছবিতে কমেন্ট করতে হবে। লাইক দিতে হবে একটু বাড়াবাড়ি করতে হবে। নিজের ছবিকে সুন্দর ভাবে এডিট করে অন্যের সামনে তুলে ধরতে হবে। এইতো হল আমাদের বাস্তবতা। আসলে এর মাঝে কি কোন বাস্তবতা আছে?

পাঁচ বছর আগে যে বড় ভাই টা দিনে দুইটা ছবি আপলোড দিত সে বাস্তবতার সন্ধান পেয়ে ভুলে গেছে ফেসবুক নামের শব্দটি কে। যে মেয়েটা messenger এ রিপ্লাইয়ের পর রিপ্লাই দিত আজ সে সংসারের চাপ ও সন্তানদের ঝামেলায় বড্ড ব্যস্ত। এখন ওই বড় ভাই আর আপু বলে জীবনটা তখন প্রাণহীন খেলনার পুতুল ছিল। জীবনটা বড়ই আশ্চর্যের। ফোনের চার্জ শেষ না হলে যেমন ফোনে চার্জ দিতে চায়না ঠিক তেমনি মনটা ক্যান্সারে আক্রান্ত না হলে বুঝতে পারি না কোনটা ভালো ছিল কোনটা মন্দ ছিল। কোনটা ছিল ওষুধ কোনটা ছিল বিষ।

দিনশেষে নিজের হিসাব নিজেই খুজলাম, বের করলাম ফলাফল।

নিজের গলায় নিজে দড়ি লাগিয়ে বললাম হাস লাগলো কেনো?

নিজের বুকে নিজে অস্ত্র চালিয়ে বললাম কলিজা চিরে যায় কেন?

নিজের শ্বাসনালী নিজেই বন্ধ করে বলিলাম দম নিতে পারছি না কেন?

নিজের পায়ে নিজেই শিকল লাগিয়ে বললাম সামনে রাস্তা বন্ধ হয়ে গেল কেন?


লেখক: নাজমুস সাকিল

আরও খবর