নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানাধীন ছয়ানী উচ্চবিদ্যালয়ে এসপি মোঃ শহীদুল ইসলাম কর্তৃক প্রকাশিত "জাগ্রত হোক বিবেকবোধ" বই বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৮ নভেম্বর ) নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানাধীন ছয়ানী উচ্চবিদ্যালয়ে ছয়ানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওহিদুজ্জান এর সভাপতিত্বে "জাগ্রত হোক বিবেকবোধ" বইটি উপস্হিত সুধীজন সহ শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হয়।
বইটির লেখক নোয়াখালী জেলা পুলিশের অভিভাবক পুলিশ সুপার মো: শহীদুল ইসলাম, (পিপিএম-বার), বক্তব্যের শুরুতে উপস্হিত সুধীজন ও শিক্ষার্থীদের সালাম ও অভিবাদন জানিয়ে বলেন, আপনারা সবাই কষ্ট করে এরূপ একটি প্রোগ্রাম আয়োজন করেছেন নিঃসন্দেহে তাহা প্রশংসার দাবী রাখে, তাই আবারও সাধুবাদ জানাচ্ছি। স্কুলে আসা যাওয়ার পথে ছাত্র-ছাত্রীদের যে কোন সময় সুবিধা অসুবিধায় কিংবা অপ্রীতিকর ঘটনা রোধকল্পে নেয়াখালী জেলা পুলিশ সার্বক্ষণিক পাশে থাকবে। ভয় পেলে চলবেনা,ভয়কে জয় করে আমাদের সবাইকে দেশ গঠনে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। আমি কর্ম জীবনে প্রশাসনিক কারণে অনেক ব্যস্ত থাকি তারপরও চেষ্টা করি বই পড়তে এবং লিখতে। ইদানিং অনেকে বই পড়তে চায়না। আমি ছাত্রজীবনে সন্ধ্যা হলে পাবলিক লাইব্রেরীতে গিয়ে বই পড়তাম। এখন অনেক শিক্ষার্থী জানেনা পাবলিক লাইব্রেরী বলতে কিছু আছে। পাঠক তথা উপস্হিত সুধীজন সহ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য পুলিশ সুপার বলেন, বই আমাদের জীবনে চলার পথ দেখায়। বই আমাদেরকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে যায়,বই পড়ে কেউ কখনও দেউলিয়া হয়না।
বই আমাদের শত ব্যস্ততার মাঝেও মনকে প্রশান্তি দেয়। তিনি আরো বলেন, আমি (১০০) টি মোরাল অব দা হিস্ট্রি নিয়ে "জাগ্রত হোক বিবেকবোধ" বইটি লিখেছি, আমি আশা করছি বইটি পড়লে সবার ভালো লাগবে। আমি কথা সাহিত্যিক হুমায়ুন আহমদের অনেক বই পড়েছি এখনও পড়ি। জাগ্রত হোক বিবেকবোধ বইটি সহ অন্যান্য লেখকের বই পড়ে অবসর সময় কাটানোর জন্য পুলিশ সুপার উপস্হিত সকলকে অনুরোধ করেন। সকল শিক্ষার্থীদের প্রত্যেকের মা-বাবা সহ শিক্ষকদের প্রতি সদ-আচরণ, পড়ালেখায় মনোনিবেশ করে মানুষের মত মানুষ হওয়ার জন্য বিভিন্ন দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য প্রদান করেন। পুলিশ সুপার সবাইকে কর্মের মধ্য দিয়ে বেঁচে থাকার অনুরোধ করেন। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র রুখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহব্বান জানান।
এ সময় নোয়াখালী জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মোঃ ইব্রাহিম, বেগমগঞ্জ মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ফরিদুল আলম ও ছয়ানী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আলমগীর হোসেন উপস্হিত ছিলেন।