তারেক রহমান সরকারের দেশ গড়ার প্রচেষ্টায় জোরালো সমর্থন দেবে জাপান নাঙ্গলকোটের হেসাখালে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন নাঙ্গলকোটে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ, সেবায় সন্তুষ্ট উপকারভোগীরা ধামরাইয়ে খাল ভরাট ও গাছ কাটায় বাধা: ৫ দিন পর চিকিৎসাধীন যুবকের মৃত্যু, মামলা হত্যায় রূপান্তর ডোমারে জমির ন্যায্যমূল্যের দাবিতে মানববন্ধন শীতের আগমনে সুস্থ থাকতে প্রয়োজন বাড়তি শরীরচর্চা ও যত্ন এইচএসসির ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন জাতীয় নাঙ্গলকোট বাজার ব্যবসায়ী সংস্থার নির্বাচনে কোষাধ্যক্ষ পদপ্রার্থী জসিম উদ্দিনের গণসংযোগ কুলিয়ারচরে ভিন্ন কর্মসূচীর মাধ্যমে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন নড়িয়ায় জেন্ডার স্টেরিওটাইপ ও নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে কমিউনিটি অ্যাকশন প্রজেক্ট অনুষ্ঠিত ঝিনাইগাতীতে এসআইএল-এর উদ্যোগে শান্তি, সম্প্রীতি ও সহাবস্থান প্রতিষ্ঠায় যুব সেমিনার অনুষ্ঠিত লাখাইয়ে গাঁজাসহ আটক সাইদুলের ৪ মাসের কারাদণ্ড। ঈশ্বরগঞ্জে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত লাখাইয়ে দেশি মাছের সংকট,শুঁটকি উৎপাদনকারীরা বিপাকে ডোমারে হাবিবুল হক দুলাল মাস্টার স্মরণে শোকসভা ডোমারে জেলা প্রশাসকের পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা মোংলায় তেলবাহী ট্যাংকারের ধাক্কায় ডুবল ১২০০ টন কয়লাবোঝাই কার্গো ডোমারে আওয়ামী লীগের ৩ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার রাজবাড়ীতে প্রকাশ্যে যুবকে গুলি আশাশুনিতে নারীর আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি সম্পর্কিত সভা

কক্সবাজার-চট্টগ্রাম রুটে ঈদ স্পেশাল ট্রেনেও ছিল যাত্রীদুর্ভোগ

পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া ঈদ স্পেশাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভোগান্তির অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত সময়ের চেয়ে অনেক দেরিতে গন্তব্যে পৌঁছানোর পাশাপাশি মাঝপথে বারবার থামা, বিদ্যুৎ চলে যাওয়া, ফ্যান বন্ধ থাকা ও নিরাপত্তার অভাবের অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।


 


জানা যায়, গত শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ৫ মিনিটে কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়া ঈদ স্পেশাল ট্রেনটি চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে পৌঁছানোর আগে কমপক্ষে চারবার বিভিন্ন স্থানে থেমেছে। এছাড়া চন্দনাইশে এসে হঠাৎ পুরো ট্রেনের সব বাতি নিভে যায়। যাত্রীদের অভিযোগ, প্রত্যেক স্টেশনে থামার পরও কোন কারণ ছাড়াই মাঝপথে ৩-৪ বার থামে ট্রেনটি। নিয়ম অনুযায়ী রাত ১০টায় পৌঁছানোর কথা থাকলেও তা প্রায় দুই ঘণ্টা দেরিতে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছায়।


কুমিল্লা থেকে কক্সবাজার বেড়াতে আসা এক পর্যটক বলেন, ‘রাত ১১টায় চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লা যাওয়ার জন্য ট্রেনের টিকিট বুকিং করেছি। সাড়ে এগারোটা বাজে, এখনও চট্টগ্রামই পৌঁছাইনি। হয়তো আমাদের ট্রেনটি মিস হয়ে যাবে।’


 


কমিউটার ট্রেনে আসা পর্যটক আজিজা সুলতানা জানান, প্রথমবারের মতো কক্সবাজার-চকরিয়া আসার সময় ট্রেনে উঠে দেখেন এক পাশের ফ্যান সচল। আবার অন্যপাশের ফ্যান অচল। তীব্র গরমে বাচ্চাদের নিয়ে ট্রেনের যাত্রা সত্যিই অসহনীয় ছিল। পরে ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিটের কষ্টকর ভ্রমণ শেষ করে যখন চকরিয়া স্টেশনে পৌঁছান, তখন দেখেন পুরো স্টেশনে ঘুটঘুটে অন্ধকার ও নেই কোন নিরাপত্তা।


 


যাত্রীরা আরও জানান, পুরাতন ট্রেনগুলোতে যান্ত্রিক ত্রুটি বারবার ঘটছে। ট্রেনগুলোতে পর্যাপ্ত সংখ্যক ফ্যান না থাকা, বিদ্যুৎ সরবরাহের সমস্যা এবং নিরাপত্তার অভাব যাত্রীদের জন্য বিরাট ঝুঁকি তৈরি করছে। তারা দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানান।


 


কক্সবাজার রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার গোলাম রাব্বানী জানান, যে ট্রেনগুলো কক্সবাজার টু চট্টগ্রাম রুটে চলাচল করছে তা পুরাতন ট্রেন। এই পুরাতন ট্রেনগুলোতেই যান্ত্রিক ত্রুটি থাকার সম্ভাবনা বেশি। বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যাওয়া ও ফ্যান চলাচলে লোড না নিতে পারা যান্ত্রিক ত্রুটি বা ট্রেন পুরাতন হওয়ার কারণে হতে পারে বলেও জানান তিনি।

Tag
আরও খবর