কোটা ইস্যুতে রোববার সুপ্রিম কোর্টে শুনানি, আশা করি সমাধান আসবে কারফিউয়ের সময়সীমা আরো বাড়ল কারফিউ প্রত্যাহার দাবি বিএনপির, আমির খসরু আটক কোটা আন্দোলনে কারফিউয়ের দিনেও ঢাকাতে ১০ জনের মৃত্যু বাংলাদেশের ছাত্রদের প্রতি সংহতি পশ্চিমবঙ্গে কোটা নিয়ে আপিল শুনানি রোববার চট্টগ্রাম ও রাজশাহী শহরের পরিস্থিতি নরসিংদীর কারাগারে হামলার পর পালিয়েছে আট শতাধিক আসামী শনিবার ঢাকায় কারফিউ-র যে চিত্র দেখা যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর দুই বিদেশ সফর বাতিল বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খান আটক সরকারের কাছে 'আট দফা দাবি' কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের: ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি চলবে নুরুল হক নুরকে আটক করা হয়েছে নাহিদ ইসলাম এখন কোথায়? হাইকোর্টের রায় বাতিল চাইবে রাষ্ট্রপক্ষ: অ্যাটর্নি জেনারেল শনিবার সহিংসতায় মৃত্যু হয়েছে আরো অন্তত সাত জনের কখন ফিরবে ইন্টারনেট সংযোগ - কেউ জানে না রোববার ও সোমবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা কারফিউ দিনে ঢাকায় যে চিত্র দেখা গেছে সাতক্ষীরায় ছাত্রদল নেতার ইন্ধনে থানা ঘেরাওয়ের চেষ্টা!

পেকুয়ায় তরুণীকে ধর্ষণের ৫ দিন পর থানায় মামলা

কক্সবাজারের পেকুয়ায় এক তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় পাঁচ দিন পর অবশেষে থানায় মামলা রুজু হয়েছে। বুধবার দিনগত রাতে একজনকে আসামী করে ভুক্তভোগীর মা পেকুয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন। আসামী তাসরিফ হোছাইন (২০) উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের বাজার পাড়া এলাকার ছাদেক আহমদ এর ছেলে। এছাড়া অজ্ঞাত আরো একজনকে আসামি করা হয়েছে।


মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগী তরুণী পেকুয়া জিএমসি স্কুল থেকে সদ্য এসএসসি পাশ করেছেন। স্কুলে যাওয়া-আসার পথে দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্ত তাসরিফ তাকে উত্যক্ত করে আসছিলো। এর ধারাবাহিকতায় ভুক্তভোগীকে ৫ জুন সন্ধ্যার দিকে সোনালী বাজার এলাকা থেকে অপহরণ করে চট্টগ্রামের একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে ওই তরুণীকে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করে তাসরিফ। এসময় ভুক্তভোগীর নগ্ন ভিডিও ধারণ করে ধর্ষণকারী।


এ ঘটনার পরেরদিন বিবাদী অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মাধ্যমে ওই তরুণীকে মগনামার কাটাফাঁড়ি ব্রিজ এলাকায় ফেলে যান। সেখান থেকে তাকে আত্মীয়-স্বজনেরা উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ভুক্তভোগীর প্রাথমিক মেডিকেল টেস্টে ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায় বলে জানান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এছাড়া কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মোজাম্মেল হোসেন জানান, ভুক্তভোগী তরুণী মানসিকভাবে ট্রমায় ছিলেন তখন। হারাচ্ছিলেন বারবার জ্ঞান।


এদিকে ধর্ষণের ঘটনাটিকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও একটি প্রভাবশালী চক্র চেষ্টা করেছিলেন। ভুক্তভোগীর পরিবারকে তাঁরা চাপও দিয়েছিলেন। পরে সংবাদ মাধ্যমে তা প্রকাশ হলে সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) রাকিব উর রাজা সরেজমিন পরিদর্শন করেন এবং মামলা রুজু করতে নির্দেশ দেন।

এব্যাপারে তিনি জানান, সংবাদ মাধ্যমে জানতে পারলাম এক তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিলো। উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। ভুক্তভোগী পরিবারের জবানবন্দি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।


ভুক্তভোগীর চাচা বলেন, আমাদের মেয়েকে জোর করে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে। পরে এ ঘটনায় স্থানীয় কয়েকজন মেম্বার ও আসামীর প্রভাবশালী স্বজনরা মামলা না করার জন্য আমাদের ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছিলো। মঙ্গলবার পুলিশ অভয় দিলে আমরা থানায় লিখিত এজাহার জমা দিই।


পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত (কর্মকর্তা) ওসি মো. ইলিয়াছ বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত এজাহার পেয়ে মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামীকে ধরতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

Tag