জুনের দুই সপ্তাহে এলো ১৫৪ কোটি ডলার রেমিট্যান্স ঝিনাইগাতীতে গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত সাংবাদিকদের ঐক্যের অঙ্গীকারে নাঙ্গলকোট প্রেসক্লাবের ৩৭ বছর পূর্তি ইসলামী ব্যাংককে আরও ২৫০০ কোটি টাকা বিশেষ ধার দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক শ্রীমঙ্গলে শান্তি বাড়ি ইকো রিসোর্টের উদ্যোগে মৌসুমী ফল উৎসব ও পরিবেশ রক্ষায় সুহৃদ আড্ডা মানবিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে দলীয় সম্পৃক্ততা থাকবে না: অর্থমন্ত্রী দেওয়ানগঞ্জের ডাংধরায় ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন জাবিপ্রবিতে ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নতুন মৎস্য উৎপাদন শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত লাখাইয়ে গ্রাম আদালত এর বার্ষিক ক্যাম্পেইন, সচেতনতা, কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত। খুলনা বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে আশাশুনিতে লিফলেট বিতরণ লোহাগাড়ায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান: ২৩ হাজার ঘনফুট বালু জব্দ, ড্রেজার মেশিন ধ্বংস সাতক্ষীরায় চোরাচালানবিরোধী অভিযানে ৫৫ লাখ টাকার পণ্য জব্দ ‎মোংলায় বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ২০, মহাসড়কে নিরাপত্তা ঝুঁকি ও বিশৃঙ্খলার চিত্র ‎ ঈশ্বরগঞ্জে নকল প্রসাধনী ও বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা জয়পুরহাটে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১ দিনাজপুরে পায়ের রগ কেটে স্বামীকে হত্যা সাবেক স্ত্রী পুলিশ হেফাজতে পরিবেশ রক্ষায় সোচ্চার সাতক্ষীরাবাসী সাতক্ষীরায় শ্যামনগরে ৩৩ লাখ টাকার ফেন্সিডিল জব্দ সাতক্ষীরায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাদকবিরোধী শপথ

আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্চে জোংরা(ফাতলা)

মো. ফরমান উল্লাহ - প্রতিনিধি

প্রকাশের সময়: 28-06-2024 03:37:56 pm


আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য জোংরা(ফাতলা)।  গ্রামের কৃষকদের বৃষ্টির দিনে বৃষ্টি থেকে রক্ষার একমাত্র মাধ্যম ছিল জোংরা(ফাতলা)। এলাকা বেদে ভিন্ন ভিন্ন  নামকরণ হয়ে থাকে। যেমন জোংরা, জুঁইর, ফাতলা, মাতলা ইত্যাদি ইত্যাদি।


আশির দশকের দিকে কৃষকরা বৃষ্টির দিনে এই জোংরা (ফাতলা) মাথায় দিয়ে কৃষি কাজ করতো। আবার হাট-বাজারেও যেত মাথায় দিয়ে। তখনকার সময় রোদ বৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য জোংরা ছিল একমাত্র ভরসা। তখন ছাতার ব্যবহার খুবই কম ছিল। তখন ছাতা ছিল ধনী লোকদের হাতে। গ্রামের সাধারন মানুষ ছাতা ব্যবহার করতো না। কেউ যদি কোন আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যেত তখন পাশের বাড়ির কারো ছাতা থাকলে তার নিকট থেকে চেয়ে নিত। 


জোংরা তৈরী হতো গাব পাতা বা বট পাতা দিয়ে। মাঝে মাঝে পলিথিন দিয়েও তৈরী করা হতো। তখন কিন্তু মানুষে পলিথিন ও বেশী চিনতো না। তারা পলিথিনকে বলতো সারের কাগজ। ইউরিয়া সারের বস্তার ভিতর যে সাদা পলিথিনের প্যাকেট থাকতো তাকে গ্রামের সাধারন মানুষ সারে কাগজ বলতো।


বর্তমানে আধুনিক যুগ। এখন প্রত্যেক পরিবারে জন প্রতি বাহারী রঙের ছাতা ব্যবহার করছে। ছাতার উৎকর্ষতায় হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার এতিহ্যবাহি জোংরা বা ফাতলা। এক সময়ের অতি প্রয়োজনীয় জোংরা নামে কোন কিছু ছিলো তা নতুন প্রজন্ম  চিনে না। অদূর ভবিষ্যতে হয়তো জোংরা নাম একেবারে মুছে যাবে যা আর কোন দিন কেউ চিনবে না।

আরও খবর






6a2d0215dbe7f-130626010909.webp
মে মাসে সড়কে প্রাণ গেছে ৬২২ জনের

২ দিন ১৬ ঘন্টা ১২ মিনিট আগে