দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের ব্রেইল হিফজ থেকে গৃহহীনদের আবাসন, মানবসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত 'নাজাত ইসলামী মারকাজ' ‎যান্ত্রিক ত্রুটি কাটিয়ে উৎপাদনে ফিরেছে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট শৈলকুপায় ওপেন হাউজ ডে ও সুধী সমাবেশ পীরগাছায় সরকারি সড়কের তালগাছ কাটার অভিযোগ, প্রতিবাদে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ" "অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে অংশ নিন" শ্লোগানে শৈলকুপা ওপেন হাউজ ডে ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত দূর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষ্যে শৈলকুপায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও ভক্তদের নিরাপত্তা বিষয়ক মতবিনিময় সভা শ্যামনগরে সুন্দরবন সুরক্ষার অঙ্গীকার দোহাজারীতে ট্রেনের ধাক্কায় নিহত ২, আহত ২ দোহাজারীতে ট্রেনের ধাক্কায় নিহত ২, আহত ২ জয়পুরহাটে ১ম কমিউনিটি পুলিশিং কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত সুন্দরগঞ্জে তিন ককটেল বিস্ফোরণ, এলাকায় আতঙ্ক। সেনবাগ থানার ওসি দাওয়াত খাওয়ার ঘটনায় প্রত্যাহার কুতু্বদিয়ায় ১২ ঘন্টা পর বিদ্যুতের হাসি শীঘ্রয় শুরু হচ্ছে কুতু্বদিয়ায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ রামদী ইউনিয়ন শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন দক্ষিণ ধুরুং ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় সিরাজুল মোস্তফা চৌধুরী লালপুরে পুকুরে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু কুলিয়ারচরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দোকানে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট, আহত-২ মিরসরাইয়ে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা শ্রীমঙ্গলে 'আশ শিফা হিজামা-পলিপাস এন্ড অর্গানিক শপ'-এর শুভ উদ্বোধন

আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্চে জোংরা(ফাতলা)

মো. ফরমান উল্লাহ - প্রতিনিধি

প্রকাশের সময়: 28-06-2024 03:37:56 pm


আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য জোংরা(ফাতলা)।  গ্রামের কৃষকদের বৃষ্টির দিনে বৃষ্টি থেকে রক্ষার একমাত্র মাধ্যম ছিল জোংরা(ফাতলা)। এলাকা বেদে ভিন্ন ভিন্ন  নামকরণ হয়ে থাকে। যেমন জোংরা, জুঁইর, ফাতলা, মাতলা ইত্যাদি ইত্যাদি।


আশির দশকের দিকে কৃষকরা বৃষ্টির দিনে এই জোংরা (ফাতলা) মাথায় দিয়ে কৃষি কাজ করতো। আবার হাট-বাজারেও যেত মাথায় দিয়ে। তখনকার সময় রোদ বৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য জোংরা ছিল একমাত্র ভরসা। তখন ছাতার ব্যবহার খুবই কম ছিল। তখন ছাতা ছিল ধনী লোকদের হাতে। গ্রামের সাধারন মানুষ ছাতা ব্যবহার করতো না। কেউ যদি কোন আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যেত তখন পাশের বাড়ির কারো ছাতা থাকলে তার নিকট থেকে চেয়ে নিত। 


জোংরা তৈরী হতো গাব পাতা বা বট পাতা দিয়ে। মাঝে মাঝে পলিথিন দিয়েও তৈরী করা হতো। তখন কিন্তু মানুষে পলিথিন ও বেশী চিনতো না। তারা পলিথিনকে বলতো সারের কাগজ। ইউরিয়া সারের বস্তার ভিতর যে সাদা পলিথিনের প্যাকেট থাকতো তাকে গ্রামের সাধারন মানুষ সারে কাগজ বলতো।


বর্তমানে আধুনিক যুগ। এখন প্রত্যেক পরিবারে জন প্রতি বাহারী রঙের ছাতা ব্যবহার করছে। ছাতার উৎকর্ষতায় হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার এতিহ্যবাহি জোংরা বা ফাতলা। এক সময়ের অতি প্রয়োজনীয় জোংরা নামে কোন কিছু ছিলো তা নতুন প্রজন্ম  চিনে না। অদূর ভবিষ্যতে হয়তো জোংরা নাম একেবারে মুছে যাবে যা আর কোন দিন কেউ চিনবে না।