৩৬ থেকে ৪০ ডিগ্রিতে উঠতে পারে তাপমাত্রা দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডে এবার এসএসসি পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৮১ হাজার ৮৫৪ জন ঝিনাইগাতীতে নবনির্বাচিত এমপির সাথে দপ্তর প্রধানদের মতবিনিময় সভা বগুড়ায় তিন মাদক কারবারির জেল-জরিমানা রায়পুরে জমি নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ, বসতবাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট, আহত ৭ রায়পুরে জমি নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ, বসতবাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট, আহত ৭ উৎসর্গ ফাউন্ডেশন পলাশ উপজেলা শাখার উদ্যোগে বিনা মূল্যে ব্লাডগ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি বাড়িতে আগুন, ঘরের মেঝে থেকে ‌স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার ঘাটাইলে সড়ক দূর্ঘটনায় গোপালপুরের দুজন নিহত ঝিনাইগাতীতে কারিতাস সীডস প্রকল্পের আয়োজনে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত শার্শায় ৪ টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা কুলিয়ারচর মাদক বিরোধী অভিযানে দুই কেজি গাঁজা সহ একজন আটক দেশের ১৩তম সিটি করপোরেশন হিসেবে বগুড়ার যাত্রা শুরু: উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী হাম-রুবেলার টিকাদান শুরু : লক্ষ্যমাত্রা ১ কোটি ৮০ লাখ শিশু সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে সংরক্ষিত এলাকায় প্রবেশ নিয়ে প্রশ্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও চলবে টিকাদান লালপুরে অবৈধ মাটি খননের অপরাধে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা কচুয়ায় রাগদৈল ইমাম মেমোরিয়াল দ্বিমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ে এস এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা প্রবাসীর ২০ লাখ টাকা নিয়ে পরকীয়া প্রেমিকের হাত ধরে স্ত্রী উধাও: নিখোঁজ ৮ বছরের শিশু সকাল ৯টার মধ্যে ৩ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস

আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্চে জোংরা(ফাতলা)

মো. ফরমান উল্লাহ - প্রতিনিধি

প্রকাশের সময়: 28-06-2024 03:37:56 pm


আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য জোংরা(ফাতলা)।  গ্রামের কৃষকদের বৃষ্টির দিনে বৃষ্টি থেকে রক্ষার একমাত্র মাধ্যম ছিল জোংরা(ফাতলা)। এলাকা বেদে ভিন্ন ভিন্ন  নামকরণ হয়ে থাকে। যেমন জোংরা, জুঁইর, ফাতলা, মাতলা ইত্যাদি ইত্যাদি।


আশির দশকের দিকে কৃষকরা বৃষ্টির দিনে এই জোংরা (ফাতলা) মাথায় দিয়ে কৃষি কাজ করতো। আবার হাট-বাজারেও যেত মাথায় দিয়ে। তখনকার সময় রোদ বৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য জোংরা ছিল একমাত্র ভরসা। তখন ছাতার ব্যবহার খুবই কম ছিল। তখন ছাতা ছিল ধনী লোকদের হাতে। গ্রামের সাধারন মানুষ ছাতা ব্যবহার করতো না। কেউ যদি কোন আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যেত তখন পাশের বাড়ির কারো ছাতা থাকলে তার নিকট থেকে চেয়ে নিত। 


জোংরা তৈরী হতো গাব পাতা বা বট পাতা দিয়ে। মাঝে মাঝে পলিথিন দিয়েও তৈরী করা হতো। তখন কিন্তু মানুষে পলিথিন ও বেশী চিনতো না। তারা পলিথিনকে বলতো সারের কাগজ। ইউরিয়া সারের বস্তার ভিতর যে সাদা পলিথিনের প্যাকেট থাকতো তাকে গ্রামের সাধারন মানুষ সারে কাগজ বলতো।


বর্তমানে আধুনিক যুগ। এখন প্রত্যেক পরিবারে জন প্রতি বাহারী রঙের ছাতা ব্যবহার করছে। ছাতার উৎকর্ষতায় হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার এতিহ্যবাহি জোংরা বা ফাতলা। এক সময়ের অতি প্রয়োজনীয় জোংরা নামে কোন কিছু ছিলো তা নতুন প্রজন্ম  চিনে না। অদূর ভবিষ্যতে হয়তো জোংরা নাম একেবারে মুছে যাবে যা আর কোন দিন কেউ চিনবে না।

আরও খবর