আক্কেলপুরে মাসুম বিল্লাহ হত্যার বিচার দাবিতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশনের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ লাখাইয়ে ৩৭ ঘন্টা পর নিখোঁজ ভারসাম্যহীন ফখরুদ্দিনের লাশ উদ্ধার,গ্রেফতার -০২। নাগেশ্বরী উপজেলা ছাত্রদলকে সুসংগঠিত করে মানবিক রাজনীতি করতে চান আকাশ জমি বিরোধে থানায় লিখিত অভিযোগ ক্ষেতলালে পানির দামে কুরবানি পশুর চামড়া বিক্রি ক্ষেতলালে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে শ্যালক-দুলাভাই নিহত, আহত ১ ক্ষেতলালে একদিনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২, শিশুকে অপহরণ করে হত্যাচেষ্টা, আত্মহত্যায় ২ নারীর মৃত্যু বুধহাটা দ্বাদশ শিব ও কালী মন্দির পরিদর্শনে এমপি হাফেজ রবিউল বাশার সহায়তার নামে প্রতারণা, হাতিয়ে নেওয়া প্রায় ২ কোটি টাকা ফেরত পেতে আবারও মামলা নাগেশ্বরী ব্লাড ব্যাংক আয়োজনে তৃষ্ণার্ত মানুষদের মাঝে শরবত বিতরণ করা হয় না ফেরার দেশে চলে গেলেন সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বেনাপোলে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা নস্যাৎ, সীমান্তে হাই অ্যালার্ট ‎দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে রেল যোগাযোগে আসছে নতুন গতি: চালু হচ্ছে নতুন ট্রেন দিনাজপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত চৌদ্দগ্রামে মাত্র ৬ ঘন্টার ব্যবধানে পানিতে ডুবে ৩ শিশুর মৃত্যু শাজাহানপুরে মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকার, অভিযুক্ত গ্রেফতার !! দিনাজপুরে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্ব বিশ্ব দুগ্ধ দিবস পালিত মঠবাড়িয়ায় উদ্ধারকৃত দুই মরদেহের রহস্য উদঘাটন, মামালা দায়ের জয়পুরহাটে ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-২ আহত-১ ঝিনাইগাতীর ভালুকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে জলাবদ্ধতা নিরসন ও রাস্তা উন্মুক্তের দাবিতে মানববন্ধন

কোটা বৈষাম্যের বিরুদ্ধে সিলেটে শিক্ষার্থীদের ১ দফা আন্দোলন


সকল গ্রেডে অযৌক্তিক ও বৈষাম্যেমুলক কোটা বাতিল করে সংবিধানে উল্লিখিত অগ্রসর গোষ্ঠী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন (প্রতিবন্ধীদের) জন্য কোটাকে ন্যূনতম পর্যায়ে এনে সংসদে বিল পাস করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। সিলেটে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আয়োজনে ১৪ জুলাই রবিবার সন্ধ্যা ৭টায় নগরীর চৌহাট্টাস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে মশাল মিছিল বের হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কোর্ট পয়েন্টে এক বিক্ষোভ সমাবেশে মিলিত হয়। এম.সি কলেজের শিক্ষার্থী তানজিনা বেগমের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাকিব আহমদ, এম.সি কলেজের আয়শা আক্তার, লিডিং ইউনিভার্সিটির বুশরা সুহাইল, সিলেট সরকারি কলেজের সানি, সরকারি মদনমোহন কলেজের আল মাহমুদ, রাজু আহমদ, মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সির মাশরুখ জলিল প্রমুখ সহ সিলেট বিভিন্ন কলেজ ও বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃন্দ। সমাপনী বক্তব্যে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সির শিক্ষার্থী তারেক আহমেদ বলেন, কোটা সংস্কারের ১ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আমরা সিলেটের জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসানের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছি। স্মারকলিপিতে সংসদে জরুরি অধিবেশন ডেকে সরকারি চাকরির সকল গ্রেডে শুধুমাত্র পিছিয়ে পড়া/ অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য ন্যূনতম (সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ) আইন পাস এবং দেশের বিভিন্ন জায়গায় আন্দোলন কালে যে মামলা করা হয়েছে তা তুলে নেয়ার দাবী জানানো হয়েছে। আমাদের দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা তাদের বক্তব্যে বলেন, আমাদের সর্বজনশ্রদ্ধেয় মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধে অংশগ্রহণকালে ব্যক্তিগত কোনো সুবিধা চেয়েছিলেন কিনা জানিনা। দেশ স্বাধীন করার পর স্বাভাবিক নাগরিক সুবিধা ব্যতিরেকে বাড়তি কোনো সুবিধা চেয়েছিলেন, এমনটি কোথাও পাই নি আমরা। এমনকি জীবিত আছেন এমন হাতেগোনা মুক্তিযোদ্ধারাও বাড়তি সুবিধা দাবি করছেন, এমন কিছু শুনছিও না আমরা। আমরা ইতিহাস পড়ে, জেনে, শুনে এতটুকু নিশ্চিত যে, এ ভূ-খন্ডের উপর তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের করা নানান সীমাহীন বৈষম্য আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে ওনারা যুদ্ধে গিয়েছেন, জীবনবাজি রেখে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। আমরা তাদের সম্মান করি, তাদের যেকোনো সময়ের অসচ্ছলতা, অসুস্থতা, দুর্বলতার প্রেক্ষিতে সহযোগিতার হাত বাড়াতে চাই, তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে চাই। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সরকার তাদেরকে ও তাদের পরিবারের পাশে থেকেছে, বিপদে-আপদে সহযোগিতা করছে। বর্তমান সরকারের আমলে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা আরও সম্মানজনক অবস্থানে এসেছে। চিকিৎসা সহ জীবনধারণের প্রয়োজনে বাড়তি আরও সুবিধা সংযুক্ত হয়েছে। এমতাবস্থায়, চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা কিসের প্রেক্ষিতে, কোন স্বার্থে? এখন না মুক্তিযোদ্ধারা চাকরির প্রতিযোগিতায় নামবে, না তার ছেলেমেয়েরা চাকরিতে প্রতিযোগিতা করবে? ৩য় প্রজন্ম তথা নাতি-পুতিদের জন্য কোটাকে ‘মুক্তিযোদ্ধা কোটা’ নাম দেওয়া কি আদৌ মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সম্মানজনক দেখায়? এটাকে ‘মুক্তিযোদ্ধা কোটা’ বলে মুক্তিযোদ্ধাদের করুণা/ দীন-দক্ষিণার পাত্র না করে কষ্ট করে ‘নাতি-পুতি কোটা’ নামে প্রচার করুন। এতে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ আর মুক্তিযোদ্ধারা অসম্মানের হাত থেকে রেহাই পাবে অন্তত। এই অস্বাভাবিক কোটা ব্যবস্থা কত প্রজন্ম পর্যন্ত, কত বছর পর্যন্ত চলবে? এই কোটা কি এখন বৈষম্যের পর্যায়ে চলে যায়নি? এই কোটা ব্যবস্থার আড়ালে কি এখন অযোগ্য, অথর্বরা বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে না? আমরা সিলেটের সাধারণ শিক্ষার্থীরা সবসময় বৈষম্যমূলক কোটার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছি। ১৮ তে আমরা ছিলাম, ২৪ সালেও আমরা রাজপথে আছি ইনশাআল্লাহ। এই দেশে সরকারী চাকরির ক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য থাকবে না। আমরা এবং আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম তাদের বাপ দাদার কোটায় চাকরী নয় তারা যেনো মেধার ভিত্তিতে চাকরী পায়।

আরও খবর