নোয়াখালীর সেনবাগে বাপেক্সের মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন প্রকল্প ; আড়াই মাসের মধ্যে মিলতে পারে চূড়ান্ত ফলাফল নবম পে স্কেলের সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন অর্থমন্ত্রী দোহাজারীতে টিকটক ভিডিওর সময় ট্রেন কাটা পড়ে গুরুতর আহত যুবক, নওগাঁর পোরশায় কাতকইল বিলপাড়া গ্রামে মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ২ যুবকের মৃত্যু শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ভাতিজার লাঠির আঘাতে চাচির মৃত্যু সরকারি কর্মচারীকে মারধর : আইনশৃঙ্খলা বৈঠক অভিযুক্তদের সতর্ক করলেন ইউএনও নোয়াখালীতে নতুন গ্যাস কূপের খনন শুরু, মিলতে পারে দৈনিক ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মৌলভীবাজার জেলা যুব মজলিসের দায়িত্বশীল সভা অনুষ্ঠিত লোহাগড়ায় পাটের সুদিন: চাষীদের তুঙ্গস্পর্শী ব্যস্ততা ও ভালো দামের আশা স্বামীর পরকীয়ার সন্দেহে গৃহবধূর মৃত্যু, পরিবারের দাবি শ্বাসরোধে হত্যা বালিয়াডাঙ্গী প্রেসক্লাবের নিজস্ব অস্থায়ী কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন দোহাজারীতে ট্রেনে কাটা পড়ে যুবকের দুই পা ও এক হাত বিচ্ছিন্ন বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত বাঘ সংরক্ষণে সকলকে ভূমিকা রাখার আহব্বানে শ্যামনগরে বিশ্ব বাঘ দিবস পালিত ‎ ‎বিশ্ব বাঘ দিবসে সুন্দরবনের অস্তিত্ব রক্ষায় বাঘ সংরক্ষণের আহ্বান গোয়ালন্দে চালককে অজ্ঞান করে অটোরিকশা ছিনতাই।। চক্রের দুই সদস্যকে কুষ্টিয়া হতে গ্রেফতার ৫২ পিস ইয়াবাসহ পাংশায় মাদক কারবারি গ্রেপ্তার পবিপ্রবিতে উদ্ভাবিত চারা উপহার দিতে ব্যতিক্রমী আয়োজনে নবীনদের বরণ র‌্যাব-১৫ এর ঝটিকা অভিযানে ৩টি দেশীয় একনলা বন্দুক ও ৩টি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার। গলাচিপায় ফ্যামিলি শুমারির নিয়োগ পরীক্ষায় বিশৃঙ্খলা ও অনিয়মের অভিযোগ

খালেদা জিয়ার মতো গণতন্ত্রের জন্য এত লড়াই সংগ্রাম আর কেউ করেনি - ব্যারিস্টার মীর হেলাল

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আয়োজিত দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।





বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধু বাংলাদেশের নেত্রী নন। এই উপমহাদেশে তিনি সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী। নারী নেত্রীদের মধ্যে বিশ্বে গণতন্ত্রের জন্য এত লড়াই সংগ্রাম আর কেউ করেনি। আমাদের নেত্রী রাজনীতিতে এত সহনশীলতার পরিচয় দিয়েছেন, যা অন্য কেউ করেনি। অথচ শেখ হাসিনার অবৈধ সরকার তাকে অন্যায়ভাবে বন্দি করে দেশের গণতন্ত্রকে বন্দি করে রেখেছিলো। কিন্তু ছাত্র জনতার গণআন্দোলনের মুখে দেশ আবার নতুন করে স্বাধীন হওয়ার পর দেশের জনগণের কাছে আজ খালেদা জিয়া ও গণতন্ত্র আজ যেন সমার্থক। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি গণতন্ত্রের মুক্তি। গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার সংগ্রামের আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ফলে ফ্যাসিস্ট, তাঁবেদার সরকারকে হটিয়ে জনগণের বাক স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম সফল হয়েছে।

তিনি শুক্রবার (১৬ আগষ্ট) বাদে আসর কাজীর দেউরী নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয় সংলগ্ন জামে মসজিদে বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

দোয়া মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘায়ু, শারীরিক সুস্থতা ও রোগমুক্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পাশাপাশি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোসহ মৃত্যুবরণকারী নেতাকর্মীদের রুহের মাগফেরাত কামনা এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও অসুস্থ নেতাকর্মীদের রোগমুক্তি কামনা করে দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন জামে মসজিদে খতিব মাওলানা এহসানুল হক।

এতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির শ্রম সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দীন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ ও সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান।

এসময় এরশাদ উল্লাহ বলেন, ২০১৮ সালে পতিত স্বৈরাচার হাসিনার অবৈধ সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে মিথ্যা মামলায় অন্যায়ভাবে বেগম খালেদা জিয়াকে নির্জন কারাগারে পাঠিয়ে উনার জীবন মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছেল। শুধু ফরমায়েশি সাজা দিয়ে তাকে আটক রাখা হয়নি, তার প্রাপ্য জামিনের অধিকার কেড়ে নিয়ে অন্যায়ভাবে কারাগারে বন্দি রেখেছিল। কারাগারে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শর্ত সাপেক্ষে অবৈধ সরকার তার সাজা ৬ মাসের জন্য স্থগিত করে তাকে প্রকারান্তরে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছিলো। উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকরা তাকে বিদেশে উন্নত বিশেষায়িত হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করানোর সুপারিশ করলেও, সরকার তাকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে দেয়নি।

নাজিমুর রহমান বলেন, বেগম খালেদা জিয়া জনগণের কল্যাণে, অধিকার আদায়ে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় নিরন্তরভাবে লড়াই করে চলেছেন। তার আপোষহীন নেতৃত্বের কারণেই ৯০ সালে স্বৈরাচারের পতন হয় এবং সংসদীয় গণতন্ত্রের নবযাত্রা শুরু হয়েছে। পরবর্তীতে জনগণের বিপুল রায়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে তিনি স্বৈরাচারের ধ্বংসস্তূপের ওপর আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের যাত্রা শুরু করেছিলেন।

এতে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি নেতা আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, সৈয়দ আজম উদ্দিন, এস কে খোদা তোতন, হারুন জামান, শফিকুর রহমান স্বপন, ইকবাল চৌধুরী, এস এম আবুল ফয়েজ, কাজী বেলাল উদ্দিন, ইস্কান্দার মির্জা, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, আনোয়ার হোসেন লিপু, মো. কামরুল ইসলাম, কোতোয়ালি থানা বিএনপির সভাপতি মন্জুর রহমান চৌধুরী, চান্দগাঁও থানা বিএনপির সভাপতি মো. আজম, বন্দর থানা বিএনপির সভাপতি হানিফ সওদাগর, চকবাজার থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুর হোসাইন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, তাতীদলের আহবায়ক মনিরুজ্জামান টিটু, জাসাসের আহবায়ক এম এ মুছা বাবলু, সদস্য সচিব মামুনুর রশীদ শিপন, ছাত্রদলের সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম তুহিন, মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব এড. আবদুল আজিজ প্রমূখ।  

আরও খবর