ঝিনাইগাতীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বানিয়াচং মডেল প্রেসক্লাবের মৌসুমি ফল উৎসব অনুষ্ঠিত হরমুজে ফি ব্যবস্থায় ‘বিশেষ’ ছাড় পাবে বন্ধু দেশ : ইরান ১৬ জুলাইকে শহিদ দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ২০২৭ সালের এপ্রিলে কমলাপুর পর্যন্ত চালু হচ্ছে মেট্রোরেল নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মাকে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষককে গলা কেটে হত্যা ফুলবাড়িয়া উপজেলার নতুন সড়ক নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন ‎বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ: সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি নাগেশ্বরীতে বন্যাকবলিত বামনডাঙ্গায় ফ্রি চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ ক্যাম্পেইন আশাশুনিতে এমপির বিশেষ বরাদ্দ হতেবিভিন্ন ব্যবহারিক সামগ্রী বিতরণ শিক্ষায় কারিকুলাম বারবার পরিবর্তন গুরুত্বকে দূরে ঠেলে দেয় ছাত্রদলের তৎপরতায় প্রবেশপত্র পেলেন সুমাইয়া: কৃতজ্ঞতা প্রকাশ হাতিয়ার সঙ্গে সারা দেশের নৌ চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা বেড়াতে নিয়ে মামাতো বোনকে ধর্ষণ, ফুফাতো ভাই গ্রেপ্তার চাঁদার টাকা না পেয়ে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ রংপুরে ইনসাফ-এর বাস্তবায়নে ২০জন দরিদ্র নারীর মাঝে বিনামূল্যে ৪০টি ছাগল বিতরণ আষাঢ়েও কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা নেই, দুশ্চিন্তায় কৃষক বেগমগঞ্জ নিষদ্ধি ছাত্রলীগের মিছিল, গ্রেপ্তার-১ সিএনজি-কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষে মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু

কিশোরগঞ্জে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে কদম ফুল


নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন পাড়া মহলার আনাচে কানাচে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে কদম ফুল। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা এই কদম ফুলের মুগ্ধতায় পরিপূর্ণ যেন গ্রাম- গঞ্জ। ষড়ঋতুর বর্ষা এক অনন্য ঋতু। এই ঋতুটি আসার আগেই কদম ফুল যেন জানিয়ে দেয় আগমণী বার্তা।


প্রকৃতিতে এখন চলছে বর্ষাকাল। কিশোরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার পথে- প্রান্তরে কদম গাছগুলো ভরে উঠেছে ফুল ফলে। সরেজমিনে দেখা গেছে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার ধারে কিংবা বাড়ির উঠানে অসংখ্য কদম গাছ।সেই কদম গাছের ডালে ডালে ফুল ফলে ভরপুর। এ যেন আবহমান বাংলার বর্ষা বরণের প্রাকৃতিক আয়োজন।


বিভিন্ন সড়কের পাশে এখন হলুদ আর সাদায় সেজেছে সর্বত্র। বিভিন্ন স্থানে দেখা মিলছে কদম ফুলের। গাছের ডালে ডালে সবুজ পাতার আড়ালে ফুটে অসংখ্য কদম ফুল।স্থানীয় ভাবে জানা যায়, আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে কদম গাছে ভরে যায় ফুল ফলে।আর প্রকৃতিতে মৌ মৌ গন্ধে পিপাসুদের তৃপ্তি এনে দেয়। কোমলমতি শিশুরা কদম ফুলে হেসে খেলে আনন্দে মেতে উঠেন।এমনকি তরুণ-তরুণীরা কদম ফুল তাদের প্রিয়জনকেও উপহার দেয়।


মেয়েরা খোঁপায়ও বেধে থাকে অনেক সময়। তবে কদম গাছের বাণিজ্যিক মূল্য কম হওয়ায় এ গাছের সংখ্যাও কমে আসছে ধীরে ধীরে। অনেকেই কদম গাছ কেটে রোপণ করেছেন লাভজনক কোনো গাছ। কদম গাছ কমে যাওয়ায় এখন মানুষ ঐতিহ্য ভুলতে বসেছে।


সবাই এখন বাড়ির আঙ্গিনায় ফলমূল ও ফুলের গাছ লাগাচ্ছে। যার ফলে হারিয়ে যেতে বসেছে কদম ফুলের গাছ।উপজেলার বাহাগিলী ইউনিয়নের দক্ষিণ দুরাকুটির গাছ প্রেমী আনছার আলী জানান, বাংলার হাজার ফুলের মধ্যে কদমের সৌন্দর্য অন্যতম। ব্যক্তি পর্যায় ছাড়াও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার ও সরকারি-বেসরকারি জায়গায় কদম গাছ লাগানো প্রয়োজন। তাহলে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও প্রকৃতির সৌন্দর্য রক্ষায় কদমগাছ রোপণ ও এর রক্ষণাবেক্ষণ জরুরি। একই এলাকার আরিফুর রহমান জানান, ছোটবেলায় বর্ষাকালে খেলার অন্যতম উপকরন ছিলো কদমফুল। ফুলের সৌন্দর্য আমাকে মুগ্ধ করে। বর্ষাকালে পথে প্রান্তরে প্রচুর পরিমাণে কদম ফুলের দেখা মিলতো যা ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায় প্রত্যেক বাড়ির আঙিনায় একটি করে কদম গাছ লাগানো জরুরি। তিনি আরও জানান, কদম ফুল শুভ্রতার প্রতীক। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সংস্কৃতি ঐতিহ্য রক্ষায় কদম ফুলের অবদান রয়েছে। গন্ধে, বর্ণে, সৌন্দর্যে ও ঔষধি গুণে কদমগাছ পরিপূর্ণ হলেও কালের বিবর্তনে হ্রাস পাচ্ছে কদম গাছের সংখ্যা। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সব ধরনের গাছ রোপণ সরকারের পাশাপাশি সামাজিকভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।

আরও খবর