লোহাগাড়ায় মাটি খেকোদের দৌরাত্ম, হুমকির মুখে উর্বর কৃষিজমি ও পাহাড়ি পরিবেশ পলাশে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সমাবেশ ‎ নোয়াখালীর হাতিয়া রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ মুক্তি পেলেন অভিনেতা সিদ্দিক বাংলাদেশকে বন্ধুহীন করতে অতীতের মতো ষড়যন্ত্র চলছে : প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের বকেয়া অর্থ পরিশোধ বাধ্যতামূলক: গুতেরেস চাকরি চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্য সুখবর যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব পাঠাল ইরান সারাদেশে মহান মে দিবস পালিত নাগেশ্বরীতে হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের মে দিবস পালন: অধিকার আদায়ের অঙ্গীকার বন্ধ কলকারখানা চালু ও শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর সরকার: যশোরে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত চিলমারীতে অবশেষে "চাঞ্চল্যকর শিশু আয়শা সিদ্দিকা" হত্যার মুল আসামি গ্রফতার ঝিনাইগাতীর গজনী অবকাশ কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, আহত ২ ঝিনাইগাতীতে মহান মে দিবস ও পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস উদযাপন লালপুরে মে দিবস পালিত শ্রমিকদের অধিকার প্রশ্নে বিএনপি আপোষহীন : এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু কুতু্বদিয়ায় ২৫ টি অটোরিকশা পুড়ে ছাই মহান মে দিবসে শান্তিগঞ্জে র‍্যালি ও আলোচনা সভা জয়পুরহাটে নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে মহান মে দিবস পালিত তেলের সংকটে বদলে যাচ্ছে চাষের ধরণ—শিবচরে ‘বিনা চাষে পাট’ নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত

বেকসুর খালাস পেলেন জাকির খান

ব্যবসায়ী নেতা সাব্বির আলম খন্দকার হত্যা মামলায় সাবেক ছাত্রদল নেতা জাকির খানকে বেকসুর খালাস প্রদান করেছে আদালত।

মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সাড়ে ১১টার দিকে এই রায় পড়ে শোনানো হয়। অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালত মমিনুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. কাইউম খান রায়ের তথ্য প্রসঙ্গে সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় আদালতে আনা হয় জাকির খানকে। এসময় হাজারো কর্মী সমর্থক আদালত প্রাঙ্গনে উপস্থিত হলে পুলিশের পক্ষ থেকে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়।


জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২৮ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মমিনুল ইসলামের আদালতে তৃতীয় দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়। এ দিন বাদী পক্ষ ও আসামি পক্ষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেছেন। শুনানি শেষে ৭ জানুয়ারি রায়ের পরবর্তী তারিখ ঘোষণা দেয় আদালত। ২০০৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারী গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন ব্যবসায়ী নেতা সাব্বির আলম খন্দকার । এ হত্যাকান্ডের পর তৎকালীন জেলা বিএনপির সভাপতি ও বর্তমান তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব এবং নিহতের বড় ভাই তৈমুর আলম খন্দকার বাদী হয়ে সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিনকে প্রধান আসামি করে ১৭ জনের নামে ফতল্লা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর মোট ৯ জন তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়। পরবর্তিতে সিআইডির এএসপি মসিহউদ্দিন দশম তদন্তকারী কর্মকর্তা দীর্ঘ প্রায় ৩৪ মাস তদন্ত শেষে তিনি ২০০৬ সালের ৮ জানুয়ারী আদালতে ৮ জনকে আসামি করে চার্জশীট দাখিল করেন। এতে মামলা থেকে সাবেক এমপি গিয়াসউদ্দিন, তার শ্যালক জুয়েল, শাহীনকে অব্যাহতি দিয়ে সাবেক ছাত্রদল সভাপতি জাকির খান, তার দুই ভাই জিকু খান ও মামুন খানসহ মোট ৮ জনকে আসামি উল্লেখ করা হয়।


এ চার্জশিটে মামলার প্রধান আসামি গিয়াস উদ্দিনকে মামলা থেকে বাদ দেওয়ায় মামলার বাদী তৈমুর আলম খন্দকার চার্জশিটের বিরুদ্ধে ওই বছরের ২৪ জানুয়ারি আদালতে নারাজি পিটিশন দাখিল করেন। নারাজি পিটিশনে তৈমূর আলম বলেছিলেন, ‘গিয়াসউদ্দিনই সাব্বির আলম হত্যাকাণ্ডের মূল নায়ক। গিয়াসউদ্দিন ও তার সহযোগীদের অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে তদন্ত কর্মকর্তা একটি গোঁজামিলের চার্জশিট দাখিল করেছেন।’এরপর থেকে ৫ বছরের অধিক সময় ধরে নারায়ণগঞ্জ বিচারিক হাকিম আদালতে (ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট) মামলার শুনানি চলে আসছিল। গত ২০১১ সালের অক্টোবর মাসে তৈমুর আলম খন্দকার আদালতে দাখিলকৃত না রাজি পিটিশনটি আবেদন করে প্রত্যাহার করে নেন। নারাজি পিটিশন প্রত্যাহারের কারণে সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন এখন আর মামলায় অভিযুক্ত নেই। ফলে সিআইডি ২০০৬ সালের ৮ জানুয়ারি আদালতে যে ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছেন তার উপর ভিত্তি করেই মামলাটি পরিচালিত হচ্ছে।