এইচএসসির ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন জাতীয় নাঙ্গলকোট বাজার ব্যবসায়ী সংস্থার নির্বাচনে কোষাধ্যক্ষ পদপ্রার্থী জসিম উদ্দিনের গণসংযোগ কুলিয়ারচরে ভিন্ন কর্মসূচীর মাধ্যমে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন নড়িয়ায় জেন্ডার স্টেরিওটাইপ ও নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে কমিউনিটি অ্যাকশন প্রজেক্ট অনুষ্ঠিত ঝিনাইগাতীতে এসআইএল-এর উদ্যোগে শান্তি, সম্প্রীতি ও সহাবস্থান প্রতিষ্ঠায় যুব সেমিনার অনুষ্ঠিত লাখাইয়ে গাঁজাসহ আটক সাইদুলের ৪ মাসের কারাদণ্ড। ঈশ্বরগঞ্জে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত লাখাইয়ে দেশি মাছের সংকট,শুঁটকি উৎপাদনকারীরা বিপাকে ডোমারে হাবিবুল হক দুলাল মাস্টার স্মরণে শোকসভা ডোমারে জেলা প্রশাসকের পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা মোংলায় তেলবাহী ট্যাংকারের ধাক্কায় ডুবল ১২০০ টন কয়লাবোঝাই কার্গো ডোমারে আওয়ামী লীগের ৩ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার রাজবাড়ীতে প্রকাশ্যে যুবকে গুলি আশাশুনিতে নারীর আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি সম্পর্কিত সভা উলিপুরে ট্রেনে কাটা পরে বৃদ্ধার মৃত্যু লোহাগড়ায় গ্রাম পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের মাসব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ" কোর্সের উদ্ধোধন ঝিনাইগাতীর নকশী সীমান্ত থেকে ১৪৭ বোতর ভারতীয় ইস্কাফ সিরাপ উদ্ধার নালিতাবাড়ীর সিবিও নেতৃবৃন্দের জামালপুরের উন্নয়ন সংঘের সীডস প্রকল্প পরিদর্শন মাঝ নদীতে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ট্রলারডুবে নিখোঁজ দুই জেলে ইসরায়েলে ভোট আজ, চ্যালেঞ্জের মুখে নেতানিয়াহু

কুবির নজরুল হলে ইফতারের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ


স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে ফিস্ট মিলের আয়োজন করা হয়। তবে কাজী নজরুল ইসলাম হলের প্রাধ্যক্ষ মো. হারুনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ইফতারের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, ফিস্ট মিলের জন্য প্রশাসন শিক্ষার্থীপ্রতি ১৭০ টাকা বরাদ্দ দেয়, পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আরও ৫০ টাকা নেওয়া হয়। কিন্তু প্রত্যাশিত মানসম্পন্ন খাবার না পাওয়ায় এবং অন্যান্য হলের তুলনায় নিম্নমানের খাবার পরিবেশন করায় শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

টাকা অনুযায়ী খাবারের মান নিম্নমানের হওয়ায় ইফতারের সময় শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েন হল প্রাধ্যক্ষ। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীদের সাথে তিনি বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, "তিনি মূলত টাকা মেরে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন, নয়তো তাঁর ওপর কেউ চাপ সৃষ্টি করেছে। অন্য হলগুলো যেখানে ভালো খাবার পরিবেশন করতে পারছে, সেখানে নজরুল হলে কেন বৈষম্য করা হলো? বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জায়গায় এমন অনিয়ম মেনে নেওয়া যায় না।"

হলের আবাসিক শিক্ষার্থী সোয়াইব হোসেন আল-আমিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন,"হলের ইফতারের বাজেট থেকেও আপনাদের টাকা খেতে হয়? লজ্জা নজরুল হল প্রশাসন!"

আরেক আবাসিক শিক্ষার্থী সাদির বলেন,"স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রতিবছর নির্দিষ্ট বাজেটে ইফতারের আয়োজন হয়। কিন্তু এবারের খাবারের মান এতটাই নিম্ন ছিল যে, হলের ইতিহাসে এমন বাজে খাবার আমরা আগে খাইনি। অথচ অন্যান্য হলে ভালো খাবার দেওয়া হয়েছে। প্রাধ্যক্ষ দাবি করছেন, ১৫ হাজার টাকা বেঁচে গেছে, যা ঈদের পর বিশেষ খাবারের জন্য রাখা হবে। কিন্তু এই অর্থ তো আজকের খাবারের জন্য বরাদ্দ ছিল! এটি কীভাবে অন্য খাতে স্থানান্তর করা হলো?"

শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে হলে উপস্থিত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ও প্রক্টর।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন,"আমি বাকি চারটি হলে ভিজিট করেছি, কিন্তু এই হলের অবস্থা একেবারেই অপ্রত্যাশিত। কী ঘটছে, তা আমি দেখছি। আগামীকাল তোমরা আমার সাথে দেখা করো।"

অন্যদিকে, হল প্রাধ্যক্ষ মো. হারুন বলেন,"আমরা পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ইফতারের আয়োজন করেছি। ভেবেছিলাম, অতিরিক্ত ভর্তুকি দিতে হতে পারে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ১৫ হাজার টাকা বেঁচে গেছে। এই টাকা ঈদের পর শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ খাবারের আয়োজনে ব্যয় করা হবে।"

তবে শিক্ষার্থীরা বলছেন, ঈদের পরের খাবারের অজুহাতে আজকের ইফতারের মান কমিয়ে দেওয়াই মূল উদ্দেশ্য ছিল। এটি মূলত বাজেট আত্মসাতেরই একটি কৌশল। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

আরও খবর