আশাশুনিতে ইয়াবাসহ ব্যবসায়ী গ্রেফতার মাদক উদ্ধারে জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই হলেন লাখাই থানার আবু কাউসার। চৌদ্দগ্রামে শিক্ষার্থীদের হাতে চারা তুলে দিল উপজেলা প্রশাসন বিদেশি ঋণ শোধে রেকর্ড, ৫ মাসে পরিশোধ ২০৪ কোটি ডলার লালপুরে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালন বিদেশি ঋণ শোধে রেকর্ড, ৫ মাসে পরিশোধ ২০৪ কোটি ডলার ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে, ২৪ ঘন্টায় ৯ জনের মৃত্যু বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সূচি প্রকাশ করল বিসিবি যশোরের বাঘারপাড়ায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপিত ‎মোংলায় স্বাস্থ্যঝুঁকি চরমে: ডেঙ্গু ও হামে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল চার শতাধিক গোয়ালন্দে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপন গোয়ালন্দে শিক্ষকতার পাশাপাশি পেঁপে চাষে সাফল্য দুই বিঘা জমিতে শাহী পেঁপের বাম্পার ফলন, ৫ লাখ টাকা বিক্রির আশা রায়পুরে আলমগীরের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন, গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি বরিশালে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বরিশাল নগরীতে বিসিসির বিশেষ অভিযান বাঘায় আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস পালিত: র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত এই হোক অঙ্গীকার সাক্ষরতা সর্বজনীন অধিকার ঈশ্বরগঞ্জে সাক্ষরতা দিবসে র‌্যালি আলোচনা সভা কয়েক দিনের মধ্যেই দেশে গ্যাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে: পরিকল্পনা উপদেষ্টা আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস আজ, দেশে সাক্ষরতার হার ৭৭.৯ শতাংশ কিছুটা লোডশেডিং মেনে নেয়া উচিত: ডা. জাহেদ

কিশোরগঞ্জের বীর মুক্তিযোদ্ধা সখিনা বেগম আর নেই

মো. ফরমান উল্লাহ - প্রতিনিধি

প্রকাশের সময়: 17-06-2025 11:34:20 pm


কিশোরগঞ্জের  নিকলী উপজেলার  বীর মুক্তিযোদ্ধা সখিনা বেগম আর নেই। তিনি উপজেলার গুরুই  গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।  তাঁর বাবার নাম সোনাফর মিয়া এবং মায়ের নাম দুঃখী বিবি। সখিনা নিঃসন্তান। মুক্তিযুদ্ধের আগেই তার স্বামী   কিতাব আলী মারা যান । নিকলীতে সখিনা বেগমকে দেখভাল করার কেউ না থাকায় তিনি বাজিতপুর উপজেলার হিলচিয়ার বড়মাইপাড়া গ্রামে তার ভাগ্নি ফাইরুন্নেছা আক্তারের কাছে থাকতেন।

আজ  মঙ্গলবার(১৭ জুন)  ভোরে হিলচিয়া বড়মাইপাড়া গ্রামে ভাগ্নির বাড়িতে ৯৩ বছর বয়সে মৃত্যু বরন  করেন।  আজ মঙ্গলবার  আসর নামাজ বাদ  সখিনার গ্রামের বাড়ি গুরুই ঈদগাহ মাঠে জানাজা  নামাজ শেষে শাহী মসজিদের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়েছে।


১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে সখিনা বেগম মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধে সখিনা বেগমের ভাগ্নে মতিউর রহমান সম্মুখযুদ্ধে অংশ নিয়ে পাক হানাদার বাহিনী এবং দেশীয় রাজাকারদের হাতে শহীদ হন। ভাগ্নের অকালমৃত্যু সখিনাকে প্রতিশোধ পরায়ণ করে তোলে। মুক্তিযুদ্ধের সময় সখিনা বেগম গুরুই এলাকায় বসু বাহিনীর নেতৃত্বাধীন মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে রান্নার কাজ করতেন। কাজের ফাঁকে  ফাঁকে তিনি রাজাকারদের গতিবিধির বিভিন্ন খবর সংগ্রহ করে মুক্তিযোদ্ধাদের জানাতেন।

একপর্যায়ে তিনি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে ধরা পড়েন। পরে কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে আসেন। আসার সময় সেখান থেকে নিয়ে আসেন একটি ধারালো দা। আর সেই দা  দিয়েই নিকলীর পাঁচ রাজাকারকে কুপিয়ে হত্যা করেন। সখিনা বেগমের সেই দা বর্তমানে ঢাকায় মুক্তিযুদ্ধা জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে বলে জানা যায়।

আরও খবর