সাহিত্য–সংস্কৃতির উজ্জ্বল নক্ষত্র সুরাইয়া আক্তার রিমা চিশতী: কলম, তুলি ও নেতৃত্বে এক অনন্য প্রতিভা
সুরাইয়া আক্তার রিমা চিশতী — সাহিত্য, সৃজনশীলতা ও শিল্পকলার এক অনন্য সম্মিলন, একজন মেধাবী শিল্পী ও লেখিকা যিনি অসাধারণ শিল্পদৃষ্টি ও গভীর মানবিক বোধ দিয়ে ইতোমধ্যেই পাঠক–দর্শকের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। তার কলমের স্পর্শে শব্দেরা আবেগে আলো জ্বালে, আর তুলির আঁচড়ে ক্যানভাসে ফুটে ওঠে প্রকৃতি, ভালোবাসা ও মানুষের অন্তর্মনের নীরব গল্প। তিনি শুধু কবিতার স্রষ্টা নন, বরং চিন্তা, চেতনা ও নান্দনিকতার এক সমৃদ্ধ ভুবন নির্মাতা; যেখানে শব্দ, রং ও আলো একাকার হয়ে জন্ম দেয় নতুন উপলব্ধি।
রিমা চিশতী বর্তমানে আন্তর্জাতিক মানবিক নারী সংগঠন ইনার হুইল এর ঢাকা আপটাউন ক্লাবের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিশ্বব্যাপী নারী নেতৃত্ব ও সামাজিক মানবিক কর্মকাণ্ডের এ প্ল্যাটফর্মে তার নেতৃত্ব প্রশংসার দাবিদার। পাশাপাশি তিনি একজন Freelancer artist & writer, যিনি শিল্পচর্চা, গবেষণা ও সাহিত্য সৃষ্টিতে অবিচল নিষ্ঠায় কাজ করছেন।
তরুণ সমাজকে সাংস্কৃতিকভাবে সমৃদ্ধ করতে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন Jagannath University Cultural Center এবং এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে তিনি সংস্কৃতি, শিল্প ও সৃজনশীলতার বিকাশে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। এছাড়া Artist Designing of Handicrafts ক্ষেত্রে যুক্ত থেকে তিনি শিল্পের বহুমাত্রিক জগতে অবদান রেখে চলেছেন, যা তাকে একজন বহুগুণে সমৃদ্ধ সৃষ্টিশীল ব্যক্তিত্ব হিসেবে আলাদা মর্যাদা দিয়েছে।
শিক্ষাজীবনেও তার পথচলা আলো ছড়ানো। তিনি University of Dhaka থেকে জীববৈচিত্র্য পরিবর্তন বিষয়ে এমফিল সম্পন্ন করেছেন। এর আগে Jagannath University থেকে ভূগোল ও পরিবেশ বিষয়ে সম্মান ও সম্মানোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। Dhaka Mohanagar Mohila College থেকে এইচএসসি সম্পন্ন এবং স্কুলজীবন শুরু করেন Dhaka Central Girls High School-এ। প্রতিটি ধাপে তিনি জ্ঞান, নৈতিকতা ও প্রতিষ্ঠার এক দৃঢ় ভিত্তি গড়ে তুলেছেন।
রিমা চিশতী আজ শুধু একজন লেখিকা বা শিল্পী নন—তিনি সৃষ্টিশীলতা, মানবিকতা ও সংস্কৃতির দীপ্ত প্রতিচ্ছবি। তার প্রতিটি সৃষ্টি আমাদের মনে করিয়ে দেয়: সাহিত্য ও শিল্প মানুষের আত্মাকে জাগ্রত করার শক্তি, সমাজে সৌন্দর্য ও সদ্ভাব ছড়িয়ে দেওয়ার সেতুবন্ধন। নতুন প্রজন্মের জন্য তিনি এক অনুপ্রেরণার মশাল—যিনি প্রমাণ করেছেন, প্রতিভা, পরিশ্রম ও দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয়ে মানুষ নিজেই নিজের আলো গড়ে নিতে পারে।
তার কলমের আলো, তুলিের ছোঁয়া—সবাইকে করে তোলে মানবিক, সচেতন ও নান্দনিকতার প্রতি আকৃষ্ট।