মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় এক গৃহবধূকে জবাই করে হত্যার অভিযোগে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী হত্যার দায় স্বীকার করলেও ঘটনাটি ঘিরে নানা প্রশ্ন ও রহস্যের জন্ম দিয়েছে।
বুধবার রাত আনুমানিক ৩টার দিকে শিবচর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুর রহমান বেপারী কান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত গৃহবধূর নাম রোকেয়া বেগম (৫৫)। তিনি জন্মান্ধ আবুল মৃধার (৬৫) স্ত্রী।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আবুল মৃধা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন যে তিনি ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীকে জবাই করে হত্যা করেন। তবে স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় দম্পতির দুই ছেলে—আলী হোসেন ও মোহাম্মদ মিয়া—একই ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ওই দুই ছেলে দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত এবং চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। হত্যাকাণ্ডের পর তাদের আচরণ ছিল অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক বলেও দাবি করছেন স্থানীয়রা।
এতে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন উঠেছে—একজন বৃদ্ধ ও জন্মান্ধ ব্যক্তি এককভাবে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটাতে সক্ষম কি না, নাকি ঘটনার পেছনে অন্য কোনো ব্যক্তি বা ভিন্ন কোনো ঘটনা জড়িত রয়েছে।
খবর পেয়ে শিবচর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়েছে। স্বামীর স্বীকারোক্তির পাশাপাশি পরিবারের অন্য সদস্যদের ভূমিকা, পারিপার্শ্বিক অবস্থা ও অন্যান্য আলামত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে।
২ ঘন্টা ৩৯ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ৪১ মিনিট আগে
৫ ঘন্টা ৩৬ মিনিট আগে
৬ ঘন্টা ২ মিনিট আগে