লাখাইয়ে কলেজের লাগোয়া ভূমি ক্রয়বিক্রয় কে কেন্দ্র করে নানামুখী আলোচনা ও ভূলবুঝাবুঝি।
লাখাইয়ে কলেজের লাগোয়া ভূমি ক্রয়বিক্রয় কে কেন্দ্র করে নানামুখী আলোচনা ও ভূলবুঝাবুঝি।
লাখাইয়ে লাখাই মুক্তি যোদ্ধা সরকারি ডিগ্রি কলেজ এর লাগোয়া এখন্ড ভূমি ক্রয়বিক্রয় কে কেন্দ্র করে এলাকায় নানামুখী আলোচনা ও স্থানীদের মাঝে ভূলবুঝাবুঝি সৃষ্টি হয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে কলেজের একুয়ারভূক্ত ভূমি লাখাই মুক্তি যোদ্ধা সরকারি ডিগ্রি কলেজ এর কয়েকজন শিক্ষক নিজের নামে লিখে নিয়েছেন। এ তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে অসন্তোষ চলছে। চলছে নানামুখী আলোচনা সমালোচনা। কেউবা বলছেন কলেজের জমি শিক্ষকরা লিখে নিতে পারেননা, এটা ঠিক নয়।আবার কেউবা বলছেন সরকারি সম্পত্তি লিখে নেওয়ার কোন সুযোগ নেই। হয়তো ব্যক্তি মালিকানার জমি হতে পারে। আর তা হয়ে থাকলে আমাদের কিছু করার বা বলার নেই।এদিকে একটি মহল উঠেপড়ে লেগেছে যাতে স্থানীয়দের ও শিক্ষকদের মধ্যে ভুলবুঝাবুঝির সুযোগ নিয়ে ঘোলাপানিতে মাছ শিকার করতে পারে।
এ প্রেক্ষিতে কলেজ এর অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ হামজা মাহমুদ এর সাথে আলাপকালে তিনি জানান আমাদের কলেজের ভূমি সরকারি সম্পত্তি এবং তা হস্তান্তর করা সম্ভব নয়।কলেজের ২.৪৪ একর ভূমি নিষ্কটক ও কলেজ কতৃপক্ষের ভোগদখল এ রয়েছে। শিক্ষক গন যে জমি ক্রয় করেছে তা কলেজ এর বাহিরে ব্যক্তি মালিকানা ধীন ভূমি।
এ বিষয়ে ভূমি বিক্রেতা সুরঞ্জন দেবনাথ এর সাথে আলাপকালে জানান আমার মৌরসী মালিকানাধীন ভোগদখলীয় ভূমি বিক্রি করতে চেষ্টা চালিয়ে আশেপাশে ন্যায্যমূল্যে ক্রয় করার মতো কোন ক্রেতা না পেয়ে অবশেষে কলেজের শিক্ষকদের নিকট বিক্রি করেছি। কারণ আমার বাবা অসুস্থ থাকায় তাঁর চিকিতসায় প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়েছিল এবং এ জমি বিক্রি করা ছাড়া অন্য কোন বিকল্প নেই। এখন স্থানীয় লোকজন বলছে এ জমি কেন আমি বিক্রি করেছি। এ জমি নাকি কলেজ এর জন্য একোয়ার করতে পারে।এ বিষয়ে শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন বলেন আমরা শিক্ষক গন ব্যক্তি মালিকানাধীন ভূমি ক্রয় করেছি এবং আমরা কলেজের আওতাধীন কোন জমি ক্রয় করিনি ।তিনি আরোও জানান কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ হামজা মাহমুদ কলেজে অধ্যক্ষ হিসাবে যোগদান এর পর কলেজের ব্যাপক উন্নয়ন করে এর আমূল পরিবর্তন করেছে ।এতে ক্ষিপ্ত হয়ে একটি কুচক্রী মহল কলেজের বিযয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং কলেজের শিক্ষকদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে বামৈ গ্রামের একজন নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি হারুন অর রশীদ এর সাথে সেলফোনে আলাপকালে তিনি জানান এ জমি আমাদের কলেজের নামে একোয়ার করা।এ জমি শিক্ষকরা ক্রয় করতে পারেনা।তারা যেন এ জমি তাদের নিজের খরচে কলেজের নামে লিখে দেন।
এ বিষয়ে বামৈ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজাদ হোসেন ফুরুক এর সাথে আলাপকালে জানান এ জমি কলেজের আওতা ভূক্ত। এ জমি শিক্ষকরা ক্রয় করতে পারেনা
।আমাদের কলেজের জমি ক্রয় করা তাদের সমীচীন হয়নি। এ জমি অন্য কেউ ক্রয় না করলে তা এমনিতেই কলেজের হয়ে যেতো কোন একসময়।তিনি আরোও জানান যারা কলেজের আওতাধীন জমি ক্রয় করেছে তারা যেন এ কলেজের নামে দিয়ে দেয়।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ মুরাদ ইসলাম বলেন জমি ক্রয় বিক্রয় সংক্রান্ত বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম এ জমি কলেজ এর জমি নয়।এটি ব্যক্তি মালিকানাধীন।মালিক পক্ষের নিকট থেকে ক্রয় করেছে।