সাতক্ষীরা-আশাশুনি সড়কে নির্বিঘ্নে ইজিবাইক চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তুলে নেওয়ার দাবীতে আশাশুনিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) বেলা ১১ টায় চাপড়া বাস ও ইজিবাইক স্ট্যান্ড সংলগ্ন প্রধান সড়কে আশাশুনি চাপড়া ও বুধহাটা ইজিবাইক মালিক ও চালক সমিতি এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।
আশাশুনি ইজিবাইক মালিক ও চালক সমিতির সভাপতি রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, আশাশুনি উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবু জাহিদ সোহাগ। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, চাপড়া ইজিবাইক মালিক সমিতির সভাপতি ইলিয়াস সরদার, বুধহাটা ইজিবাইক মালিক সমিতির সভাপতি মতিকুল ইসলাম, বুধহাটা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি জামাল উদ্দীন প্রমুখ। মানববন্ধনে আঃ আলিম, জিয়ারুল ইসলাম, আজিজুল, সিরাজুল, আরিফ, হাবিবুর, ইকবল, আলম, রবিউল, আব্দুল্লাহ, সাইফুল্লাহ, তামিম, আজাদ, আলতাফ, বুলবুল, রাজ্জাকসহ দুই শতাধিক ইজিবাইক মালিক ও চালক উপস্থিত ছিলেন।
বুধহাটা ইজিবাইক মালিক সমিতির সভাপতি মতিকুল ইসলাম বলেন, সাতক্ষীরা পৌর সভায় যানজট নিরসনের স্বার্থে পৌর এলাকায় উপজেলার ইজিবাইক চলাচলে নিষেধ করছে পৌর প্রশাসন, আমরা সেটা মেনে নিয়েছি কিন্তু উপজেলার সাথে জেলা সদরের সড়কে আমাদের চলাচলে বাঁধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। আমরা বহুবার অনুরোধ করেছি হয়রানি না করার জন্য কিন্তু বাস মালিক সমিতির লোকজন আমাদের কথা রাখছেন না। আমরা স্পষ্ট ভাবে ঘোষণা দিচ্ছি, যদি পৌর সভার বাহিরে ইজিবাইক চলাচলে বাঁধা দেওয়া হয় বা বন্ধ করা হয় তাহলে সড়কে বাস চলাচলে বাঁধা দেওয়া বা বন্ধ করে দেওয়া হবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আশাশুনি উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবু জাহিদ সোহাগ বলেন, ইজিবাইক চালকদের পরিবার আছে, তাদের রুটি-রুজি আসে ইজিবাইক চালিয়ে সুতরাং তাদের চলাচল করতে বাঁধা না দিয়ে আলাপ আলোচনা করে সমাধান করতে হবে। জোর পূর্বক কোন কিছু চাপিয়ে দিয়ে সড়কে ইজিবাইক বন্ধ করে তাদের পেটে লাথি মারার অধিকার কারও নেই। আমরা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে গিয়েছিলাম। তিনি ডিসি মহোদয়ের সাথে কথা বলে আমাদেরকে জানিয়েছেন, পৌরসভার বাইরে সকল সড়কে ইজিবাইক চলাচল করতে পারবে। তাঁর সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে পৌর সভার সীমান্ত পর্যন্ত ইজিবাইক চালাবে চালকরা। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইজিবাইক চালকদের পরিবারের কথা চিন্তা করে তাদেরকে সুযোগ না দিলে তাদের পক্ষে আমরা কঠোর অবস্থান নিতে বাধ্য হবো।